somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশে সেনা ক্যু এর আশংকায় কি আছে ভারত?

১৮ ই মে, ২০২৫ সকাল ১১:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলাদেশে সেনা ক্যুর আশংকায় কি ভারত?

সম্প্রতি ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের আবহে বাংলাদেশীরা বরাবরের মতই দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে। জুলাই থেকেই 'দিল্লী না ঢাকা' স্লোগানে প্রকম্পিত হয় রাজপথ। এই যুদ্ধে বাংলাদেশ নিবাসী পাকিস্তানের সমর্থকরা মানসিকভাবে পাকিস্তানকে সাপোর্ট দেয়। এই সাপোর্ট কি সামরিকভাবেও দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলো কেউ কেউ? তিস্তাপাড়ে ভারতের সামরিক মহড়া কি তাদেরকে আরও উস্কানি দিচ্ছিলো বা উদ্বুদ্ধ করছিলো দিল্লী অভিমুখে মার্চের?

সেনাবাহিনীর বর্তমান প্রধান এমন কিছু করতে চাওয়ার কথা না। তবে কি ভেতর-বাইরের কেউ-কেউ তাঁকে সরিয়ে দিয়ে এমন কিছু করতে গোপন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিলো?

সম্প্রতি একজন সৈনিকসহ ৩ জন আর্মি স্টাফকে বরখাস্ত ও গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া শাস্তিপ্রাপ্ত আর্মি অফিসাররাও শাস্তি মওকুফ ও চাকরিতে পুনর্বহালের আবেদন জানিয়েছেন, যাদের অনেকেই এই সেনাপ্রধানকে মন থেকে হয়তো মেনে নেন না।

এসব কারণে এটা ধারণা করাই যায় যে, সিভিলিয়ানদের সাথে মিলে তারা একটি বড় সমাবেশ বা মব ভায়োলেন্স করতে পারে সেনানিবাস অভিমুখে। তাই হঠাৎ সেনানিবাস ও আশপাশের এলাকায় সব ধরণের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করা হলো কি?

একই সাথে ভারত গতকাল এক সরকারি সিদ্ধান্তে তাদের সকল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশের সকল পণ্য আমদানি বন্ধ করলো। ভিসা এমনিতেই দীর্ঘদিন ধরে অনেক কম দিচ্ছে, এরপর ট্রান্সশিপমেন্টও বন্ধ হলো আফ গতকাল বন্ধ হলো স্থলপথে রপ্তানি।

তাহলে কি বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর ভেতরের ও বাইরের এই ঘটনাপ্রবাহ আমলে নিয়ে সেনা ক্যু ঘটিয়ে ট্যাংক-কামান নিয়ে সামরিক-বেসামরিক লোকদের দিল্লী বা তিস্তা অভিমুখে লং মার্চের আশংকা করছে ভারত?

এমনটা নাহলেই ভালো। প্রতিবেশী দেশগুলোর মাঝে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান থাকলেই সকলের জন্য মঙ্গল। আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই। হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যেতে চাই উন্নতি ও সমৃদ্ধির পথে। সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়। এটা আমাদের পররাষ্ট্রনীতি। ভারতেরটাও প্রায় একই-- 'সব কা সাথ, সব কা বিকাশ'।
দেব দুলাল গুহ -- দেবু ফরিদী

সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই মে, ২০২৫ সকাল ১১:৪৩
১১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গভীর ক্রন্দন

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫৮


মেম্বার বাড়ি আর সরকার বাড়ির শত্রুতা দীর্ঘদিনের। জমিজমা লইয়া আজ এমন একখানি ঘটনা ঘটিয়া যাইবে, কেহ বোধহয় কল্পনাও করিতে পারেন নাই।

সকাল আটটায় কাঠের ব্যাপারী খসরু আসিয়া হাজির। দলিল লেখক আবু... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাজারের আগুন নিভবে পে-স্কেলে, প্রবৃদ্ধি ছুঁয়ে যাবে দশ শতাংশ ...

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৭ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৮


কেরামত মওলা সাহেবকে চেনেন না এমন মানুষ সচিবালয়ে কমই আছেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদের একজন সিনিয়র সচিব। আজ নতুন পে স্কেল নিয়ে গঠিত সচিবদের কমিটির সবচেয়ে ক্ষমতাধর এবং গুরুত্বপূর্ণ মানুষটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলামাবাদে জুলাই শহীদদের স্মরণে অনুষ্ঠান

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৭ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৭:৪৩



পাকিস্তানের ইসলামাবাদে বাংলাদেশ হাইকমিশনে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বক্তারা দাবি করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান কোনো ব্যক্তি বা দলের একক অর্জন নয়; এটি ছিল ছাত্র-জনতার সম্মিলিত আন্দোলনের ফল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপা আর ফিরে আসবে না......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৭ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৪১

যুগে যুগে গণ-আন্দোলন ও তীব্র জনরোষের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে পালাতে বাধ্য হওয়া বিভিন্ন দেশের স্বৈরশাসকদের তালিকাঃ

(১) মোহাম্মদ রেজা পাহলভিঃ (ইরান - ১৯৭৯)১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবের সময় লাখ লাখ মানুষের প্রবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সময় বহিয়া যায়…..

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৭ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩৫

খৃষ্টপূর্ব পাঁচ শতকের গ্রীক দার্শনিক হেরাক্লিটাস বলেছিলেন, "No man ever steps in the same river twice"। অর্থাৎ নদীর জল বহমান, সেটা দৃশ্যমান হলেও বা না হলেও। একটা মানুষ নদীর জলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×