somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জীবনের গল্প ১

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার ভালো লাগছেনা। আমার এই বিশাল বাড়ির কি করব। আমি বিশাল বাড়ির একটি ঘরের জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবছি।

এমন সময় রেহান এসে বল্ল- “মামা তুমি এখানে, আমি সারা ঘর তোমাকে খুজছি। মামা আমি এই সেমিস্টারেও দারুন রেজাল্ট করেছি।”
“আমি জানি বাবা তুই পারবি ।” -আমি বলি।
“এখন তাহলে তোমার কথা মোতাবেক আমাকে কি দেয়ার কথা ছিল।”
“একটু সবুর কর আমি তো দিবই। আগে বস। ঠান্ডা হো। বল রেহানার কি খবব। তোর কি খবর।”
“মা সে কি কখনো খারাপ থাকে। সে তো সব সময় ভালো থাকে। আর আমি এখন কেমন আছি তাতো তুমি বুঝছই।”
“আরে না পাগল তুই বুঝবিনা তোর মায়ের ব্যথা। সে সব সময় ভাল থাকার চেষ্টা করে।”
“ওসব আমার বোঝার দরকার নেই । তুমিই বুঝো। তুমি আমাকে টাকা দাও। আর তিনদিন পর ভার্সিটি খুলবে। আমি আজ বন্ধুদের সাথে ছবি দেখতে যাব সিটিটে এবং সেখান থেকে মোবাইলটা কিনে ফেলব।”

দু:খিত আমার উপস্থিতির জন্য। আমি রেহান। এখানে কেন্দ্র আমি না আমার মামা- মুহাইমেনুন খান। মামি আমার জন্মের আগেই মারা গেছে। মামা, মামিকে অনেক ভালোবাসত। তাই মামা আর বিয়ে করেনি। মামার বাসায় এসে দেখি মামা কি জানি লিখছে। আমি বায়না ধরলাম এই রচনায় মামার অভিষেকটা আমি দিব। বাংলাদেশের ধনী মানুষের মধ্যে অন্যতম আমার মামা। আর আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষও। আমি আমার মামার মত এমন মানুষ পৃথিবীতে দ্বিতিয়টি দেখিনি। মামা আমার প্রিয় তার প্রধান কারণ আমার বাবা মারা যাবার পর আমাদের সব কিছু উনিই দেখেছেন। আমি একটা জিনিস বুঝিনা ভাই বোনের একি রোগ কেন। আপনারা বুঝছেন, আমি কি বলতে চাচ্ছি। মামা আমাকে অনেক ভালোবাসে। আমি জানি কিছুদিন পর মামার পুরো সম্পদ আমার হবে। সেদিনই মামা আমাকে এমনই আচ দিল। কিন্তু জানিনা কি হবে। আমি কি পারব মামার মত এমন হতে। আমি কি পারব মামার মত এই সম্পদটাকে কাজে লাগাতে। মামার সম্পর্কে আর কি লিখব বুঝে পাচ্ছিনা। যা হোক মূল ঘটনায় চলে যাই। ঘটনাটি দুই বছর আগের। তখন আমি ছাত্র ছিলাম। এখন আমি একটা ভালোই চাকরি করছি।
আমার সাথে সবসময় মামার চুক্তি থাকত। আমি পরিক্ষায় ভালো করলে আমি যা চাব তাই মামা আমাকে দিবে। সে সময় এন৯৫ দিবার কথা ছিল। মামা আমার কাছে ষাট হাজার টাকা দিয়েছিল। প্রথমে পঞ্চাশ দিয়েছিল পরে আমি আরো দশ বেশি নিলাম। কারন মামার মত দানশীল হতে হবে তো তাই তখন থেকেই অভ্যাসটি করছিলাম। দশ হাজার টাকা আমি দান করে দেই। আমার আর একটা দায়িত্ব ছিল আমার বন্ধুরা কে কোথায় কেমন ছিল সেটা মামাকে জানাতে হবে। বন্ধুদের আর্থিক সমস্যা হলে মামা সাহায্য করত। তবে দেয়ার আগে অনেক যাচাই করত। যেন কোন ভুল কাজে তার টাকা না নষ্ট হয়। মামা আমার এক বন্ধুর অপেরশনের জন্য ত্রিশ লক্ষ টাকা দিয়েছে। তার ব্রেন ক্যান্সার ছিল। অস্ট্রলিয়ায় –পাঠাতে হয়েছিল। আর মামা এই কাজটা এমন কৌশলে করেছে যে আমার বন্ধু আসিফ বা তার পরিবার তো বুঝতেই পারিনি কে তাদের এত বড় উপকার করল। মামা জানাতে পছন্দ করে না। এ ধরনের আরো অনেক সমস্যা আমাকে মামার জানাতে হত। আপনারা আরও শুনে অবাক হবেন আমার মামার ঢাকা শহরে আজব কয়েকটা আন্ডারগ্রাউন্ড সংসস্থা আছে। যেখানে ঢাকা শহরের ফকির গুলো ধরে নিয়ে তাদের সামার্থ অনুযায়ী কাজ দেয়া হয়। যে যেমনই কাজ পারে তাকে তেমন কাজ দেয়। কারো পড়াশোনার ইচ্ছা থাকলে পড়ায়। যে কিছু পারে না তাদের এতিম খানায় বিশেষ সেবা করা হয়। ঢাকা শহরের অনেক এটিমখানার মালিক মামা। মামা নিজের নাম প্রচার করবেননা বলে তাদের মালিক অন্য কেওকে করে দেয়। মামা তার বিশ্বস্ত মানুষকে এতিম খানার মালিক বানায়।

এখন আসল কথা বলি। মামার রচনায় প্রথমে আমি কেন। সেইদিন মামাকে আরও একটা তথ্য দেই আমি। যেদিন এন৯৫ কিনি। তথ্যটা এমন ছিল আমার ক্লাসে পড়ত এক মেয়ে অনিলা মাদকাসক্ত …


পরের পর্ব Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৭
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×