somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যদি তোমার ভেতরে কোনো ক্ষত তৈরি করে থাকি, তবে সেটা শুধু তোমার নয়, আমারও...

১৩ ই ডিসেম্বর, ২০২১ সকাল ১১:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



'জীবনে আমরা যা করি, সেটাই কি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? নাকি যা আমরা করতে পারি না, সেটার ভারই সবচেয়ে বেশি?' বহুদিন ধরে ভাবনাটা মসজিদের মিনারের মতো অটল অহংকার নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে... সত্যি কথা বলতে কী, আজকাল চিন্তা বাদ দিয়ে আর সবকিছু করতে রাজি আছি আমি।

'কাজ না থাকলে লোহায় মরিচা পড়ে, কাঠ ফেঁটে যায় আর মানুষ ভুল করতে শুরু করে'। ভুলগুলোকে যতই ভুলে যেতে চাই না কেন, ভেতরে কোথাও না কোথাও সেগুলো হালকা বাতাসের মতো করে রয়েই যায়। নিজের ভাঙা অংশগুলো জোড়া দেয়ার জন্য খুঁজতে গিয়ে যে অংশটুকু পেলাম না আর; সেটুকু সম্ভবত রয়ে গেছে তোমার কাছে। 'কেননা আমরা যখন কারো মধ্যে ক্ষত তৈরি করি, সেই ক্ষততেই আমরা থেকে যাই তার কাছে। সামান্য আর অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে'। পৃথিবীর এই নির্মম নিয়মটা আমি বানায়নি, প্রথম থেকেই এরকম ছিল।

জীবন আসলে সেইসব সিদ্ধান্তের সমষ্টি যেগুলো মানুষ নিজে নেয়নি। সেই রাস্তার শেষ প্রান্ত যে রাস্তা সে আপন ইচ্ছেতে বেছে নেয়নি। খেয়াল করে দেখলাম আশপাশের সবকিছু কোনো কারণ ছাড়াই আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে। আমার আর জীবনের মধ্যে কষ্টের একটা ঠান্ডা পর্দা তৈরি হয়ে গেছে। অবশ্য আমি যেরকম তাতে আমি অভ্যস্ত।

তোমাকে নিজের মধ্যে কোথাও লুকিয়ে ফেলতে চেয়েছিলাম। তুমি আমার কাছে ছোটবেলার কোন আকাংক্ষার মত, যা কখনো ফুরায় না। অথবা কল্পনার সেই গোপন দুনিয়া, বাস্তবতা নিঃশেষিত হলে যার শুরু। মাঝে মাঝে ভাবি, কখনো- কোথাও দেখা হলে তুমি কি আমার ভালোবাসাটুকু দেখতে পাবে? কিংবা বিগত বছরগুলো ধরে আমার কষ্টটুকু? চাকা শুধু ঘুরতে পারে, দু'পাশের কোন দিকে গড়াতে পারে না। আমার বর্তমানটা ঠিক তেমন। আমরা বোধহয় পৃথিবীতে ভুল ধরতে আসিনি, এসেছি এর সাথে অভ্যস্ত হতে। তবু কেন নিজের জন্য সবকিছু জটিল করে তুলি আমি?
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০২২ বিকাল ৪:৫৬
১৩টি মন্তব্য ১৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাসাগরের ধারের সেই ছোট্ট দ্বীপ সামোয়া এবং বিশ্বকাপ ফুটবল

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

×