

কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে নারীর অংশগ্রহন ছিল সামাজিক রীতি বিরোধী।সমাজের এই ধারনা ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়েছে সময়ের সাথে। নারীরা নিজেরা বৈশাখী কার্ড তৈরী করতো। পরিবারে ভাল রান্না করতো। প্রিয় বান্ধবী এবং আত্মিয়দের দাওয়াত দেওয়া হতো। তারপর ধীরে সেই উৎসব পরিবার থেকে সামাজিক উৎসবে পরিনত হয়। সময়ের পালাবদলে মানুষের ধারনা এবং রুচি পরিবর্তনে তা জা তা জাতীয় উৎসবে পরিনত হয়েছে। বেড়েছে নারীর সবতসফূর্ত অংশগ্রহন।

এই উৎসব গুলোতে এখন শিশু,নারী,বৃদ্ধা সবার থাকে ভিন্ন আকর্ষন। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে উৎসব কে কেন্দ্র করে যেমন আছে আয়োজন তেমনি আছে আতংক। সাহসী বাঙালিদের কোন কিছু দিয়ে দমিয়ে রাখা যায়না। এখন দেশের অস্থির সময় গুলোতে কোন সামাজিক অনুষ্ঠান মানেই হলো আরো কোন আতংক। সামাজিক অনুষ্ঠান কে কেন্দ্র করে ঘটে নানা রকম অনাকাংখিত ঘটনা। তাই কোন সামাজিক অনুষ্ঠান হলেআনন্দের সাথে থাকে ভয়ংকর আতংক। যাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। কয়েক বছরে যা
ঘটেছে সেই শোক দু:খ ভুলতে অনেক সময় লাগবে। নতুন বছরে সবার জীবনে আতংক ছাড়া অনাকাংখিত দু:খ ছাড়া অনাবিল সুখ ঘিরে থাক।ছোট এই জীবনে সবার কাছে নতুন বছর প্রানবন্ত স্বপ্ন সুখ হয়ে ধরা দিক। সবার জন্য অনেক শুভ কামনা।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

