
বাংলা সাহিত্যের চিরস্মরণীয় ও অমর প্রতিভা, কালজয়ী বাঙালি ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ। তিনি ছিলেন নিম্মবিত্ত শ্রেণীর মানুষ। দারিদ্য আর নিরন্ন জীবনের সঙ্গে জন্ম থেকেই ছিল তার গভীর থেকে গভীরতম সম্পর্ক। সন্তানিকা, কান্না, বন্দী বিহঙ্গ ও স্পর্শদোষ চারটি গল্প লিখেছিলেন অদ্বৈত মল্লবর্মণ। মাত্র চারটি গল্পের ভেতর দিয়ে তিনি তার নিজের জাত চিনিয়ে দিয়ে গেছেন। চারটি গল্পই নিম্নবিত্ত মানুষের গল্প। ছাত্রজীবনে কবিতা লিখতেন বেশি। পরবর্তী সময় খ্যাতি-প্রতিপত্তি লাভ করেন ঔপন্যাসিক হিসেবে। তাঁকে বলা হয় কালজয়ী ঔপন্যাসিক। তিতাস একটি নদীর নাম শিরোনামের একটিমাত্র উপন্যাস লিখে তিনি বাংলা সাহিত্যের চিরস্মরণীয় ও অমর প্রতিভা হিসেবে সবিশেষ স্বীকৃতি লাভ করেন। প্রতিকূল সংঘাতে ক্রমশ মুছে-আসা মৎস্যজীবী যে মানুষদের কাহিনী এই উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে তিনি সেই ‘মালো’ সম্প্রদায়েরই লোক ছিলেন। উপন্যাসটিতে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও সুগভীর অন্তঃদৃষ্টিতে ধীবর সমাজের নিষ্ঠুর জীবনসংগ্রামের সাধারণ কাহিনীকে দিয়েছেন অবিনশ্বর ও অসাধারণ ব্যঞ্জনা। তাই উপন্যাসটি তার অমর কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। কলকাতায় বিভিন্ন সময়ে তিনি নবশক্তি, দেশ, বিশ্বভারতী, মাসিক মোহাম্মদী, নবযুগ, আজাদ, ইত্যাদি অনেক পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৫১ সালের আজকের দিনে মৃত্যুবরণ করেন এই কৃতী ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ। মহান সাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মণের আজ ৬৫তম মৃত্যুবার্ষিকী। গল্পের অসামান্য কারিগর অদ্বৈত মল্লবর্মণের মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি। ঔপন্যাসিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ সম্পর্কে আরো জানতে ক্লিক করতে পারেন এখানে।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


