চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনে করেই অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন ভার্সিটিতে যায়। কিন্তু গতকালের একটি ভয়ংকর ঘটনার পর এখন তারা শোকাহত, ক্ষুব্ধ, আতংকিত। ইনবক্সে এই বিষয়ে জানতে পেরে কয়েক লাইন লেখার প্রয়াস পেলাম।
.
গতকাল প্রতিযোগিতা করে শাটল ট্রেনে উঠতে গিয়ে দুই পা হারিয়েছে চবির এক শিক্ষার্থী। ছেলেটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সারাজীবনের জন্য সে পঙ্গু হয়ে গেলো! ওর বন্ধুবান্ধবের কল্যাণে ফেসবুকে ছবি দেখলাম। শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন পা দুটির রক্তাক্ত ছবিও টাইমলাইনে ঘুরছে, যা সহ্য করা কষ্টকর। এমনটা মেনে নেওয়া যায় না। এটা কি নিছক দুর্ঘটনা? ভেবে দেখার সময় এসেছে।
.
চবির শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, শাটল ট্রেনটিতে প্রয়োজনের তুলনায় সিট অপ্রতুল। শিক্ষার্থীরাই অনেক সময় জায়গা পায় না, ৪০ মিনিট বা ১ ঘন্টা আগে গিয়ে বসে থেকেও নাকি অনেক সময় সিট পাওয়া যায় না। তারপর আছে ভিক্ষুক আর বহিরাগতের চাপ। দেখার নাকি কেউ নাই!
.
তাই গতকালের মর্মান্তিক ঘটনার পর ওদের দাবি, ট্রেনটির বগি সংখ্যা বাড়াতে হবে, ওদের দাবি ১২টি। আর নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে যাত্রীদের, ভার্সিটির বৈধ আইডি ছাড়া কাউকে যেন ট্রেনে উঠতে দেওয়া না হয়। আমি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ওদের দাবি মেনে নেওয়ার আহবান জানাই।
.
নিয়মিত বিষয়টা দেখভাল করতে হবে। মেধাবিদের প্রাপ্য সুবিধা দিতে হবে, যাতে তারা জ্ঞানবিজ্ঞানে আলোকিত হয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। পড়তে গিয়ে কেউ গাড়িচাপায় মরবে, কেউ হারাবে দুই পা ট্রেনের তলে, এটা কাম্য হতে পারে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



