সরকারের উচিৎ রোগী,ভিক্ষুক ও অসহায় শিক্ষার্থীদের পাশে দাড়ানো । মনে রাখতে হবে সরকারের জন্য জনগন নয় বরং জনগনের জন্যই সরকার । তাই অসহায় রোগী ভিক্ষুক ও দারিদ্র শিক্ষার্থীদের সরকার আর্থিক সাহায্য করতে পারে । বাংলাদেশে অনেক অসহায় দারিদ্র রোগী রয়েছেন যারা সামান্য কিছু টাকার জন্য সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে । কেউ কেউ আবার টাকার অভাবে বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে । তাই সরকার পারে এদের কিছু টাকা সুদমুক্তভাবে ধার দিতে । আবার নির্দিষ্ট সময়ে সরকারকে তার টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে । সরকারের তো টাকার অভাব নাই । সরকারের বিভিন্য প্রতিষ্ঠানে লক্ষ লক্ষ টাকা বছরের পর বছর পরে থাকে । তাই সরকার নতুন নিয়ম করে অসহায় ও দারিদ্রদের টাকা ধার দিতে পারে । অবশ্যই এর নির্দিষ্ট নিয়ম কানুন থাকবে । এরকম করলে অনেক রোগী তার সুস্থ জীবন ফিরে পাবে । আর এতে দেশেরই কল্যান হবে । বড় খারাপ ও দুঃখ লাগে যখন রাস্তায় দেখা যায় অসহায় ভিক্ষুকদের করুনা,কান্না ও আহাজারী । সরকারতো এদের পুনর্বাসনের ব্যাবস্থা করতে পারে । সরকারের তহবীল থেকে ভিক্ষুকদের অবশ্যই পুনর্বাসন করা সম্ভব । আমি ২০১৪ সালে হাইকোর্টে একটা অনুষ্ঠানে গেছালাম । তখন আমি হাইকোর্টে শত শত পঙ্গু ভিক্ষুদের দেখেছি । আমি দেখছি তাদের করুন আহাজারি । রাস্তা ঘাটে বের হলেই দেখা যায় ভিক্ষুক আর ভিক্ষুক । পিতা মাতার বয়সি এই ভিক্ষুকগন দুই একটা টাকার জন্য পা পর্যন্ত জড়িয়ে ধরে । তখন বড় খারাপ লাগে । তাই সরকারের উচিৎ এইসব ভিক্ষুদের পুনর্বাসন করে দেশকে ভিক্ষুকমুক্ত করা । মনে রাখতে হবে ভিক্ষুকদের পুনর্বাসন ছাড়া দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মান করা সম্ভব নয় । আমাদের দেশে অনেক অসহায় দারিদ্র শিক্ষার্থী রয়েছে যারা টাকার অভাবে লেখাপড়া ছেড়ে দিচ্ছে । অনেকে টাকার অভাবে ফরম ফিলআপ করতে পারতেছেনা । তাই সরকার যদি এই অসহায় শিক্ষার্থীদের টাকা দেয় তাহলে এরা তাদের লেখা পড়া চালিয়ে যেতে পারে । অবশ্যই সরকারকে টাকাগুলো আবার ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে । আমার এক বন্ধু এইচএসসি পাশ করে টাকার অভাবে লেখা পড়া ছেড়ে দিয়েছে । আর এটা আমাকে দারুনভাবে কষ্ট দিচ্ছে । যদি সরকার ওকে কিছু টাকা ধার দিত তাহলে আমার বন্ধুটা তার লেখাপড়া চালিয়ে যেতে পারতো । এ ধরনের নিয়ম করলে দেশেরই কল্যান হবে । দেশে শিক্ষার মান বেড়ে যেত । দেশ সত্যিকার ডিজিটাল দেশে পরিনত হত । দেশ থেকে নির্মুল হত ভিক্ষা ব্যবস্থা । ভিক্ষুকগন খুজে পেত এক নতুন জীবন । আর রোগীরা রোগমুক্ত হয়ে কাজে লেগে যেত । তারাও ফিরে পেত এক সুস্থ ও নতুন জীবন । আর অসহায় দারিদ্র শিক্ষার্থীগন তাদের শিক্ষা জীবন খুব ভালোভাবে কাটিয়ে নিতে পারতো । দেশ এক শিক্ষিত দেশে পরিনত হত । শিক্ষার্থীগন খুজে পেত তাদের আশার আলো । তাই সরকারের প্রতি অনুরোধ রইল যে সুস্থ জীবন,ভিক্ষুকমুক্ত ও শিক্ষিত জাতী গঠনে দয়া করে এ ধরনের ব্যবস্থা গ্রহন করুন । বাংলাদেশ হোক সুখি দেশ-সেই প্রত্যাশা করি ।
-মোঃ নিজাম গাজী বিএসএস(অনার্স) তরুন লেখক,কলাম লেখক,কবি,সাহিত্যিক,সাংবাদিক ও ব্লগার । মোবা: 01767789299.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






