
ক’দিন আগে উইন্ডোজ ১০ এর টেকনিক্যাল প্রিভিউ সংস্করণ উন্মুক্ত করে মাইক্রোসফট। এবার সকল ধোঁয়াশা দূর করে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এর ফাইনাল ভার্সন আসবে চলতি বছরের জুন মাসে। শুরুতে তা প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর হাতে তুলে দেয়া হবে। পরে আগস্টের দিকে তা ভোক্তাদের জন্য ছাড়া হবে।
টেক জায়ান্টটি জানিয়েছে, বড় ধরণের সব গবেষণা শেষ। কোনো ক্রুটি বা বাগ কিংবা নিরাপত্তা ক্রুটি আছে কি-না তাও যাচাই-বাছাই করে দেখা শেষ।
একদম নতুন রূপে উইন্ডোজকে আনার চেষ্টা হলেও পুরনো ব্যবহারকারীরা যাতে দ্বিধায় না পড়েন সেজন্য এতে থাকছে চিরচেনা স্টার্ট মেন্যু। এ ছাড়া মেট্রো মুড, ভার্চুয়াল ডেস্কটপ, টাচ স্ক্রিনের মতো চমৎকার সব ফিচার। এ কারণে উইন্ডোজ ৭ ও ৮ এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে এতে।
জানা গেছে, ওয়াননোট, ওয়ানড্রাইভ এবং ওয়ান মাইক্রোসফট ব্যবসার ধারণা থেকে আসলে এটির নাম উইন্ডোজ ওয়ান দেওয়ার কথা চলছিল। কিন্তু শেষমেশ এর নামকরণ করা হয় উইন্ডোজ ১০।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম গ্রুপের প্রধান টেরি মায়ারসন উইন্ডোজ ১০-কে সর্বকালের সেরা এন্টারপ্রাইস প্লাটফর্ম হিসাবে উল্লেখ করেন। অতীতের দিকে না তাকিয়ে, পেছনের সঙ্গে কিছুটা দূরত্ব তৈরি করতে উইন্ডোজ ৯ এর পরিবর্তে একেবারে উইন্ডোজ ১০ আনা হয়েছে বলে তিনি ব্যাখ্যা করেন।
অভ্যন্তরীণভাবে উইন্ডোজ ১০ তৈরির এ প্রকল্প থ্রেশোল্ড নামে পরিচিত ছিল উল্লেখ করে মায়ারসন বলেন, এটি মাইক্রোসফটের নতুন পদ্ধতি ও চিন্তাধারার প্রতিফলন। ডেস্কটপ থেকে মোবাইল ডিভাইস সব ধরনের কম্পিউটিংয়ের বিষয়কে একই ধারায় আনার চেষ্টা থেকে নতুন এ অপারেটিং সিস্টেম আনা হয়েছে।
এরও আগে মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এক্সবক্স থেকে পিসি, ফোন থেকে ট্যাব ও ছোট আকারের ডিভাইসগুলোতেও একই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা যাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






