আমি মনে করি, যারা গাঁজাটা ভাল টানতে পারে তাদের গাঁজা নিয়েই থাকা উচিৎ। ওরা নরম মাংসের গন্ধ শোকার মধ্যেই প্রগতি খুঁজে। তাদের অবজারভেশন-হাত বাড়িয়ে লাল পানি পাওয়া গেলেই দেশের অর্থনীতি ভাল ঠেকছে। আমরা তাদেরকে বলি, আপনারা এসব নিয়েই থাকেন। বারান্দায়, ফুটপাতে কবিতা চর্চা বা অভিজাত ক্লাবে নারী মৈথুন করেন। তাতে আমাদের কিচ্ছু আসে যায় না । কিন্তু জ্ঞান দিতে আসবেন না প্লিজ।
নি:সন্দেহে বাংলাদেশের ইতহাসে জামায়াতে ইসলামীই প্রথম তাদের কাজের জন্য দু:খ প্রকাশ করেছে। দেশের মানুষ ক্ষমা চাওয়ার
এমন সংস্কৃতি জামাতের কল্যাণে প্রথম বারের মতো দেখল। মানুষ তাই উচ্ছ্বসিত।
এদেশে কর্মীভিত্তিক সুস্থ রাজনীতি একমাত্র জামায়াতে ইসলামিই করে। বুকে হাত দিয়ে শুধু শিবিরের ছেলেরাই বলতে পারে, তারা চরিত্রবান। ভাল ছাত্র। মেধাবী। যোগ্য। কর্মঠ। ছাত্রলীগ এমন দাবির করার সাহস হারিয়েছে দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেই।
জামায়াতের এ ভদ্রতা একেবারে সহ্যই করতে পারেনি বিবেকহীন কথিত সুশিলরা। তারা তখন আরেকটি ইস্যু বের করলেন---হে জামায়াত আমেরিকার কাছে ক্ষমা চাইল অথচ দেশের মানুষের সম্পদ নষ্টের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইল না!
আসল ব্যাপারটা হচ্ছে-আওয়ামী লবী দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতকে আমেরিকার কাছে উগ্রবাদী পরিচয়ে পরিচিত করতে ব্যস্ত। একটা চমৎকার সুযোগ তারা পেয়েছিল। কিন্তু জামায়াতের দক্ষতায় তাদের সে সুযোগ নস্যাৎ হয়ে গেল। তাই তারা এমন রব উঠিয়েছে।
আমরা তাদের বলছি, এদেশে বর্ণবাদের পেটে আওয়ামী লীগের জন্ম। দেশের নাম্বার ওয়ান ধর্ম ব্যবসায়ী দলও বাআল। আজ দেশে যে হরতাল হচ্ছে তার একক দায়ভার হাসিনার মস্তিষ্কপ্রসূত বাকশালকে নিতে হবে। হরতালে যদি আওয়ামী লীগও যুবলীগ খ্যাডাররা রাস্তায় না নেমে পিকেটারদের বাধা না দিত তবে একটি গাড়িও ভাংচুরের প্রয়োজন হতো না।
আপনাদের মানবিক বোধ নিয়ে আমরা লজ্জ্বিত। জানি কবেই এগুলো বিক্রি করে ফেলেছেন। তবু বলছি, কেন জামায়াতকে কর্মসূচি পালনের অধিকার দেয়া হচ্ছে না? জবাব দিন।
এত হাজার জামাত কর্মীকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে?
পুলিশের নিপীড়নে আপনারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন!
আপনাদের বিবেকবোধ চিড়িয়াখানার অতিথীদেরও লজ্জ্বা দেয়। বলেনতো কোন আইনে জায়েজ করা আছে, মিছিল করার অপরাধে একটি ১৫ বছরের শিুশুকে গুলি করে মেরে ফেলা যাবে!
আপনারা ভাবছেন এভাবে রক্ত ঝরিয়ে পার পেয়ে যাবে বাআল। আরে না । দুনিয়াটা এত সহজ না । পাপ বাপকেও ছাড়ে না । একটু মাঠে নামেন । সাধারণ মানুষের কথা বোঝার চেষ্টার। এতটুকু উপলদ্ধি অন্তত করুন সমাজতন্ত্র এদেশে আসমানের উপরের ও জমিনের নিচের জিনিস। রাশিয়া থেকে আমদানি করা এ আবর্জনাতে দেশের মানুষ থুতুও ফেলে না।
আপনারা যখন সারা জনম সমাজতন্ত্রের শসস্ত্র সংগ্রামের কথা বলে এখন পাক্কা আওয়ামী লীগ বনে গিয়ে গণতন্ত্রী হয়ে যেতে পারেন। তখন কি অন্য দলের আদর্শ নিয়ে কোন কথা বলার অধিকার রাখেন। বলেনতো
আপনাদের আসলেই কোন আদর্শ আছে কি? বুর্জোয়া কতগুলো কীট এদেশে বাসা গেড়ে বসেছেন।
অতি সুন্দর ভাষায় বলছি, আমাদের বড় বড় লেকচার দিবেন না। আপনারা এদেশের জনপ্রাণী শূন্য একদল...। আমরাতা ভাল করেই জানি।
জামায়াত নির্বাচন কমিশনের শর্ত মেনে নিয়ে আবার প্রমাণ করল-তারা একটি মডারেট দল। এতে আপনাদের গাত্রদাহের কারণটা আমরা বুঝি। আবার এও জানি পুকুরের তলানিতে থাকা ব্যাঙরা যতই লাফালাফি করুক না কেন তারা কখনো একটি পুকুরের পানি শুকিয়ে ফেলতে পারে না।
জেনে রাখুন, আমার মতো তরুণরা আপনাদের চিনে বহুরুপী বেহায়া হিসেবে। আপনাদের নতুন নাম তোরা রাজাকার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


