
বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈ চৌধুরী। দেশের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ছিলেন তিনি। ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ১৯৭৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত তি্নি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সভাপতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বিচারপতি জনাব আবু সাঈদ চৌধুরীর ১৯৬০ সালে পূর্ব পাকিস্তানের এ্যাডভোকেট জেনারেল নিযুক্ত হন। জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান এবং সংবিধান কমিশনের সদস্যও ছিলেন বিচারপতি জনাব আবু সাঈদ। ১৯৬০-৬১ সালে তিনি ঢাকা হাই কোর্টের জজ নিযুক্ত হন। ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের অধিবেশনে তিনি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বাংলাদেশের প্রাক্তন এই রাষ্ট্রপতির ৯৪তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২১ সালের আজকের দিনে তিনি টাঙ্গাইলের নাগবাড়ীতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সাবেক স্পীকার জনাব আবদুল হামিদ চৌধুরী। আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৪০ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৪২ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম,এ ও বি,এল ডিগ্রি লাভ করেন এবং লণ্ডন থেকে বার এট ল ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি কলিকাতা হাই কোর্টে যোগদান করেন। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হবার পরে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং ১৯৪৮ সালে ঢাকা হাই কোর্টে যোগদান করেন। তিনি ছিলেন একজন জন প্রিয় আইনজীবী। বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯২১ সালের জানুয়ারি মাসের ৩১ তারিখ তিনি জন্মগ্রহণ করেন। দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।

আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯২১ সালের ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইলের নাগবাড়ীতে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সাবেক স্পীকার জনাব আবদুল হামিদ চৌধুরী। আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৪০ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৪২ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম,এ ও বি,এল ডিগ্রি লাভ করেন এবং লণ্ডন থেকে বার এট ল ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৪৭ সালে তিনি কলিকাতা হাই কোর্টে যোগদান করেন। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হবার পরে তিনি ঢাকায় চলে আসেন এবং ১৯৪৮ সালে ঢাকা হাই কোর্টে যোগদান করেন। তিনি ছিলেন একজন জন প্রিয় আইনজীবী। ১৯৬০ তিনি পূর্ব পাকিস্তানের এ্যাডভোকেট জেনারেল নিযুক্ত হন। আবু সাঈদ চৌধুরী একজন বিচারপতি এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি সংবিধান কমিশনের সদস্যও ছিলেন। ১৯৬০-৬১ সালে তিনি ঢাকা হাই কোর্টের জজ নিযুক্ত হন। ১৯৭১ সালে জাতিসংঘের অধিবেশনে তিনি বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের পক্ষে সমর্থন গড়ে তোলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একাত্তরের মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের অধিবেশনে যোগদানের জন্য জেনেভা যান। সেখানে জেনেভার একটি পত্রিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দু'জন ছাত্রের মৃত্যু সংবাদ দেখে বিচলিত হয়ে ২৫ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক শিক্ষা সচিবকে পাকিস্তান দূতাবাসের মাধ্যমে প্রেরিত এক পত্রে লেখেন, “আমার নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর গুলি চালানোর পর আমার ভাইস চ্যান্সেলর থাকার কোন যুক্তিসংগত কারণ নেই। তাই আমি পদত্যাগ করলাম”।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে বিচার পতি আবু সাঈদ চৌধুরী ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন। ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে ১৯৭৩ সালের ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ করার পর থেকে তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং পরবর্তীকালে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্ব বিবেক জাগরণে প্রধান সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। ১৯৭৫ সালে তিনি বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রিসভায় বন্দর ও সিপিং মিনিস্ট্রির দ্বায়িত্ব পালন করেন। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সর্বোচ্চ দেশীকোত্তম উপাধি এবং কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টর-অফ-ল তে ভূষিত করে। ৬৬ বছর বয়সে ১৯৮৭ সালের ২ আগস্ট হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে লন্ডনে মারা যান রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। মৃত্যুর পরে তাকে টাঙ্গাইলের গ্রামের বাড়ি নাগবাড়িতে দাফন করা হয়। আজ তাঁর ৯৯তম জন্মবার্ষিকী। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জনাব আবু সাঈদ চৌধুরীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।
নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
নিউজ চ্যানেল
ফেসবুক লিংক
[email protected]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






