
মানুষ মানুষের মাংস খাচ্ছে- এমন বিবরণ পাওয়া যায় অনেক দেশের উপকথায়ই। প্রশ্ন হচ্ছে, আসলেই কি মানুষ মানুষকে খায়, নাকি এর সবই লোকদের বানানো গল্প। মানুষ খাওয়ার সত্যিকার প্রমাণ আছে কি না? আর খেলে কারা খায়? কেনইবা খায়? পৃথিবীতে এমন কিছু বিশেষ প্রজাতির মানুষ আছে নরমাংস ভক্ষণেই যাদের তৃপ্তি। মাংস খাওয়ার জন্য মানুষ মারা আইনত দন্ডনীয় হলেও পৃথিবীর এমন কিছু অন্ধকার প্রদেশ আজও আছে যেখানে নেই কোনও আইনের বেড়াজাল। মানুষের মাংস খাওয়ার প্রবণতাকে এক কথায় ‘ ক্যানিবলিজম ‘ নামে অভিহিত করা হয়। ক্যানিবালিজম বা নরমাংস ভক্ষণ মানে হচ্ছে মানুষের এমন এক ধরনের আচরণ যেখানে একজন মানুষ আরেকজনের মাংস ভক্ষণ করে। তবে এর অর্থ আরও বাড়িয়ে প্রাণীতত্ত্বে বলা হয়েছে, কোন প্রাণীর এমন কোন আচরণ যেখানে সে তার নিজের প্রজাতির মাংস আহার করে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে এটি তার সহযোগীও হতে পারে। ল্যান্স নায়েক হাতেম আলী নামে একজন ভারতীয় যুদ্ধবন্দি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিউ গিনি তে জাপানী সেনাদের মানুষের মাংস খাওয়ার কথা বলেন। তারা জীবন্ত মানুষের শরীর থেকে মাংস কেটে নিত ও এরপর ঐ ব্যক্তিকে নালায় ফেলে মেরে ফেলত। ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাপানী সেনারা চিচিজিমাতে পাঁচজন আমেরিকান বিমান সেনাকে হত্যা করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে। ৭ম শতকে মুসলিম-কোরাইশদের যুদ্ধের সময় এ ধরনের ঘটনার সূত্রপাত ঘটে। ৬২৫ সালে উহুদের যুদ্ধের সময় হামযা ইবনে আবদুল মুত্তালিব নিহত হলে তার কলিজা ভক্ষণের চেষ্টা করেন কোরাইশ নেতা আবু সুফিয়ান ইবনে হার্বের স্ত্রী হিন্দ বিনতে উতবাহ। হাঙ্গেরীর মানুষরা মানুষের মাংস খেত মূর্তিপূজা করার জন্য। এছাড়াও ক্যানিবালিজিমের চর্চা হয়েছে লিবিয়া ও কঙ্গোতে বেশ কিছু যুদ্ধে। মাওরিরা যুদ্ধের সময় তাদের প্রতিপক্ষের মাংসও খায় বেশ স্বাভাবিকভাবে। অনেক সময়ে সাগর যাত্রীরা ও দূর্যোগে আক্রান্ত অভিযাত্রীরাও টিকে থাকার জন্য অন্য সহযাত্রীদের মাংস খেয়েছে। ১৮১৬ সালে ডুবে যাওয়া ফেঞ্চ জাহাজ মেডুসার বেঁচে যাওয়া যাত্রীরা টানা চার দিন সাগরে ভেলায় ভেসে থাকার পর মৃত যাত্রীদের মাংস খেয়ে বেঁচে যায়। করোওয়াই হলো এমন একটি উপজাতি যারা এখনো বিশ্বাস করে যে নরমাংস ভক্ষণ সংস্কৃতিরই একটি অংশ। বিশ শতকের দিকে নরমাংস ভোজন করা হত সাধারণত ধর্মীয় কারণে, খরা, দূর্ভিক্ষে ও যুদ্ধবন্ধীদের উপর নির্যাতনের অংশ হিসেবে, যদিও এ ধরনের রীতিকে আইনের লঙ্ঘন হিসেবেই বিবেচনা করা হয়েছে সবসময়। আঘোরী নামে উত্তর ভারতের একটি ক্ষুদ্র উপজাতিরা মানুষের মাংস খায় তাদের ধর্মীয় উপাসনার অংশ হিসেবে ও অমরত্ত্ব অর্জনের জন্য। তারা মনে করে এভাবে তারা অতিপ্রাকৃতিক শক্তিও লাভ করবে। তারপর তারা সেই মানুষের মাথার খুলিতে রেখে খাবার খায় বয়স বেড়ে যাওয়া রোধ করতে ও ধর্মীয় পূণ্য অর্জন করতে। মুসলিম পরিব্রাজক ইবনে বতুতা বলেন যে তাকে এক আফ্রিকান রাজা সতর্ক করে বলেছিলেন যে সেখানে নরখাদক জংলী আছে। কিছু মিলেনেশিয়ান উপজাতিরা এখনো তাদের ধর্মচর্চায় ও যুদ্ধে এই চর্চা করে। এছাড়াও এর একটি বড় কারন হচ্ছে মানসিক সমস্যা বা সামাজিক আচরনের বিচ্যুতি। নরমাংস ভোজের সামাজিক আচরণে ২ ধরণের নৈতিক পার্থক্য আছে। একটা হচ্ছে একজনকে হত্যা করা তার মাংস খাওয়ার জন্য ও আরেকটি হচ্ছে স্বাভাবিকভাবে মৃত মানুষের মাংস খাওয়া।কিছু মানুষ নরমাংস ভক্ষণকে সামাজিকতা ও সংস্কৃতির অঙ্গ বলে মনে করে। আবার কিছু মানুষের মধ্যে গেঁথে গেছে নরমাংস ভক্ষণের লালসা। কিছু কিছু দেশে মৃত মানুষের মাংস খাওয়ার রীতি আছে আবার কিছু উপজাতি জ্যান্ত মানুষকেই মেরে বা জীবিত অবস্থায় কেটে খেয়ে নেয়। একসময় দুর্ভিক্ষের কালে খাবারের অভাবে মানুষ অপর মানুষের মাংস খেয়েছিল। তবে পৃথিবীর কোনও কোনও দেশে মানুষের মাংস খাওয়ার রীতি প্রচলিত।

বাংলাদেশের ভয়ঙ্কর নরখাদক খলিলুল্লাহ'র কথা আমরা অনেকেই জানি। ১৯৭৫ সালের ৩ এপ্রিল। দৈনিক বাংলার একটি বক্স নিউজ পড়ে শিউরে ওঠেছিলো গোটা বাংলাদেশ। ছবিতে দেখা যায় এক যুবক মরা একটি লাশের চেরা বুক থেকে কলিজা বের করে খাচ্ছে! 'সে মরা মানুষের কলজে মাংস খায়!' শিরোনামে খবরটি ছাপা হওয়ার পর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। অবশেষে গ্রেপ্তার করা হয় খলিলুল্লাহ নামের এই নরখাদককে। মানসিক চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয় পাবনা মানসিক হাসপাতালে। ২০০৫ সালে মারা যায় সে। এতো গেল বাংলাদেশের কথা, সারা পৃথিবী জুড়েই নরখাদকদের সন্ধান পাওয়া গেছে। তাদের পাওয়া গেছে ফিজি, আমাজন অববাহিকা, আফ্রিকার কঙ্গোতে। এমন কী নিউজিল্যান্ডের মাওরি জনগোষ্ঠীর মধ্যে মিলেছে নরখাদকের সন্ধান। ইউরোপের হল্যান্ডেও সন্ধান পাওয়া গেছে। শোনা যায় উগান্ডার স্বৈরাচারী রাষ্ট্রনায়ক ইদি আমিনও নাকি নরখাদক ছিলেন। ষাটের দশকে পাপুয়া নিউগিনির এসব লোকের মধ্যে ‘কুরু’ (laughing sickness) নামের একটি রোগ ভীষণভাবে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে নারীদের মধ্যে। এই রোগ হলে আক্রান্তদের প্রথমে নড়াচড়া ও কথা বলায় সমস্যা হতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা হাঁটা চলার সামর্থও হারিয়ে ফেলে এবং শেষে মারা যায়। রোগটার কারণ ঠিক স্পষ্ট ছিল না। তবে বোঝা যাচ্ছিল, যেসব এলাকায় মানুষ খাওয়ার প্রথা আছে সেসব এলাকায় রোগের প্রকোপ বেশি। তাই সত্তরের দশকে এসে অস্ট্রেলীয় সরকার মানুষ খাওয়া নিষিদ্ধ করে দেয়। এর পরপরই রোগের প্রকোপ বন্ধ হয়ে যায়। পৃথিবীতে কত বিচিত্র মানুষ আছে তার কোনো ইয়াত্তা নেই। এবার যেই জাতির কথা বলছি তারা নরখাদক নয়। তবে মানুষের মগজ খায়। তাও আবার মৃত মানুষের। এটাই তাদের রীতি।

গল্প কাহিনীতে যেমনই লাগুক অস্ট্রেলিয়ার দেশ পাপুয়া নিউগিনির দক্ষিণে ফোর এলাকার লোকেরা পঞ্চশের দশকেও মানুষের মগজ খেতো। তবে যে কারোরই মগজ খেয়ে ফেলবে, ব্যাপারটা এমন নয়। খেতে হবে নিকট আত্মীয়ের মগজ। যখনই এদের পরিবারের কেউ মারা যান, তখনই তার ঘিলু খাবার হিসেবে খেয়ে নেন তারা। তখনকার সময় গোষ্ঠীবিবাদ তো লেগেই থাকত। অন্য গোষ্ঠীকে হারালে মৃতদের ঘিলুও খেতেন এরা। এক কথায় বীভৎস ব্যাপার! কিন্তু তাদের কাছে এটি খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। এদের কাছে এটাই ধর্মীয় প্রথা। নিত্যদিনের অন্যান্য কাজের মতোই। ভাবতেই অবাক লাগে পঞ্চাশ-ষাটের দশকে যখন বিজ্ঞানের অগ্রগতি ঘটছে ধীরে ধীরে। চাঁদে মানুষ পৌঁছে গেছে, সেসময়ও এখানে এই প্রথা রমরমিয়ে চলেছে।অস্ট্রেলিয়ার সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণার আগ পর্যন্ত ওরা ওদের মৃত আত্মীয়দের মগজ খেতো। অনেক সময় আশপাশের গোষ্ঠির সাথে যুদ্ধে শত্রুপক্ষের যারা মারা যেত বা বন্দি হতো তাদের খাওয়ার প্রথা ছিল। যদিও নিষিদ্ধ হওয়ার কয়েক বছর পরও ওই এলাকা থেকে মানুষ খাওয়ার অপরাধে ২৯ জনকে আটক করা হয়েছিলো। ইউকে টেলিগ্রাফ পত্রিকার এই খবরে বিশ্ববাসী রীতিমতো হতবাক হয়। কয়েকজন ডাক্তারের অস্বাভাবিক মৃত্যুরহস্য বের করতে গিয়ে পুলিশ তাদের সন্ধান পায়। পুলিশ ধারণা করেন, প্রায় ৭০০ থেকে ১০০০ লোক এই গ্রুপের সদস্য ছিলো। এবং এরা সবাই কম-বেশি মানুষের মাংস ভক্ষণ করেছে। আরো জানা যায়, এরা সবাই কমপক্ষে সাতজন মানুষকে সরাসরি হত্যা এবং ভক্ষণের সঙ্গে জড়িত। এ নিয়ে বিচার শুরু হয়। কোর্টে সবাই স্বীকার করে যে তারা ডাক্তার হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। তাদের ভাষ্যমতে, এসব ডাক্তাররা ভয়ঙ্কর কালো বা জাদুকরী বিদ্যাচর্চা করত। তারা ডাক্তারকে হত্যা করে তার মগজ ভক্ষণ করেছে। তারা দাবি করে কালো জাদুকর এই ডাক্তাররা বহু মানুষকে হত্যা করে এই জাদুবিদ্যা চর্চা করে আসছে। যার ফলে তারা এসব ডাক্তারদের ভক্ষণ করেছে। পাপুয়া নিউগিনির এসব জাতি ছাড়াও অস্ট্রেলীয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় নিকট অতীতে মানুষ খাওয়ার প্রবনতা ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা, নিউ মেক্সিকো এলাকায় আনাসাজি নেটিভ আমেরিকানরা কিছুকাল আগেও উৎসব ও অন্যান্য উপলক্ষে মানুষ খেতো। যার প্রত্নতাতি্বক প্রমাণ আছে। তবে বিজ্ঞানীরা বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই এসব উদাহরনকে ইতিহাসের বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উল্লেখ করতে পছন্দ করতেন।

গরুর একটি ভয়ানক রোগের নাম ‘ম্যাড কাউ’। রোগটি গরুর হলেও মানব দেহে সংক্রমিত হয়ে এটি ধ্বংস করে দিতে পারে পুরো একটি মানব সমাজকে। এখন পর্যন্ত রোগটির তেমন কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। তবে চিকিৎসকদের ধারণা, এ রোগের চিকিৎসায় কাজে আসতে পারে মানুষের মগজখেকো একটি আদিবাসী সম্প্রদায়।এবারও বিজ্ঞানীদের গবেষণায় বেরিয়ে আসে একই তথ্য। ম্যাড কাউ রোগের বিস্তার নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে লন্ডন ইউনিভার্সিটি কলেজের গবেষক ডা. সিমন খুঁজে পেয়েছেন, ম্যাড কাউ এবং নিউগিনির কুরু রোগের লক্ষণ ও পরিণতিতে মিল আছে। তার গবেষণায় বেরিয়ে আসে, ম্যাড কাউ রোগাক্রান্ত গরুর মস্তিষ্ক খেলেই ছড়ায় ওই রোগটি। রোগের চিকিৎসাও খুঁজে পেয়েছেন তিনি। পাপুয়া নিউগিনিতে যখন মানুষখেকো প্রথা ছিল তখন যারা কুরু রোগে আক্রান্ত মৃত মানুষের মগজ খাওয়ার পরও রোগটিতে আক্রান্ত হয় নি এবং এখনো বেঁচে আছে, তাদের জিন পরীক্ষা করে দেখা গেছে, এদের জিনের মধ্যে ম্যাড কাউ রোগের প্রতিষেধক আছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের মস্তিষ্ক খাওয়ার কারণেই তাদের মধ্যে এই জিনটি তৈরি হয়েছে। মজার বিষয় হচ্ছে, শুধু তাদের মধ্যেই নয়, পৃথিবীর সব মানুষের জিনেই এর অস্তিত্ব আছে। প্রশ্ন হচ্ছে, নিউগিনিতে যারা মানুষ খায়, তাদের না হয় এসব জিনের দরকার আছে। কিন্তু পৃথিবীব্যাপী আমাদের সবার মধ্যে এই জিনের উপস্থিতি কেন? আমরা তো মানুষ খাই না। যেসব জিন ব্যবহার হয় না তারা সাধারণত সময়ের সাথে সাথে হারিয়ে যায়। এ গবেষণাটি করতে গিয়েই বেরিয়ে এসেছে আরো অদ্ভূত একটি তথ্য। আমাদের মধ্যে কেন ম্যাড কাউ প্রতিরোধকারী জিন? বিষয়টি গবেষণা করতে গিয়ে দেখা যায়, পুরো পৃথিবীতে জাতি বর্ণ নির্বিশেষে (কেবল জাপানীরা ছাড়া, তাদের অন্য জিন আছে) সবার মধ্যে কুরু জাতীয় রোগ প্রতিরোধকারী জিনের উপস্থিতির কারণ হতে পারে যে, আমাদের পুর্বপুরুষরা নিকট অতীতেও (১৫ হাজার বছর আগে) মানুষের মাংস খেতো। “মানুষখেকোরা খুবই ভয়ংকর প্রকৃতির হয়ে থাকে। তারা মানুষের মাংস খেয়ে যে তৃপ্তি পায়, অন্য কোন মাংস খেয়ে সেই তৃপ্তি তাদের হয় না। এই প্রবণতা সহজে দূর হবার নয়। এরা হয় প্রচন্ড চতুর ও ধূর্ত।” মানুষ খাওয়ার চর্চা আমাদের মধ্যেও ভালোভাবেই ছিল। যদিও এখন মেনে নিতে কষ্ট হয়। আসলে আমাদের ভেতরের মানুষখোকো মানুষটা এখনো ঠিক মরে যায় নি। সংস্কার আর সভ্যতার চাপে হয়তো আপাতত লুকিয়ে আছে। তো মানুষখেকো মানুষ কারা? এক অর্থে, সুযোগ পেলে আমরা সবাই। এই গবেষক আরো প্রমাণ করেন, জাপানিদের বাদ দিলে পৃথিবীর সব প্রজাতির মানুষের পূর্বপুরুষই কোনো না কোনো সময় মানুষখেকো ছিল। কাজেই সবার মধ্যে ওই বিশেষ জিনটি রয়েছে। কিন্তু ওই মুহূর্তে গবেষণা করে ওষুধ বের করে অনেক লোকের প্রাণ তো বাঁচিয়েছিলেন ওই গবেষক!তবে যাই হোক না কেন আধুনিক বিশ্বে রীতির নামে এসব কুসংস্কার মানছে এই জাতি। এছাড়াও মৃত মানুষকে কবর না দেয়া, মৃতদেহকে শকুনকে উৎসর্গ করা, মৃতদেহ পুড়িয়ে স্যুপ বানিয়েও খায় অনেক জাতি। মানুষ হল পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ জীব। মানুষের হল বুদ্ধিমান। এই বুদ্ধি হল মানুষের প্রধান অস্ত্র। এই বুদ্ধি দিয়ে মানুষ আজ পৃথিবী করে চলেছে শাসন।এই পৃথিবী বড়ই বিচিত্র। এখানে এমন সব ঘটনা ঘটে, যার ব্যাখ্যা মেলা ভার।আজ পৃথিবীর মানবসভ্যতা বিচরণ করছে উন্নতির চরম সীমায়, এখনো কিন্তু, এই বিশ্বে মানুষখেকো মানুষেরা বিরাজ করছে স্বমহিমায়, যা দেখলে অবাক হতে হয়।
নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
ব্রেকিং নিউজ২৪.কম
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


