দেবদা গো-
দেখ । কত রক্তঝরে প্রাণে,
তুষের অনল পুরে পুরে ছাই হৃদয়ের মাঝখানে ।
নয়ন প্রপাতে অগ্নিবারি দুঃখ গুলো সারি সারি
দেখ দুরনি- দূর্বাতাসে-
আকাশসম স্মৃতিকষ্টরা স্মৃতিরকষ্টকাশে ভাসে ।
রোজদেখি নয়নপটে সরাপছিটাও হৃদয়টাতে
ঘুঙ্গুর পায়ীর নিত্য দেখ বাতায়ন ঝরা রাতে,
আর আমার নিত্যরা কূরেকূরে মরে আমার দেহটাতে ।
দেবদা গো-
বুঝবেনা অবলার কষ্টকথা হৃদয় ভরা দুঃখ ব্যথা
গাথলেনা মালা কঠিন সমরে করলেনা মাল্যদান,
ভাংলেনা সমাজ প্রেমিক হৃদয়ে রাখলেনা অবদান ।
সেই থেকে তুমি তোমার ভুবনে-
আমি পার্বতী আরেক জীবনে,খেলছি তাসের খেলা,
হৃদয়পাড় যে ভাঙ্গিছে গড়িছে কখন যে ফুরাবে বেলা ।
দেবদা গো-
কেন এত জ্বালা দেহমনে, কেন এতো ঝড় বহে হৃদয় গগনে
কেন মন না বুঝে,অহরনিশি কেন দেবদা তোমায় এ মন খোঁজে
আসবে কি তুমি আর অবেলার ভুবনে,
রাখবেকি দু,টি চোঁখ বেদনার নীল চোঁখ পানে
না পাওয়ার অভিসারে চোট আকবেনা আর এ কপালে ?
ভুলেছ কি সিপ-খানা দেব ? যে সিপে ঝরালে রক্ত অকালে ।
শুনেছি তুমি অধিক আহত,রক্ত ঝরাও মুখে
আমিও যে পারিনা সইতে জ্বালা মরনসম দুঃখে ।
বলেছিলে পারূ মরার আগে হলেও দেবে আমায় দেখা
কোথায় তুমি এলেনা আজও এই কি নিয়তির লেখা ।
অবশেষে সেই এলে কাক ডাকা ভোঁরে
নিশিথ রজনী তখনও কিছুটা জাঁগি,
চেয়েছিনু কি আর পেয়েছিনু কি যে,
তাই ভেবে আজো জাগি।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




