somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ত্রয়োদশ মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ১:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলাদেশের বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ শাহ এ এম এস কিবরিয়া। সমাজ,রাজনীতি, অর্থনীতি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিত বাংলাদেশের এক মেধাবী সন্তান শাহ এ এম এস কিবরিয়া। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের নবগঠিত পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মহাপরিচালক ও পরে সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এ ছাড়া তিনি জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ’৫২-র ভাষা আন্দোলন এবং ‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধেও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতিমান নিপাট এই ভালোমানুষকে চির প্রস্থান নিতে হলো নির্মম গ্রেনেড হামলায়। ২০০৫ সালের আজকের দিনে নিজ জেলা হবিগঞ্জের বৈদ্যেরবাজারে এক রাজনৈতিক জনসভা শেষে গাড়িতে ওঠার সময় দুর্বৃত্তদের বোমা হামলায় বাংলাদেশের ক্ষণজন্মা মানুষ শাহ এ এম এস কিবরিয়া মৃত্যুবরণ করেন। গ্রেনেড হামলায় শাহ এএমএস কিবরিয়ার সাথে তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুরুল হুদা ছাড়াও নিহত হয়েছিলেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী আবুল হোসেন, সিদ্দিক আলী ও আব্দুর রহিম। হামলায় আহত হন ৭০ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়ার ত্রয়োদশ মৃত্যুবার্ষিকী আজ। খ্যাতিমান নিপাট এই ভালোমানুষ শাহ এ এম এস কিবরিয়ার মৃত্যু দিনে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।


শাহ এ এম এস কিবরিয়া, পুরো নাম শাহ আবু মোহাম্মদ শামসুল কিবরিয়া ১৯৩১ সালের ১লা মে, বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শাহ ইমতিয়াজ আলী ছিলেন বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারের অগ্রদূত। কিবরিয়া শৈশবেই তীক্ষ্ণ ধী-শক্তির অধিকারী ও মেধাবী ছাত্র হিসেবে সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী লাভ করেন। ঐ বৎসরেই বাংলা ভাষা আন্দোলনে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান পুলিশ কর্তৃক তিনি গ্রেফতার হন এবং অল্পকিছুদিন পরেই মুক্তি পান। ১৯৫৩ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনের পর পাকিস্তান সরকারের সেন্ট্রাল সুপিরিয়র সার্ভিস পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়ে পাকিস্তানে বৈদেশিক বিভাগে যোগদান করেন। কিবরিয়া আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে ফ্লেচার স্কুল অব ল এবং যুক্তরাজ্যের লণ্ডনে ব্রিটিশ ফরিন অফিসে কূটনৈতিক সেবায় আরো দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালে তৎকালীন পাকিস্তানের বৈদেশিক বিভাগে যোগদান করে কিবরিয়া পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হয়েছিলেন। শাহ এ এম এস কিবরিয়া পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনের সদস্য হিসেবে কলকাতা, কায়রো, জাতিসংঘ মিশন, নিউইয়র্ক, তেহরান এবং জাকার্তায় নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ইসলামাবাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এবং ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে পাকিস্তান দূতাবাসে নিযুক্ত ছিলেন। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামে শাহ কিবরিয়া ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে অবস্থিত পাকিস্তান দূতাবাসে রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে চাকুরীরত ছিলেন। পাক দূতাবাসে কর্মরত অবস্থায় ৪ আগস্ট, ১৯৭১ তারিখে তিনি ও তার বাঙ্গালী সহকর্মীবৃন্দ দূতাবাস ত্যাগ করে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রতি আনুগত্য দেখান। পরে তিনি ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ মিশন তদারকী করাসহ বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে প্রভূত সহায়তা করেন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাফল্য ও অগ্রগতি নিয়ে নিয়মিতভাবে বুলেটিন, পুস্তিকা প্রকাশনার কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করে স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্যাপক অবদান রাখেন।


স্বাধীনতা যুদ্ধের পর শাহ এ এম এস কিবরিয়া ঢাকায় নবপ্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন রাজনৈতিক বিষয়ক বিভাগের মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেন। এছাড়াও, তিনি সচিব হিসেবে প্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং ফিজিতে হাইকমিশনার হিসেবে নিযুক্ত করে। ১৯৭৬ সালে তিনি জেনেভায় জাতিসংঘের ইউরোপীয় কার্যালয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৭৮ সালে বৈদেশিক সচিব হিসেবে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। ১৯৭৯ সালে ৭৭-জাতি গ্রুপের প্রস্তুতি কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ম্যানিলায় আংকটাডের সভায় নির্বাচিত হন তিনি। মে ১৯৮১ থেকে মার্চ ১৯৯২ পর্যন্ত সময়কালে কিবরিয়া এসকাপের নির্বাহী সচিবের পদে অধিষ্ঠিত হন। এছাড়াও, ১৯৮৬ সালে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতিনিধি হিসেবে কম্বোডিয়ায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে জড়িত ছিলেন। এছাড়াও ১৯৮৮ সালে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি। জাতিসংঘের কার্যাবলী সম্পন্ন করে কিবরিয়া ১৯৯২ সালে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশের সেবা করার লক্ষ্যে রাজনীতিতে আগ্রহী হয়ে ঐ বছরের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে এডভাইজরী কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে যোগদান করেন। একই সময়ে কিবরিয়া জাতীয় দৈনিকগুলোতে অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক ইস্যু সম্পর্কীয় নিবন্ধ লেখতে শুরু করেন। শাহ কিবরিয়া নিয়মিতভাবে জাতীয় দৈনিকগুলোতে অর্থনীতি এবং রাজনীতি বিষয়ক নিবন্ধ রচনা করে গেছেন। এছাড়াও তিনি সাপ্তাহিক মৃদু ভাষণ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা এবং সম্পাদক ছিলেন। শাহ এ এম এস কিবরিয়া ৪টি বই রচনা করছেন। যথাঃ


১। মৃদু ভাষণ, ১৯৯৭,
২। দি ইমার্জিং নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার, ইংরেজি, ১৯৯৯,
৩। বাংলাদেশ এট দ্য ক্রসরোডস্‌, ইংরেজি, ১৯৯৯,
৪। চিত্ত যেথা ভয়শূণ্য
১৯৯৪ সালে তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতির "রাজনৈতিক উপদেষ্টা" পদে নিযুক্ত হন শাহ এ এম এস কিবরিয়া । ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তারিখে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের পর তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মন্ত্রী পরিষদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে যোগদান করেন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে কিবরিয়া ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। ২০০১ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত ঐ সরকারের মেয়াদকালীন সময়ে একই পদে অধিষ্ঠিত হয়ে দেশ সেবার মানসে নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে গেছেন। এছাড়াও ১৯৯৭ সালের বার্ষিক সভায় কিবরিয়া এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (এসকাপ) চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০১ সালের ১ অক্টোবরে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হবিগঞ্জ-৩ নির্বাচনী এলাকা থেকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে মেম্বার অব পার্লামেন্ট (এমপি) বা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।


ব্যক্তিগত জীবনে মৃদুভাষী ব্যক্তিসত্তার অধিকারী, পরিশীলিত ও মার্জিত ভদ্রলোক হিসেবে সামাজিকভাবে ভীষণ জনপ্রিয় ছিলেন শাহ এ এম এস কিবরিয়া। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার সততা, বিনয়, শিষ্টতা ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গীতে সম্মানিত রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। কিবরিয়া'র পুত্র ড. রেজা কিবরিয়া একজন স্বনামখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং কন্যা ড. নাজলী কিবরিয়া বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। তার সহধর্মিনী আসমা কিবরিয়া ব্যক্তিগত জীবনে একজন চিত্রকর। ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি তারিখ বিকেলে শাহ এ এম এস কিবরিয়া হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক রাজনৈতিক জনসভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বক্তৃতা শেষ করে স্কুল গেট দিয়ে বের হয়ে আসার সময় তাকে লক্ষ করে দ্রুত দুটি আর্জেস গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়। তিনি ও তার ভাইপোসহ তিন সহযোগী ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। কিবরিয়াকে প্রথমে হবিগঞ্জ এবং মাধবপুরে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু ডাক্তারের অনুপস্থিতি এবং চিকিৎসা সামগ্রীর অপ্রতুলতার জন্য তার কোনো চিকিৎসা করা যায়নি। পরবর্তীকালে তাকে ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৬৫ মাইল দূরবর্তী ঢাকার বারডেম হাসপাতালে নেয়া হয়। এ্যাম্বুলেন্স সহযোগে বারডেম হাসপাতালে শাহ কিবরিয়াকে নেয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শাহ কিবরিয়ার হত্যাকাণ্ডে হবিগঞ্জের নিরাপত্তা বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তাসহ চিকিৎসকদের ভূমিকার ব্যাপক সমালোচনা হয়। কিবরিয়ার দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সরকার-বিরোধী আন্দোলন ও দেশব্যাপী হরতালের ডাক দেয়। বায়ান্নয় শহীদদের রক্ত প্রতিষ্ঠা করেছিল মাতৃভাষার মর্যাদা। মতিউর-আসাদের রক্ত স্বাধিকার আন্দোলনকে করেছিল বেগবান। বঙ্গবন্ধু-হত্যা, জেলহত্যার মাধ্যমে স্বাধীনতার ধারাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা হচ্ছিল। নূর হোসেন-ডা. মিলনের মৃত্যু গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি করেছিল। ২০০৫-এর সূচনায় ক্ষণজন্মা রাজনীতিবদি শাহ এ এম এস কিবরিয়ার আত্মদান জাতিকে স্বাধীনতার মূলধারায় অর্থাৎ অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে পুনঃস্থাপনে শক্তি যোগাবে- এ বিশ্বাসই এখন আমাদের পথ দেখাচ্ছে।


এই হামলায় শাহ কিবরিয়াসহ নিহত ৫জনের হত্যাকাণ্ডের ১২বছর পার হয়ে গেলেও এখনো শেষ হয়্নি এর বিচার কাজ। ২০০৫ থেকে ২০১৭, বারো বছর সময়েও কিবরিয়া হত্যার বিচার হলো না, এর চেয়ে দুঃখের বিষয় আর কি হতে পারে? তদন্তের পর তদন্ত চলছে, কিন্তু বিচারের বাণী কাঁদছে নীরবে-নিভৃতে। এক যুগে যে মামলা তদন্তের গন্ডি পেরুতে পারেনি এখন সরকারের উচিত এ মামলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রকৃত রহস্য উন্মোচন করা। বর্তমানে এই হত্যা মামলাটি সিলেটের দ্রুত বিচার আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এ মামলায় ইতোমধ্যে ১৭১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৪৩ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন নিজের শরীরের রক্তবিন্দু দিয়ে। তিনি ৭১ রাজাকারদের বিচার করছেন এবং কিবরিয়া হত্যার বিচারও তিনি করবেন। সেই মধুক্ষণের দিন আর বেশি নেই। দ্রুতই দেশবাসী কিবরিয়া হত্যার বিচার দেখতে পারবে। কূটনীতিবিদ শাহ এ এম এস কিবরিয়ার আদর্শ আমাদের নিরন্তর প্রেরণার উৎস হয়ে থাকুক আর অনতি বিলম্বে সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হবে এটা আমাদের প্রত্যাশা। আজ শনিবার সেই কলঙ্কময় ২৭ জানুয়ারি। দেশপ্রেমিক জনপ্রিয় এই নেতার ত্রয়োদশ মৃত্যুবার্ষিকী। বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ এবং রাজনীতিবিদ শাহ এ এম এস কিবরিয়ার মৃত্যু দিনে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।

সম্পাদনাঃ নূর মোহাম্মদ নূরু
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৮ দুপুর ২:০৪
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিলের কোনো রসিদ নেই

লিখেছেন রাজসোহান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৪



ঢাকার পাইপলাইন গ্রাহকদের একটা বড় অংশ এই জুলাইয়ে জানিয়েছেন, দিনে এক থেকে দুই ঘণ্টার বেশি গ্যাস তাঁরা পান না। সেই এক-দুই ঘণ্টাও আসে গভীর রাতে কিংবা ভোরের আগে। ফলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৩২


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট : পর্ব- ১

ভুমিকা
১.১ গবেষণার পটভূমি
একবিংশ শতাব্দীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্রদলকে সামলাতে না পারলে ক্যাম্পাসগুলো সহিংসতায় পূর্ণ হবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮


রাতে রংপুর, সকালে জগন্নাথ। আজকে জগন্নাথে ছাত্রদলের হামলার শিকার একযোগে সব বিরোধী দল। এসব কি ছাত্রদলের কাজ? নাকি ছাত্রদলের ভেতর ছাত্রলীগ প্রবেশ করেছে? জকসু জিএসের জীবন আশংকাজনক। দেশে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্যাস নিয়ে গ্যাসলাইটিং: কোনটা আসল সংকট, কোনটা কৃত্রিম?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:২১


বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা কী, এই প্রশ্ন করলে সবাই একবাক্যে বলবেন গ্যাস সংকটের কথা। বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে গেছে, ফলে লোডশেডিং বেড়েছে বহুগুণ। কলকারখানা হোক বা বাসাবাড়ি, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×