somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ট্রাইব্যুনালের নির্দেশঃ "রায় পছন্দ না হলে স্লোগান দেবেন না"

১৭ ই জুলাই, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



হায়রে ... বিচিত্র দেশ, বিচিত্র জাতি, বিচিত্র বিচার, বিচিত্র বকবকি ... হায়রে,

প্রথম আলোতে এই কিছুক্ষণ আগে একটা প্রতিবেদন দেখে মনে হচ্ছে... যাহ্‌, এতদিন শুনেছি শুধু পচে যাওয়া রাজনীতিবিদদের হুংকারের দুর্গন্ধ... এখন দেখছি তাঁদের সমকক্ষ হবার জন্য কালো কোর্ট পরা ভদ্দর-নকেরাও উঠে পড়ে লেগে একেবারে সব ছড়াতে শুরু করে দিয়েছে (অবশ্য, এও আর নতুন কি?)। সমস্ত বিচার ব্যবস্থাই যেখানে ঐসব পচা-গলা রাজনীতিবিদদের প্রতিটা শ্বাসের পরতে পরতে ফায়দা লুটবার পথ বাৎলে দেয়।

সে যাই হোক – ওগুলো অনেক পুরনো কাসুন্দির দুর্গন্ধ। এখন ঘাঁটার সাহস দেখাচ্ছি না। যা বলতে এলাম, নিজেকে...

ট্রাইব্যুনাল ২ এর একজন সম্মান বিক্রয়ের সার্টিফিকেটধারী নাকি বলেছেন... “বিচারকেরা কথা বলতে পারেন না। আপনারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে স্লোগান দিলে আমরা জবাব দিতে পারি না। এই অর্থে বিচারকেরা দুর্বল। তবে একটা কথা মনে রাখবেন, আদালতের হাত অনেক অনেক লম্বা। বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে আপনারা যেখানে থাকুন না কেন, আদালতকে আহত করে কোনো কথা বললে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা এ ট্রাইব্যুনাল রাখে, সুপ্রিম কোর্ট রাখে।” উনাকে খুব জিগ্যেস করতে ইচ্ছে করছে, মহাশয় আপনার এই বিচার ব্যবস্থা সেই বাংলা জন্মের পর থেকেই যে সরকারের চাটুকারিতা করে আসছে... যখন যে সরকারের ইচ্ছেমতো... রায় শুনিয়ে যান, যখন যার ইচ্ছেমতো... বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা করে কয়েক যুগ পার করে যান, যখন যার ইচ্ছেমতো কালো কোর্ট পরে... অপরাধী মুক্তির শপথ নেন, যার যেমন ইচ্ছে...বিচারকে মাটির পুতুল বানিয়ে...চকচকে অর্থে পরিপূর্ণ যে কোন বাক্স-পেটরার মাথায় তুলে দেন... তখন আসলে কই থাকে... আদালতের হাতের এই সুবিস্তৃত দৈর্ঘ্য???

আর যিনি এই আদালত অবমাননার দায়ে ... দেশের একমাত্র বেঁচে থাকা নৈতিকতা-মানবতার দলকে ... বিচারের মুখোমুখি করবার সহাস্য কৌতুক করছেন ... তাঁরা কি ভুলে গেছেন ... সলীল চৌধুরীর সেই কথা ... "বিচারপতি, তোমার বিচার করবে যারা আজ জেগেছে, এই জনতা... এই জনতা"। তাই বলছি, ইতিহাসের দিকে একটু খেয়াল কইরা যদি এইসব ন্যাড়া বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকেন তবে সেই ফুঁসে উঠার দিন হয়তো বেঁচেও যেতে পারেন।

প্রথম আলোর প্রতিবেদন ... দেখতে চাইলে দেখে নিন
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেঁচে থাকাই পরম বিস্ময়

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩


পথেঘাটে ঘুরিফিরি, যেকোনো সময়
পটল তুলতে পারি গাড়ির ধাক্কায়।
মাঝেমধ্যে থাকি এমনও আশঙ্কায়,
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে
মাথা ফেটে রক্তক্ষরণে প্রাণটা যায়!
এমন পরিণতিতে লোকে দুঃখ করে।
গাড়ি, ট্রেন, প্লেন, হয়তোবা ইস্টিমার
দুর্ঘটনায় প্রাণটা চলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মা'কে লেখা প্রীতিলতার শেষ চিঠি

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৯




আমায় তুমি পিছু ডেকো না'গো মা
আমার ফেরা সম্ভব  না।
দেশ মাতৃকায় উৎসর্গিতা আমি
আমি তো সেই ক্ষণজন্মা! 

আমায় তুমি আশীর্বাদ করো মা,
মোছো তোমার চোখের জল।
নিপীড়িতদের আর্তনাদ শুনছো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৮



সূরাঃ ২ বাকারা, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। হে মানব সম্প্রদায়! তোমরা তোমোদের সেই রবের ইবাদত কর যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা মোত্তাকী হও।

সূরাঃ ২... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিনাশ গ্রহাণুপুঞ্জের অধিবাসী - সাইন্স ফিকশন

লিখেছেন আরাফাত৫২৯, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১০




১/
বিজ্ঞান একাডেমির প্রধাণ মহামতি গ্রাহাম উনার অফিসের বিশাল জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সময়টা প্রায় শেষ বিকেল। সন্ধ্যার রক্তিম আভা দূর আকাশে দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পুরো আকাশটাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মসজিদে ইমামতি করা, আযান দেয়া, কুরআন শিক্ষাদান করা কিংবা সাধারণভাবে দ্বীন প্রচারের কাজে বিনিময়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×