
মব কি বন্ধ হবে না?
মানুষের বিবেক ও ন্যয়বোধ কবে জাগ্রত হবে?
"ঘটনাস্থল:শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল
রাত ১ :১০ টা
ইমার্জেন্সি ডিউটি ডক্টর ডা. নাসির (বিসিএস ৪৮ তম ব্যাচ এটাচমেন্টে সদরে কর্মরত ) ডিউটিরত অবস্থায়। ধারণ ক্ষমতার চেয়ে ৩/৪ গুণ বেশি রোগি ভর্তি ২৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে।।
ইমার্জেন্সি ডিউটি ডক্টর নাসির যথানিয়মে এ রোগীকে দেখছেন ইমার্জেন্সি তে বসে।
হার্ট এ্যাটাকের রোগী, ব্লাড প্রেশার ৬০/৪০...
দুই দিনের পুরানো বুকে ব্যথা নিয়া ভর্তি হয়েছিল... রিস্ক বন্ড দিয়েছিল... ঢাকা নিতে অপারগ তারা!
রোগি কার্ডিওজেনিক শকে থাকায় অবস্থা খারাপ হতে থাকে।
৩ তলায় ওয়ার্ডে ভর্তি থাকায় রোগীর লোক ইমার্জেন্সি ডিউটি ডাক্তারের কাছে আসতে বিলম্ব হয় এবং ডিউটি ডাক্তার যেয়ে রোগীকে মৃত পায়।
অত:পর রোগির স্বজন ১৫০/২০০ মানুষ হাসপাতাল ইমার্জেন্সি তে জড়ো করে।
বেধড়ক পেটায় ডা. নাসির কে।
দরজা ভেংগে ভিতরে ঢুকে। পরিস্থিতি খারাপ দেখে ড. নাসির ওয়াশরুমে আশ্রয় নেয়। সেটা ভেংগে ডা. নাসিরকে মারতে মারতে বের করে।
ইট দিয়ে মাথা ফাটিয়ে দেয়। মেরে ফেলার চেষ্টা ছিল হয়ত।
৩ জন আনসার ও গুরুতর আহত হয়। পুলিশ আসতে আসতে ডা. নাসিরকে মেরে আধমরা করে ফেলে ডায়ারিয়া ওয়ার্ড থেকে টেনে হিচড়ে নিয়ে যায়।
একজন চিকিৎসকের এই বর্ণনা শুনেই বোঝা যাচ্ছে কতটা নির্মমভাবে মেরেছে এই ডাক্তারকে।
ডা. নাসিরকে আমি ব্যাক্তিগতভাবে চিনি। অত্যন্ত মেধাবী, মানবিক চিকিৎসক সে। বিয়ে করছেন মাসখানিক আগে।
অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে দ্রুত এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এ ঢাকায় আনা হচ্ছে।" (১)
সোর্সঃ
(১)ডাঃ সাকলায়েন রাসেলের ফেসবুক ওয়াল ।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



