নারী নির্যাতন সমাজের একটি বহু পুরনো সমস্যা। যা দূরিকরণের লক্ষ্যে কোন সরকারের প্রচেষ্টার কমতি ছিল না। সাথে অনেক সংগঠন বা সংস্থা তো আছেই। বর্তমানে বাংলাদেশে নারীনির্যাতন রোধে কঠোর আইন করা হয়েছে। আজকে সমাজে নারী নির্যাতিনের শিকার হয়েছে বা নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে এ ধরণে কিছু শুনলেই আমরা বুঝি কোন পুরুষ নারী নির্যাতন করেছে বা কোন পুরুষের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হচ্ছে। কিন্তু সরেজমিনে ভিন্ন চিত্র। আমার ধারণা নারীরা নারী দ্বারাই বেশি নির্যাতনে শিকার হয়। কোন এক গুণিজন তো বলেই ফেলেছেন, "একজন নারীবাদী নারীর কাছে আরেকজন নারী অতোটা নিরাপদ নয়, যতোটা নিরাপদ একজন নারী বিদ্বেষী পুরুষের কাছে" একটা নারী তার জীবনের সিংহভাগ অংশ তার শশুরালয়ে কাটায়। দেখুন না, কয়টা মেয়ে তার শশুর বাড়িতে ভালো আছে? হয়তো হাতেগনা কয়েকজন। আর বাকিরা সব হয়তো শাশুরীর নির্যাতনে অতিষ্ট। অথবা ননদের হিংসার আগুনে দগ্ধ হচ্ছে। নতোবা স্বামীর ষ্টিমরোলারে পিষ্ট হচ্ছে। বেচারী মেয়েটি আর কী বা করার থাকে। যেখানে তার সর্বোচ্চ ভালোবাসা আদর সোহাগ পাওয়ার কথা সেখানে যেন এক নরকে বাস! অথচ সেই এক'ই শাশুরীর মেয়ে অন্য আরেকটি বাড়িতে পান থেকে চুন খসলে ফেরেশানির সীমা থাকে না। কিন্তু কেন? মেয়েটি তো তার পিত্রালয় ত্যাগ করে এখানে এসেছে একটি সোনালি জীবনের সূচনা ঘটাতে। সে তার সব বিসর্জন দিয়ে এখানে চাকরানীর মতো খাটতে আসেনি। অথচ সারাদিন খেটেও তাকে শুনতে হচ্ছে, "রানীর মোডে আছে" মূলক বাক্যটি। একজন পুত্রবধু সে আপনার চাকরানী নয়। কারও অধিকার নেই তাকে দিয়ে কাজ কর্ম করানো। ইসলামও এটা বলে না। বাপের ঘর ছেড়ে অন্যত্র সারা জীবনের জন্য চলে যাওয়া অতো সহজ নয়। বিবাহের সময় যে দুফোটা চোখের জল ঝরেছে তা মোটেও দুফোটা ছিল না। ছিল দুটি সমুদ্র। যার কোন কুল কিনারা নেই। এ একটি মেয়ে পরিবারের সব কাম সমাধা করছে। সবার মন রক্ষা করে চলার চেষ্টা করছে। সবাইকে আপন করে নিতে চাচ্ছে। অথচ এক ঘর মানুষ তার মন রক্ষা করে চলতে পারছে না। তাকে আপন করে নিতে চাচ্ছে না। কেন তার কোমলমতি মনটাকে কষ্ট দিচ্ছেন? কেন তার একাকি মনটাকে জালিয়ে পুড়িয়ে আঙ্গার করে দিচ্ছেন? প্লিজ একটু ভাবুন! মেয়েটি তার মা বাবা ভাই বোন ঘর বাড়ি সব বিসর্জন দিয়ে আপনার এখানে এসেছে। মানুষের ভুল থাকতেই পারে। আপনি তাকে আপন করে নিন। আদর সোহাগ দিন। দেখবেন আপনাদের ভয়ে ভয়ে সে যে ভুল গুলো করতো সেগুলোও আর হচ্ছে না। আপনাকেই তো সে মা বলে ডাকছে। আপনি তাকে আপন মেয়ের মতো করে নিন না!
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।