somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

অজ্ঞ বালক
আমি আসলে একজন ভীষণ খারাপ মানুষ। তবে ভালো মানুষের মুখোশ পড়ে দুর্দান্ত অভিনয় করতে পারি বলে কেউ কিছু বুঝতে পারে না। সে হিসাবে আমি একজন তুখোড় অভিনেতাও বটে!!!

প্রত্যাবর্তন কিংবা অহেতুক লেখা

২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

২৭ জুলাই, ২০২১।

আজ ২৪ ডিসেম্বর, ২০২২।

বয়স হিসাবের ক্যালকুলেটর অংক কষে বের করলো ১ বছর ৪ মাস ২৮ দিন পার হয়েছে শেষ পোস্ট লিখেছি সামুতে।



কিছু একটা লিখতে ইচ্ছা হওয়াতে নতুন ব্লগের বাটনে ক্লিক করে লেখা শুরু করলাম কিন্তু এখন বিরক্তি লাগছে। বাংলাদেশের বর্তমানে জীবিত জনপ্রিয়তম ঔপন্যাসিককে একবার প্রশ্ন করেছিলাম লিখতে হলে কি লাগে। তার উত্তর ছিল, ধৈর্য। এ জিনিসের অস্তিত্ত্ব আমার জিনোমের মধ্যে আদৌ ছিলোও না, নেই আর হবে বলেও মনে হয় না। কিন্তু চেষ্টা কম ছিল না লেখক হওয়ার। কেন? কারণ মনে হতো, আরে ভালোই তো লিখি। অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী যেমনটা সবাইই জানে, তেমনি অল্পখ্যাতিও প্রলয়ঙ্করী। অতিদ্রুত লিটল ম্যাগ, সাহিত্য ম্যাগাজিন, পত্রিকায় নিজের নাম ছাপার অক্ষরে দেখে এমন মনে হতেই পারে আমিই সেই কাণ্ডারি যার কাঁধে উঠবে বাংলা সাহিত্যকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জোয়াল। কিন্তু সমাজ-সংসার এর জোয়াল যে হাট্টাকাট্টা ষাঁড়কে বলদ বানিয়ে দিতে পারে সে তো আর জানা ছিল না।

তবে লেখা আমার কাছে একটা হাঁফ ছেড়ে বাঁচার অংশ। গত প্রায় দুই বছর ধরে একটা দমবন্ধকর প্রতিষ্ঠানে অন্ধের মত শ্রম দিয়ে গিয়েছি, ও স্ময়ের আমাকে জীবিত বলতে বাধছে। তারপর আবার ভীমরতি বা সুমতি ও প্রস্থান-পর্ব চলমান। কেন যেন দুঃসময়েই প্রকৃত বন্ধুর কথা মনে পরে। আমার যেমন মনে পড়লো সামুর কথা, ব্লগের কথা। আরও সূক্ষ্মভাবে বলতে গেলে লেখার কথা।

ডিসেম্বর খুব মাহাত্ম্যপূর্ণ এক মাস। এ মাসে গায়ে একটা ভাব আসে, কাগজের ডায়েরি বা স্মার্টফোনের নোটপ্যাডে অনেক লম্বা লম্বা ফিরিস্তি লেখা হয় যাকে প্রমূখ বিশেষ ব্যাক্তিবর্গ রেজুলিউশন বলে থাকেন, এবং এর কোনোটাই কখনো সম্পন্ন না হওয়ার অমিত সম্ভাবনা নিয়ে অনেক আলোচনা-পর্যালোচনা অন্তর্জালে বিদ্যমান। আমি তাই সভয়ে এড়িয়ে চলি এমন তালিকা নির্মাণ। ধ্বংসে আমার সুখ্যাতি সুবিদিত, গড়তে নয়। তাও ভাবছি আবারও এক পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে সপ্তাহান্তে অন্তত একটি লেখা প্রসবান্তে ব্লগে ত্যাজ্য করে যাওয়ার যুগোপযোগী রেজুলিউশনটা কি এবার নিয়েই ফেলবো নাকি? ভোগে নয়, ত্যাগেই তো প্রকৃত সুখ!
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০২২ রাত ১২:৩৩
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫



সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

ফরাসি ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- Cherchez la femme। অর্থাৎ, ‘সেই মেয়েটিকে খোঁজ’।

ফরাসি লেখক আলেকজান্ডার ডুমা (Alexandre Dumas) ১৮৫৪ সালে তাঁর উপন্যাস Les Mohicans de Paris-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩



তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে-

বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন রহস্যের আরেক নাম। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইয়াংসান থেকে জুলাইয়ের নতুন বন্দোবস্ত

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৩৯



Youngsan সিউলের ভিতরে আমেরিকান একটি মিলিটারি বেইস। মিলিটারি বেইসের ভিতরে বার্গার কিং, KFC, Macdonald সব আছে। কোরিয়ান ভিতরে সামরিক ঘাঁটি হলে ও মিলিটারি বেইসের ভিতরে প্রধান কারেন্সি ইউএস ডলার।... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

DNA — ঈশ্বর এবং প্রশ্ন ?

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১২



১. ক্ষুধা
পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছিল, বাড়ছিল মানুষের খাদ্যচাহিদা; কিন্তু সীমিত জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে উঠছিল।
মানুষ নির্বাচিত প্রজনন ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এমন ব্রয়লার মুরগির জাত তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×