আমেরিকার নিউজ গার্ডেন এর উদ্ধৃতি দিয়ে 1লা মার্চ-2002 যুগান্তর লেখে "বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ আমেরিকা শাখা এবং ঐ ষড়যন্ত্রকারীরা সংখ্যালঘু নির্যাতনে দায়ী ব্যক্তিদের এক মাসের মধ্যে গ্রেফতার করা না হলে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ট্রাইবু্যনালে মামলা দায়েরের ঘোষণা করে। এ ছাড়া সভায় বক্তারা ইসলাম ধর্মের কড়া সমালোচনা করে বলেন, "মুসলমানদের ইসলামে থাকার আর কোন কারণ নেই। বাংলাদেশের মুসলমানরা হিন্দু থেকে মুসলমান হয়েছে। সুতরাং সময় হয়েছে এখন তাদের হিন্দুত্বে ফিরে আসার।" এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আমেরিকার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম.এ.সালাম, আরেক নেতা মুহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, প্রদীপ কুমার দাস, দ্বিজেন ভট্টাচার্য, সুব্রত বিশ্বাস, শিতাংশু গুহ, পবিত্র চৌধুরী প্রমুখ। (সাপ্তাহিক যায় যায় দিন, বর্ষ-18, সংখ্যা-24, 2002) সামপ্রদায়িক সমপী্রতির এক অনন্য দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সমপ্রদায় স্বীকৃতি দেয়ায় পরও এসব কল্প কাহিনী তৈরি করে মিথ্যা প্রচারের জন্য দেশের অভ্যন্তরেই 'হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ' নামক একটি সংগঠন সৃষ্টি করা হয়। ড. নিমচন্দ্র ভৌমিককে সভাপতি হিসেবে মনোয়ন দিয়ে ঢাকাস্থ ভারতীয় দূতাবাস প্রত্যক্ষ সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে সংগঠনটিকে লেলিয়ে দেয় বিদেশীদের কাছে প্রমাণ করার জন্য যে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদেরকে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় নিপীড়ন করা হচ্ছে। এই কাজ চালিয়ে যেতে অর্থ যোগানসহ যাবতীয় পরামর্শ গ্রহণের জন্য নিমচন্দ্র ভৌমিক প্রতিনিয়ত ভারতীয় দূতাবাসে গমন বা তাদের গোয়েন্দা সংস্থার সাথে বৈঠক করে থাকে কোন প্রকার রাখ ঢাক না করেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার ছদ্মবেশে ভারতের এজেন্ট ড. নিমচন্দ্র ভৌমিক প্রায়ই দেখা যায় শেখ হাসিনার বিভিন্ন সেমিনার অনুষ্ঠানে এবং সুধাসদনের একান্ত পরামর্শ সভায়। বহির্বিশ্বে অপপ্রচারের জন্য এই সংগঠনটি ব্যাপক ফান্ড খরচ করে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের বিভিন্ন ঘটনা অভিনয় করে তা ক্যামেরায় ধারন করে বিদেশে প্রেরণ করে। এইরূপ একটি ঘটনা মঞ্চস্থ করার প্রাক্কালে গত 24 এপ্রিল 05 তারিখে বরিশালের রায়পুরা গ্রামের গ্রামবাসী এই সংগঠনের সদস্য সঞ্জয় ঘোষ ও তার সহযোগীদেরকে ধরে ফেলে পুলিশে সোপর্দ করে। কয়েকজন হিন্দুকে মাদ্রাসা ছাত্র বানিয়ে, কয়েক ব্যাগ রক্ত এনে, সাদা কাপড় দিয়ে কাফনের কাপড় বানিয়ে 10/12টি নকল লাশ তৈরি করে এবং হিন্দুদের উপর অত্যাচারের নাটক রেকর্ড করার সময় জনতা তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে। (দৈনিক মানবজমিন, 13 মে, 2005) >>চলছে চলবে>>
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


