somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বৈশাখী উৎসবে নারীর পদচারনা এবং আরো কিছু আতংক!!

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বৈশাখী উৎসবে নারীর অংশগ্রহন এবং পদচারনা যেন চোখে পড়ার মতো দিনে দিনে বেড়েই যাচেছ। নারী ছাড়া এই উৎসব গুলো যেন পূর্নতা পায়না। এই উৎসব গুলোকে কেন্দ্র করে নারীর জন্য থাকে নানা আয়োজন। দেশীয় ফ্যাশন হাউজ গুলোর নানা রকম ব্যবসা নিয়ে টার্গেট থাকে নারীর চাহিদা এবং রুচি অনুযায়ী। এই দিন কেন্দ্র করে সারা দিন নাচ, গান, অভিনয় এবং দেশীয় ঐতিহ্য কে তুলে ধরতে থাকে টিভি চ্যানেল গুলোর নানা রকম প্রতিযোগীতা। কিন্তু সেখানেও নারীর অংশগ্রহন চোখে পড়ার মতো। একটা সময় ছিল নারী ছিল অন্তঃপুরবাসিনী। তারা ঘরের বাইরের কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারতো না। সাজসজ্জা করাও ছিল তাদের জন্য নিষিদ্ধ। বিবাহিতা নারীদের কাছে এই উৎসব গুলো ছিল কোন রহস্য।


কোন সামাজিক অনুষ্ঠানে নারীর অংশগ্রহন ছিল সামাজিক রীতি বিরোধী।সমাজের এই ধারনা ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়েছে সময়ের সাথে। নারীরা নিজেরা বৈশাখী কার্ড তৈরী করতো। পরিবারে ভাল রান্না করতো। প্রিয় বান্ধবী এবং আত্মিয়দের দাওয়াত দেওয়া হতো। তারপর ধীরে সেই উৎসব পরিবার থেকে সামাজিক উৎসবে পরিনত হয়। সময়ের পালাবদলে মানুষের ধারনা এবং রুচি পরিবর্তনে তা জা তা জাতীয় উৎসবে পরিনত হয়েছে। বেড়েছে নারীর সবতসফূর্ত অংশগ্রহন।


এই উৎসব গুলোতে এখন শিশু,নারী,বৃদ্ধা সবার থাকে ভিন্ন আকর্ষন। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে উৎসব কে কেন্দ্র করে যেমন আছে আয়োজন তেমনি আছে আতংক। সাহসী বাঙালিদের কোন কিছু দিয়ে দমিয়ে রাখা যায়না। এখন দেশের অস্থির সময় গুলোতে কোন সামাজিক অনুষ্ঠান মানেই হলো আরো কোন আতংক। সামাজিক অনুষ্ঠান কে কেন্দ্র করে ঘটে নানা রকম অনাকাংখিত ঘটনা। তাই কোন সামাজিক অনুষ্ঠান হলেআনন্দের সাথে থাকে ভয়ংকর আতংক। যাকে কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। কয়েক বছরে যা
ঘটেছে সেই শোক দু:খ ভুলতে অনেক সময় লাগবে। নতুন বছরে সবার জীবনে আতংক ছাড়া অনাকাংখিত দু:খ ছাড়া অনাবিল সুখ ঘিরে থাক।ছোট এই জীবনে সবার কাছে নতুন বছর প্রানবন্ত স্বপ্ন সুখ হয়ে ধরা দিক। সবার জন্য অনেক শুভ কামনা।

সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৯:২১
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৮


বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকেলগুলো থমকে থাকে, আজও তোমার পাড়ায়

লিখেছেন চারাগাছ, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:০০






সেদিন বিকেলেও লোকটা জানালার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল।

পাড়ার মানুষজন তাকে চেনে। চেনার কথাও। গত বাইশ বছর ধরে প্রায় প্রতিদিন বিকেল পাঁচটার দিকে লোকটাকে এই গলিতে দেখা যায়। কখনো হেঁটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২



আমাদের চারপাশে অনেক কিছু আছে।
যা আমরা দেখতে পাই না। ব্যাকটেরিযয়া, ভাইরাস, ডার্ক ম্যাটার, অণু ও পরমাণুর কথা বলছি না। আমি বলছি, মৃত মানুষের কথা। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দেড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×