
ইভ হলো বাইবেলের আদিমাতা বা কোরানের হাওয়া আর টিজিং মানে উত্ত্যক্ত করা। এটি এক ধরনের যৌন আগ্রাসন যার মধ্যে রয়েছে যৌন ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য, প্রকাশ্যে অযাচিত স্পর্শ, শিস দেওয়া বা শরীরের সংবেদনশীল অংশে হস্তক্ষেপ। কখনো কখনো একে নিছক রসিকতা গণ্য করা হয় যা অপরাধীকে দায় এড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মূলত "ইভ" শব্দের কারনে নারীর যৌন আবেদনকে বুঝায় তাই এর দোষ তার উপরেই বর্তায় এমনটা অনেকে মনে করে আর ছেলেদের ব্যাপারটা নিছক রসিকতা ভাবা হয়!
এখন কথা হচ্ছে ধরেন আপনি যে রাস্তা দিয়ে রোজ চলাচল করেন সে রাস্তায় দেখলেন একটা কাঁটা পড়ে আছে এখন আপনি কি এই কাঁটাটি রাস্তা থেকে সরিয়ে দিবেন নাকি কাঁটা যেন পায়ে না বিধে তাই ঐ রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় জুতা পড়ে নিবেন? এখানে সমাধান কোনটা ভালো ভাবতে থাকুন!
যাইহোক এরচেয়ে ভয়ংকর কথা হচ্ছে এই ইভটিজিংকে অনেক তরুনেরা সৃজনশীল কাজ মনে করে, ইভটিজিং শব্দটি শুনলে তারা খুব একটা খারাপ অনুভব করেনা বরং মনে করে একটি মেয়েকে দুই চারটা কথা বা অঙ্গভঙ্গি করে মজা করা এর বাহিরে কিছু না! একসময় কোনো এলাকার বখে যাওয়া কিছু তরুনেরা এসব করলেও এখন অনেক মধ্যে বয়সীদেরও দেখা যায় ইভটেজিং করতে!
গত দুই বছরে বাংলাদেশে ৬৩টি মেয়ে আত্মহত্যা করে ইভটিজিং সহ্য করতে না পেরে! তবে এই হিসেব সরকারী হিসেব!
এই পরিসংখ্যানও জাতি হিসাবে আমাদের বড় লজ্জার, তবে এমন লজ্জিত আমরা হতেই থাকবো যদি এই ইভটিজিং এর শাস্তি হিসেবে কঠিন আইন করতে না পারি! শুধু কান ধরে উঠবস,মাথা ন্যাড়া, জুতাপেটা করে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না!
সময় এসেছে ইভটিজিং এর জায়গায় আরো ভয়ংকর শব্দ প্রতিস্থাপন করার আর এটাকে জামিন অযোগ্য অপরাধ হিসেবে আইন করা।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৭ বিকাল ৩:১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


