আব্বাসউদ্দীনের চতুর্থ প্রজন্ম আরমীন
বিনোদন প্রতিবেদক
আরমীন মুসার সাথে যোগাযোগ করতে গিয়ে জানা গেল, তিনি ঢাকায় নেই। দেশের বাইের আছেন। কিন্তু তিনি যে দেশে নেই, সেটা বোঝার উপায় নেই। কারন প্রতিদিনই এফএম রেডিওর বিভিন্ন চ্যানেল তার গান শোনা যাচ্ছে। বন্ধু নাবিলার সাথে আমার ফুল বাগানে ভালো লাগে না’ কিম্বা নিজের গাওয়া ‘চোখের আকাশ নিয়ে সীমানা সপ্ন সাজাই’, ‘আমাদের নতুন গানে’সহ আরও কয়েকটি গান।
মাত্র কদিন আগেই এসেছে আরমীনের একক আ্যলবাম আয় ঘুম ভাঙাই। এনেছে জি সিরিজ।
এই আ্যলবাম দিয়ে নয়, আরমীন অনেক আগে থেকেই শ্রোতাদের কাছে বেশ পিরিচত। ফুয়াদের কম্পোজিশেনর আ্যলবামে ‘ভ্রমর কইয়ো গিয়া’, ঝালমুড়ি আ্যলবামে ‘ আমার ফুল বাগানে ভালো লাগে না’ গান দুটি আরমীনকে শ্রোতাদের খুব কাছাকাছি নিয়ে যায়।
আরমীনের সাথে তার নতুন আ্যলবামটি নিয়ে কথা বলার জন্য যোগাযোগ করা হয় তার মা বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী নাশিদ কামালের সাথে।
তিনি জানান, আরমীন এখন ইংল্যান্ডে আছেন। ওখানে অর্থনীতি বিষয়ে পড়াশোনা করেছন। গত এক বছর ছুটিতে এসে এসে আ্যলবামের কাজ কেরেছন।
আরমীনের সংগীত শেখার শুরুটা হয়েছিল মাত্র তিন বছর বয়সে, মায়ের কাছে। এরপর মা তাকে নিয়ে যান সুজিত মুস্তাফার কাছে। এখানে দীর্ঘদিন সংগীতের তালিম নিয়েছেন আরমীন।
ছোটবেলায় মায়ের ফুপু ফেরদৌসী রহমানের বিটিভির অনুষ্ঠান এসো গান শিখিতে নিয়মিত অংশ নিতেন।
১৪ বছর বয়স থেকে গান লেখা এবং তাতে সুর দেওয়ার কাজটি প্রায় নিয়মিতই করছেন আরমীন।
নাশিদ কামাল জানান, লন্ডনে বিভিন্ন জ্যাজ ব্যান্ডের সাথে আরমীন নিয়মিত অংশ নেন। সেখানে তিনি মায়ের দাদা আব্বাসউদ্দীন আহমদের গানগুলো পরিবেশন করেন। আরমীন এখন ফিউশন গান বেশি করেন।
আজ এনটিভিতে আমারও গাইতে ইচ্ছা হলো অনুষ্ঠানে থাকছে আরমীনের পরিবেশনা।
মেয়ের গানের ব্যাপারে মা নাশিদ কামাল বললেন, ‘ আব্বাসউদ্দীন আহমদের চতুর্থ প্রজন্ম আরমীন। গানের মধ্য দিয়েই ওর শুরু। তাই তো ও গানের সাথে আছে।’
দৈনিক প্রথম আলো, মে ১৫, ২০০৮
বিনোদন পাতার সাংবাদিক ভাইকে আমার লাল সালাম। কল্পকাহিনী লেখায় আপনার যে অসামান্য পারদর্শীতা........তা সত্যিই অবাক করার মতো। আপনার লেখা নিউজটা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত মিথ্যা। আরমীন এবং আব্বাসউদ্দীন সাহেবের মধ্যে আপনি যে কাল্পনিক সম্পর্কটা বানাইলেন এইটা এক ইতিহাস। আপনার কাছে ভাই আমার একটা অনুরোধ, নাশিদ কামালকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। সব মিথ্যা কথাগুলাতো ওনার মুখ দিয়া কওয়াইলেন..........।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


