somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এই সব ভণ্ড দের কি করা উচিৎ? সন্তান দেওয়ার ছলনা করে ধর্ষণ করছে ভণ্ডপীর

৩০ শে জুন, ২০১৩ দুপুর ১২:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সন্তান দেওয়ার কথা বলে অনেক অবলা নারীকে ধর্ষণ করতেও দ্বিধাবোধ করছে না কিছু অসাধু ভন্ড পীরেরা।

আবার রোগ ভাল হওয়া, বালা মছিবত দূর হওয়া, মনের মানুষকে কাছে পাওয়া, বন্ধা মেয়েদের সন্তান দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে প্রলোভন দেখিয়ে সরলপ্রাণ ও অন্ধভক্ত জনতার কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে মাজার
ব্যবসায়ীরা।X(

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, মাজার বানানোর জন্য এখন আর ওলি-আল্লাহ্ হওয়ার প্রয়োজন পড়েনা। বরং স্বপ্নযোগে আদিষ্ট হয়েই অনেকে আত্মীয়স্বজনের কবরের উপরে টাঙিয়ে দেন লালসালু। নির্মাণ করেন মাজার সাদৃশ্য উঁচু মিনার। চুল, দাড়িতে জট পাকিয়ে এবং এক রংয়ের লাল বা সাদা কাপড় পরিধান করে খাদেম সাহেব নিজেই বনে যান পীরানে পীর দস্তগীর। আর প্রতারনার মাধ্যমে অল্প সময়েই হয়ে যান বিশিষ্ট কোটিপতি।:)

প্রতিটি মাজারেই থাকে দান বাক্স। যার উপরে লেখা থাকে “নিজ হাতে ফেলুন”। পাশেই থাকে আগরবাতি, গোলাপজল, মোমবাতি ও তোবারক বিক্রয়ের দোকান। আবার দিন শেষে দর্শনার্থীদের দেওয়া আগরবাতি, গোলাপজল ও মোমবাতিগুলো মাজার থেকে তুলে এনে পুনরায় দোকানে সাজিয়ে রাখে ব্যবসায়ীরা। পাশাপাশি চলতে থাকে জমজমাট ঝাড়-ফুঁক ও তাবিজ ব্যবসা।

এমনি এক মাজারে আগত দর্শনার্থী খাদিজার সাথে আলাপকালে তিনি জানান, লোকমুখে বিভিন্ন সমস্যা দূর হয় শুনে দীর্ঘদিন যাবত এখানে আসছি। খাদেম সাহেবের চাহিদা মোতাবেক হাদিয়া-তোহফাও দিয়ে যাচ্ছি। কিন্তু সমস্যার সমাধান হলো না আজ পর্যন্ত।

এ সময় আধুনিক সাজে সজ্জিত একাধিক তরুন-তরুনী জানান, প্রেমে সাফল্য লাভের আশায় মাজারে এসেছি। খাদেম সাহেবকে হাদিয়া দিয়ে লাল ফিতা, তাবিজ ও দোয়া নিয়েছি। আশাকরি সফল হব।:D

ইসলামী বিধান মোতাবেক কবর জিয়ারত করা সওয়াবের কাজ হলেও কবরে সিজদা করা, টাকা দেওয়া, মান্নত করা, গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগী প্রভৃতি দান করাসহ কবর ওয়ালার কাছে কোন কিছু চাওয়া সম্পূর্ণ হারাম ও নিষিদ্ধ। কিন্তু এরপরও এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এক শ্রেণীর অসাধুচক্র দেশজুড়ে চালিয়ে যাচ্ছে রমরমা মাজার ব্যবসা।B-)

বিনা পুঁজিতে ব্যবসাটি অধিক লাভজনক হওয়ায় দেশের আনাচে কানাচে আজ ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য মাজার।
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তারেক রহমানের প্রথম সফর কেন ভারতেই হওয়া উচিত ছিল?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৯


দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী বিমানবন্দরে আড়াই ঘণ্টা বসিয়ে রাখার পর প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান কলম্বোর পথ ধরে দেশে ফিরে আসেন । তিনি ভারতে ঢোকার অনুমতি পেয়েছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৪শের শহীদ নাকি প্রতারক ⁉️

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৪৭



'বায়বীয় গুলিতে আহত হয়ে নিহত' এক শহীদের উপাখ্যান।

ইনুস বাটপারের ভূয়া শহীদের বিতর্কিত 'জুলাই শহীদ গেজেট' যে অসংখ্য মিথ্যা, প্রতারনা, জালিয়াতিতে ভর্তি একটা বড় রকমের মিথ্যাচার, বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ প্রত্যাবর্তন

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪


চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো  মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ  বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষো-ল-ব-ছ-রঃ আর কি বর্ষপূর্তি পোস্ট লেখা হবে?

লিখেছেন আমি তুমি আমরা, ১৮ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:০৬



অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।

দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।

ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন পর্ব -১

লিখেছেন মায়াস্পর্শ, ১৮ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫২



(শালবন ভ্রমণ)
২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×