
সমস্যা তখনই শুরু হয় যখন আপনার ভিতরের এবং বাহিরের মানুষ দ্বন্দ্বের মধ্যে থাকবে। ফলে আপনি ভাবেন একটি কিন্তু করেন আরেকটি। এর ফলে আপনার মানুষিক চাপ তৈরি হতে পারে, যা আপনাকে অসুস্থতার দিকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে এমন কি মিত্যু। এছাড়াও আপনার দৈনন্দিন কাজকর্মও এর ফলে প্রভাবিত হতে পারে।
যেমন,অনেক সময় প্রিয়জন তার কাছের মানুষকে অনেক কিছু নিয়ে চাপ দেয়। দেখা যায় একটি বারও তার ইচ্ছে এবং মানুষিক বিপর্যয়ের কথা ভাবেনা। প্রিয়জনের মুখের দিকে তাকিয়ে সে মানুষটি নিজের মনের বিরুদ্ধে যাপিয়ে পড়েন উদ্দেশ্যে হাসিলের জন্য। এর ফলে কি হচ্ছে? ঘুষ, চুরি, ডাকাতি, চিন্তাই ইত্যাদির মত ঘটনা হচ্ছে।
আমাদের দেশে প্রতিবছর অনেক মেডিকেল শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা করে যার পিছনে একই ব্যপার ঘটে। দেখা গেলো শিক্ষার্থী চাই ইঞ্জিনিয়ার হতে কিন্তু বাবা-মায়ের ইচ্ছে ডাক্তার বানানো। এর ফলে অনেক সময় বাবা-মা জোর করে সন্তানকে মেডিকেলে পড়ানোর জন্য চাপ দেয়। কারণ তাদের বাবা-মায়ের কাছে সন্তান একটি শোপিস এর মত। যত ভালো ডাক্তার তত বড় দাম। কিন্তু একটি বার ও নিজের সন্তানের ইচ্ছে এবং মানুষিক বিপর্যয়ের কথা ভাবেনা। সন্তানরা মা-বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে নিজের মনের বিরুদ্ধে যাপিয়ে পড়ে ডাক্তার হবার উদ্দেশ্যে পরবর্তীতে তারা তাদের সমস্যার কথা বললেও বাবা-মা বলে "এতদিন পড়েছ, আরেকটু কষ্ট করো অথবা এত টাকা পয়সা নষ্ট হলো ইত্যাদি ইত্যাদি"। পরবর্তীতে দেখা যায় মূলত পরীক্ষায় ফল খারাপ ও পড়াশোনোর অতিরিক্ত চাপে তারা অনেকে আত্মহত্যার মত ভয়ংকর পথ বেছে নেয়।
এইরকম অনেক ব্যাপার আছে যা আপনি আমি রোজ সম্মুখীন হচ্ছি। বাহির থেকে আপনি একজন সফল ডাক্তার, ইঞ্জিয়ার, শিক্ষার্থী, স্বামী, স্ত্রী, প্রেমিক, প্রেমিকা, যাই হোন না কেন আপনার ভিতরে সবসময় একটি হাহাকার, শূন্যতা অনুভব করেন। দিনের শেষে আপনি নিজের ভিতরের ব্যথা নিরাময়ের জন্য এবং দ্রুত সমাধানের জন্য অনেক কিছুই করতে চান, যেমন ভিবিন্ন প্রকারের ড্রাগ নেওয়া, সম্পর্কের বিচ্ছেদ, নিজেকে আত্মগোপন রাখা এমনকি আত্মহত্যা।
কি করবেন?
**আপনার প্রিয়জনের(বাবা-মা, বন্ধু-বান্ধব, কলিগ) সাথে আপনার মনের কথাগুলো শেয়ার করতে পারেন।
**কোনো বিষয়ে আপনার ভিতরের অনুভূতি নিয়ে খুব অল্পসময় না ভেবে একটু সময় নিয়ে ভাবুন এবং দেখুন তা আপনার জন্য কতটুকু ভালো বা মন্দ। কাজটি করতে গিয়ে আপনি কেমন অনুভব করছেন তা জানাতে পারেন।
**অন্যের অনুভূতি এবং সমস্যা বুঝতে চেষ্টা করুন এবং তা নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করুন।
**দিনের শেষে আপনি যে পছন্দগুলি করছেন তা আপনার পরবর্তীতে ভাল লাগবে কিনা নিজেকে প্রশ্ন করুন।
** অন্যকে খুশি করতে হবে কিন্তু যা না হলেও চলবে এমন কোনো কাজ করার আগে ভাবুন।
যাই হোক আমি নিজের মত করে লিখেছি, এই ব্যাপারে আপনাদের অভিজ্ঞতা এবং উপদেশ স্বাদরে গ্রহণ করিবো এবং তা নতুন করে সংযোজন করবো। অগ্রীম ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৪:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


