বাবা ছিলেন জমিদার । সে কালের জমিদারদের মত প্রভাব পতিপত্যি না থাকলেও স্বভাবে চলনে বলনে উঠা বসায় কোন দিকেই শাকুটে জমিদারের কমতি ছিলনা । যেন তার বাবা হিরেনকোটের পুরো স্টাইলটাই লালন করেছেন । জোর,জূলুম,অনাচার,অবিচার,তিনি সমাজে যেমনিভাবে দমন করতেন ঠিক তেমনি ভাবে নিজ পরিবারেও নীতিগত আইন প্রয়্যোগেও ছিলেন অটল ।
দুই ছেলে । দু,জনকেই দেশের বাইরে পড়ালেখা করান । ছোট মেয়ে শিরিনশিলা জাহাঙ্গীরনগর ইঊনিভারসিটির প্রথম বরষের ছাত্রী ।
বাবার কড়া শাশন আর চার দেয়ালে বন্দি থাকা সুন্দর তরনীর উন্মুক্ত ছায়ানটে পা রাখতেই সকলের চোখে যেন এক রুপসীকন্যা নামে বিভুষিত হল । হাজারো রুপের ঊপমা কেও বলে অগ্নি,কেঊ বলে বহ্নি,কেঊ বলে সাগর,কেউ বলে নিলাফতরঙ্গরাশি,কেঊ বলে আলোর ফোয়ারা,আবার কেউ বলে ও মাই গড এ যে পাগলপারা ।
আর ক্লাসরূমের লাস্ট বেঞ্চে শান্ত মনে নিরিবিল বইয়ের পাতায় চোঁখ বুলিয়ে যাওয়া শান্ত ছেলে নিলয় নীমুরের ঊপমা, তাঁর দৃষ্টিতে শিরিনশিলা যেন বেহেস্তের হোর । আর পৃথিবীর মাঝে সবচেয়ে সুন্দরীর রাণী । এতোরুপ সুন্দরী ইহ জীবনে সে দেখেনি । আহা কি মরি মরি রুপের লাবন্য আহা কি ঘ্রাণ ।
মরি মরি রুপের রানী
আহারে কি সুখ আছে নাজানি।।
নেশানেশা ভরা চোখ তার স্বর্গীয় শুধা
দেখিলেই মিটেগো প্রেমের ক্ষুধা
ডাইরীর ভাঁজে ভাঁজে ছোট বড অনেক কবিতার চরণ । ছন্দময় প্রানবন্ত সাবলিল কবিতা লিখার দক্ষতা না থাকলেও তার মনের যে গভির আকুতি দুরন্ত ভালবাসার বহিঃরপ্রকাশ তা যেন অপূর্ব রুপেই ফোঁটে উঠেছে । ডাইরীর পাতায় পাতায় কিছু কিছু গানের চরন লিখা-
আমার হিয়ার মাঝে লোকিয়েছিলে ।
অথবা
তুমি সুন্দর তাই চেয়ে থাকি প্রিয় সেকি মোর অপরাধ ।
সময়ের স্রোতবেয়ে দিন যাচ্ছে । যতই দিন যায় নিলয় নীমুর একক প্রেমের কাব্যকথায় তার ডাইরীটা যেন কবিতার চরণে গানের লাইনে লাইনে মনিষীদের ঊক্তি কথায় আর নিজ মনিষীর দক্ষতায় ভারী করে তোলেছে ।
মাঝে মধ্যে বন্ধুরা শিরিনশিলা সম্পর্কে কিছু জানতে চাইলে নিলয় নীমু এমন ভাবে বলে যেন সে শিরিন শিলা কে চিনেইনা । এমন সাধু সেজে বসে থাকে যেন তাঁকে বোঝার কোন উপায় নেই যে তার কাছে শিলা একটা নেশা,গভির ঘোমের দুরন্ত এলকোহল ।
পরবরতীতে.........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

