somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশের কন্যা ভারতবর্ষের বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী সুচিত্রা সেন। সুচিত্রা সেন ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম বিখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। যিনি মহানায়িকা হিসেবেও পরিচিত। বিশেষ করে উত্তম কুমারের সাথে অভিনয়ের কারনে তিনি সারা বাংলায় প্রচন্ড জনপ্রিয় হন। মহানায়কখ্যাত অভিনেতা উত্তম কুমারের সঙ্গে জুটি বেঁধে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয়তম জুটি হিসেবে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন উত্তম-সুচিত্রা। উত্তম-সুচিত্রা জুটি আজও বাংলা চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ জুটি হিসেবে পরিগনিত। তিনি মূলত বাংলা ও হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমারের বিপরীতে নায়িকার ভূমিকায় অভিনয় করে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। ১৯৬৩ সালে সাত পাকে বাঁধা চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য মস্কো চলচ্চিত্র উৎসবে সুচিত্রা সেন "সিলভার প্রাইজ ফর বেস্ট অ্যাকট্রেস" জয় করেন। তিনিই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোনো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়েছিলেন। ১৯৭২ সালে ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মান প্রদান করে।১৯৭৮ সালে সুদীর্ঘ ২৫ বছর অভিনয়ের পর তিনি চলচ্চিত্র থেকে অবসরগ্রহণ করেন। এর পর তিনি লোকচক্ষু থেকে আত্মগোপন করেন এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সেবায় ব্রতী হন। ২০০৫ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারের জন্য সুচিত্রা সেন মনোনীত হন, কিন্তু সুচিত্রা সেন জনসমক্ষে আসতে চান না বলে এই পুরস্কার গ্রহণ করেননি। ২০১২ সালে তাকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গবিভূষণ প্রদান করা হয়। ২০১৪ সালের আজকের দিনে ভারতীয় সময় সকাল ৮টা ২৫ মিনিট নাগাদ কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৮২ বছর বয়সে সুচিত্রা সেনের মৃত্যু হয়। কিংবদন্তি নায়িকা সুচিত্রা সেন বাঙ্গালী এবং তার জন্ম বাংলাদেশে এ জন্য আমরা গর্ববোধ করি। আজ তার ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী। কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মহানায়িকা সুচিত্রা সেনের মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি


১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল সালে বাংলাদেশের পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার হেমসাগর লেনে সুচিত্রা সেন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন এক স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মা ইন্দিরা দেবী ছিলেন গৃহবধূ। তিনি ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী। সুচিত্রা সেনের প্রকৃত নাম রমা দাশগুপ্ত। বাংলা চলচ্চিত্রে অভিনয়ে আসার পর তাঁর নাম হয়েছিল সুচিত্রা সেন। সুচিত্রা ছিলেন পরিবারের পঞ্চম সন্তান ও তৃতীয় কন্যা। গায়ের রঙ একটু চাপা বলে প্রথমে মেয়ের নাম রাখা হলো কৃষ্ণা, কিন্তু কে জানতো একদিন এই নামকে ছাড়িয়ে সে আরো নামের পর্দা চড়িয়ে সে নিজের সীমানাটুকুও অতিক্রম করবে? এরই মধ্যে পাটনা থেকে বদলি হয়ে বাংলাদেশের পাবনায় চলে এসেছেন করুণাময় দাশগুপ্ত এবং পাবনাতেই কাটে সুচিত্রার শৈশব-কৈশোর। পাবনাতেই তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষাদীক্ষা শুরু হয়। পাবনা মহাখালি পাঠশালায় শুরু এবং পরবর্তী তে পাবনা গার্লস স্কুল এ ক্লাস টেন পর্যন্ত পড়াশোনা করেন । এর পর তার আর পড়াশোনা হয়েছে বলে জানা যায়নি। পাবনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীতে পড়া কালীন সময়ে ১৯৪৬ সালের ১৫ আগষ্ট পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতার কারনে স্বপরিবারে ওপার বাংলায় পাড়ি দেয়। সুচিত্রা সেন ৫০ থেকে ৭০ এর দশকে বাংলা ছবির কিংবদন্তী অভিনেতা উত্তম কুমারের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে একের পর এক সুপার হিট ছবি উপহার দিয়েছেন । চলচ্চিত্রে উত্তম কুমার যদি হন মহা নায়ক তা হলে সুচিত্রা সেন মহা নায়িকা। মহা নায়িকা সুচিত্রা সেনই প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী যিনি কোন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার পান (শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার - সাত পাকে বাঁধা ১৯৬৩ ছবির জন্য, মস্কো চলচ্চিত্র উৎসব)। তিনি কয়েকটি হিন্দী ছবিতেও অভিনয় করেছেন।


১৯৫২ সাল,ভাগ্য দেবী বড় বেশি ভর করেছিল জেন সুচিত্রা সেন এর উপর। “শেষ কোথায়” নামের একটি চলচ্চিত্র দিয়ে শুরু হোল স্বপ্নের রাণীর ক্যারিয়ার। কিন্তু বিধি বাম! শুরুতেই কঠিন ধাক্কা খেলেন।ছবিটি রিলিজ হলনা। কিন্তু তাতে কি? স্বয়ং বিধাতা যাকে স্বপ্ন রানী বানিয়ে রেখেছেন সে কি পেছনে যেতে পারে? তাতে যতই বাধা আসুক। এ বছরই তিনি মহানায়ক উত্তম কুমারের সঙ্গে ‘সাড়ে চুয়াত্তর’ ছবিতে অভিনয় করেন। আর তাতে ই শুরু হোল ইতিহাস। বাংলা চলচ্চিত্রের নুতন জুগের সুচনা শুরু হোল। বক্স অফিস কাঁপিয়ে দিল “ সাড়ে চুয়াত্তর” শুরু হয় উত্তম সুচিত্রার হিরন্ময় অধ্যায়। এর পর আর পেছনে তাকাতে হইনি রমা নামের মেয়েটিকে। বাংলা ছবির এই অবিসংবাদিত জুটি পরবর্তী ২০ বছরে ছিলেন আইকন স্বরূপ।
উত্তম কুমারের সাথে তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের তালিকাঃ
১। সাড়ে চুয়াত্তর (১৯৫৩), ২। ওরা থাকে ওধারে (১৯৫৪), ৩। অগ্নিপরীক্ষা (১৯৫৪),
৪। শাপমোচন (১৯৫৫), ৫। সবার উপরে (১৯৫৫), ৬। সাগরিকা (১৯৫৬), ৭। পথে হল দেরি (১৯৫৭), ৮। হারানো সুর (১৯৫৭), ৯। দীপ জ্বেলে যাই (১৯৫৯), ১০। সপ্তপদী (১৯৬১), ১১। বিপাশা (১৯৬২), ১২। চাওয়া-পাওয়া, ১৩। সাত-পাকে বাঁধা (১৯৬৩), (এই ছবিতে তিনি মস্কো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন), ১৪। হসপিটাল.১৫। শিল্পী (১৯৬৫), ১৬। ইন্দ্রাণী (১৯৫৮), ১৭। রাজলক্ষী ও শ্রীকান্ত (১৯৫৮), ১৮। সূর্য তোরণ (১৯৫৮), ১৯। উত্তর ফাল্গুনি (১৯৬৩) (হিন্দিতে পুনঃনির্মিত হয়েছে মমতা নামে), ২০। গৃহদাহ (১৯৬৭), ২১। ফরিয়াদ, ২২। দেবী চৌধুরানী (১৯৭৪), ২৩। দত্তা (১৯৭৬), ২৪। প্রণয় পাশা, ২৫। প্রিয় বান্ধবী


ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৪৭ সালে দিবানাথ সেনের সঙ্গে সাতপাঁকে বাধা পড়েন সুচিত্রা। কথিত আছে উত্তম-সুচিত্রা এত বেশি একসাথে অভিনয় করেছিলেন তারা একসময় দুজনের প্রতি দুজনে দুর্বল হয়ে পড়েন। তবে সেটা পরিণয় এর দিকে পা বাড়ায়নি। উত্তম যখন মারা যান তখন উত্তম এর স্ত্রী নাকি সুচিত্রা সেনকে বলেছিলেন, “ সারা জীবন তো তুমি উত্তম এর গলায় মালা পড়ালে, আজ সৎকার এর পূর্বে তুমিই প্রথম ওর গলায় মালা পরাও”। সুচিত্রার মোট ৬৩ টি ছবির মধ্যে ৩২ টির নায়ক ছিল উত্তম কুমার। সুচিত্রা সেনের একমাত্র কন্যা মুনমুন সেনও পরবর্তীতে অভিনয়ে সুখ্যাতি পান। মুনমুন সেনের দুই কন্যা রিয়া এবং রাইমা সেনও অভিনয়ের সাথে যুক্ত আছেন।


(রিয়া সেন ও রইমা সেন)
১৯৫৫ সালের দেবদাস ছবির জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেন, যা ছিল তার প্রথম হিন্দি ছবি। উত্তম কুমারের সাথে বাংলা ছবিতে রোমান্টিকতা সৃষ্টি করার জন্য তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বিখ্যাত অভিনেত্রী। ১৯৬০ ও ১৯৭০ দশকে তার অভিনীত ছবি মুক্তি পেয়েছে। স্বামী মারা যাওয়ার পরও তিনি অভিনয় চালিয়ে গেছেন, যেমন হিন্দি ছবি আন্ধি। এই চলচ্চিত্রে তিনি একজন নেত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। বলা হয় যে চরিত্রটির প্রেরণা এসেছে ইন্দিরা গান্ধী থেকে। এই ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছিলেন এবং তার স্বামী চরিত্রে অভিনয় করা সঞ্জীব কুমার শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার জিতেছিলেন।


২০০৫ সালে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারের জন্য সুচিত্রা সেন মনোনীত হন, কিন্তু ভারতের প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে সশরীরে পুরস্কার নিতে দিল্লী যাওয়ায় আপত্তি জানানোর কারনে তাকে পুরস্কার দেয়া হয় নি। দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার নিতে অস্বীকার করলেও বাংলার কিংবদন্তী অভিনেত্রী সুচিত্রা সেন রাজ্য সরকারের দেয়া বঙ্গবিভূষণ সম্মান নিতে অস্বীকার করেননি। অন্তরাল ভেঙে মঞ্চে আসেননি ঠিকই, তবে তার হয়ে মঞ্চে হাজির ছিলেন কন্যা মুনমুন ও নাতনি রাইমা। তারাই সুচিত্রা সেনের হয়ে বঙ্গবিভূষনের মানপত্র ও দুই লাখ রুপির চেক গ্রহণ করেন। বর্তমানে তার মেয়ে মুনমুন সেন এবং নাতনী রিয়া সেন ও রাইমা সেন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ১৯৫৩ সাল থেকে টানা ২৫ বছর তিনি বহু সফল ছবিতে অভিনয় করার পর ১৯৭৮ সালে তিনি চলচ্চিত্র থেকে অবসরগ্রহণ করেন। এর পর তিনি লোকচক্ষু থেকে আত্মগোপন করেন এবং রামকৃষ্ণ মিশনের সেবায় ব্রতী হন এবং আজ পর্যন্ত তাঁকে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক, মেয়ে মুনমুন, মেয়ে জামাই,আর দুই নাতনি রাইমা, ও রিয়া ছাড়া কেউ তাঁকে আর দেখেনি। তার স্বেচ্ছা নির্বাসনে থাকার কী কারণ? কী রহস্য?- এসব প্রশ্নের উত্তর বহুবার খোঁজার চেষ্টা করেছে প্রচারমাধ্যম। একেক জন এক-এক ভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন। কিন্তু প্রকৃত কারণ জানা যায়নি। কারো কারো মতে সুচিত্রা সেন ষাট ও সত্তর দশক পর্যন্ত তার অভিনীত প্রায় প্রতিটি চলচ্চিত্র জনপ্রিয়তার শীর্ষ ধারা অব্যাহত রাখে। তবে ৭৬ এর শুরু থেকে ৭৭ এর শেষ অবধি তিনি কিছুটা জনপ্রিয়তা হারান। এবং সেখান থেকে তিনি আস্তে আস্তে করে বিদায় নেন। যদিও ব্যর্থতার গ্লানি খুব বেশি তাঁকে স্পর্শ করেনি। তার মায়াবি লক্ষী টেরা চোখ, মায়া ভরা মুখ, লজ্জাবতী হাসি, সময় এর আবর্তে আজ হয়তো হারিয়ে গেছে। বয়স হয়েছে তার অনেক। কিন্তু দর্শক তাঁকে যেই ভাবে চিনতো ঠিক সেই ভাবেই মনের মনি কোঠায় লালন করুক এই চিন্তা থেকে তিনি বোধ হয় কারো সামনে আর আসেন না। কারন কারো সামনে আসলে তাঁকে হয়তো দেখতে হবে নানি কিংবা দাদি হিসাবে, এটা কি সম্ভব? এটা মহারানী কি করে মানবেন? তাই তিনি হয়তো এটাই ভেবেছেন দর্শক এর মনের মাঝে হৃদয় রানী থাকা অবস্থায়ই তিনি বিদায় নিবেন।


একজন শিল্পীর কোন দেশ, জাতী, ধর্ম, কিছুই নেই। একজন শিল্পী গোটা পৃথিবীর সম্পদ। তেমনি সুচিত্রা সেন ও আমাদের! তার জন্ম আমাদের এই বাংলাদেশে। এই বাংলার ধুলি কণায় তার বিচরন ছিল প্রায় ১৬ টি বছর। পাবনায় যেই বাড়িতে রমা নামের মেয়েটি জন্ম নিয়ে ছিলেন সেই বাড়িতে্ আসতেন তিনি। কালের বিবর্তনে জরাজীর্ণ হয়ে গেছে তার বাড়িটি। কেউ কেউ এই মহারানীর সৃতি বিজড়িত বাড়িটি দখলেরও পায়তারা করেছে। উল্লেখ্য ১৯৪৬ সালে সুচিত্রা সেনের বাড়িটি জেলা প্রশাসন উর্দ্বতন সরকারী কর্মকর্তাদের আবাসনের জন্য বাড়িটি রিক্যুইজিশন করেন। পরে ১৯৮৭ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক সাইদুর রহমানের সহযোগিতায় সুকৌশলে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ পাবনা শাখার লোক জন অর্পিত সম্পত্তিতে পরিনত করে লীজ নিয়ে ইমাম গাজ্জালী ইনিষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। সুচিত্রা সেনের জন্ম বাংলাদেশে এবং তিনি বাঙ্গালী এ জন্য আমরা গর্ববোধ করি। বাঁকা ঠোঁটের হাসিতে যে কত তরুণের হৃদস্পন্দন বাড়িয়েছেন সুচিত্রা, তা এতো দিন পরও বাঙ্গালির মুখে মুখে ফেরে। সুচিত্রা ঘাড় ঘুরে তাকালে সময়ও কি একটু করে থমকে যেতো না? যেতো। পর্দায় সুচিত্রার চোখ টলমল করে উঠলে জল গড়াতো পর্দার এপারে। তার মুগ্ধতাকে আকণ্ঠ গ্রহণ করেছে দর্শকসমাজ। সুচিত্রা এক চিরসবুজ প্রেয়সী, যার বয়স ঐ পর্দার ছবিতেই আজো স্থির হয়ে আছেন। ২০১৩ সালে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ার পর আবার আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেন সুচিত্রা। পরের বছর ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি ভারতীয় সময় সকাল ৮টা ২৫ মিনিট নাগাদ কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ৮২ বছর বয়সে সুচিত্রা সেনের মৃত্যু হয়। কিংবদন্তি এই মহারানী স্বপ্নের সুচিত্রা সেন বেঁচে থাকবেন আমাদের স্বপ্নের মাঝে এই প্রত্যাশায় তার ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল
ফেসবুক লিংক
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৪৯
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিভ্রম

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪৪



ধর্মেশ্বর একজন চিকিৎসক। যথেষ্ট পরিমাণ পড়ালেখা করেছেন, দেশে ও প্রবাসে পড়ালেখা সহ ট্রেইনিং নিয়েছেন। তারপরও তিনি শহর ছেড়ে - জেলা শহর ছেড়ে অন্ধগ্রাম থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে আছেন। সম্ভব... ...বাকিটুকু পড়ুন

১ কোটি চাকরি: শর্ত প্রযোজ্য, মেধার প্রবেশ নিষেধ !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:২৫


ভোটের আগে বলা হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে প্রথম আঠারো মাসেই এক কোটি মানুষকে চাকরি দেওয়া হবে। কথাটা শুনে দেশের বেকার তরুণেরা তো মহাখুশি, কেউ ভাবল সরকারি চাকরি হবে, কেউ ভাবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বে ঋণ খেলাপিতে বাংলাদেশ ১ নম্বর এবং দেশে ঋণ খেলাপিতে শীর্ষ ২০ জনের ১৯ জনই ওনাদের!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:০৫



শাস্ত্রীয় কথায় না গিয়ে সোজা কথায় কেউ ঋণ নিয়ে তা পরিশোধ না করলে তাকে ঋণ খেলাপি বলা হয়। আপনি জানলে অবাক হবেন যে শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির ১৯ জনই... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কি ডার্ক জাস্টিসকে ফলো করছেন?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:১০



ছোটবেলায় দেখা একটি টিভি সিরিয়াল তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিলো। একজন বিচারক যিনি দিনের বেলায় কোর্ট রুমে অপরাধের বিচার করতেন, আর, রাতেরবেলা আইনের ফাঁক -ফোকর গলে বেরিয়ে যাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

একদিন আমরা ক’জনা মিলে …….

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১২



ব্লগের একাধারে নম্র ও প্রাজ্ঞ এবং গবেষক সহ-ব্লগার শ্রদ্ধেয় ডঃ এম এ আলীর “ব্লগের সুদিন ফিরিয়ে আনতে ব্লগ টিমের প্রতি বিনীত আবেদন”... ...বাকিটুকু পড়ুন

×