শিক্ষাব্যবস্থাতে আমাদের দেশে বড় ধরনের পরিবর্তন আসা শুরু করে যথাসম্ভব ২০০৩ সালে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু ও কলেজে ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের মাধ্যমে .গ্রেডিং পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ গ্রেড প্রথম কয়েকবছর কম সংখ্যায় পেলেও বিগত কয়েকবছর যাবত এ সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে .ধরে নিলাম ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনাতে মনোযোগ বেড়েছে .পরবর্তীতে ইংরেজি ২য় পত্রে পুনরায় গ্রামার চালু করা হয় ২০০৭ এস এস সি ও ২০০৯ এইচ এস সি হতে। নিঃসন্দেহে খুবই ভাল একটি সূচনা পড়াশোনাতে।
এরপর থেকেই বিদেশী শিক্ষার আদলে সৃজনশীল শিক্ষার আবির্ভাব হয়। যা নিয়ে এখন পর্যন্ত শিক্ষক অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে .বিশেষ করে সাধারণ গনিত এবং ইংরেজি বিষয়ে। এই দুটি বিষয়ে যেখানে শিক্ষকদের ই প্রশ্নপত্র প্রনয়ণ এবং শিক্ষাদানে অনেক প্রতিকূলতা রয়েছে সেখানে শিক্ষার্থীদের নিকট এ দুটি মূর্তিমান আতঙ্ক হওয়াটাই স্বাভাবিক .
এরপর শিক্ষাব্যবস্থাতে যে ত্রুটি লক্ষ্য করা যায় তা হচ্ছে বোর্ড বইসমূহকে ঢেলে সাজানোর ব্যাপার .বিশেষ করে বিজ্ঞান বিভাগের বিষয়সমূহে চোখ বুলিয়ে নির্দ্বিধায় বলা যায় উচ্চতর শিক্কগার কিছু অনুচ্ছেদের যোগ হলেও ভুলে ভরা এসব বই এবং যথাযথ ব্যাখ্যাহীন এসব বই শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি বই ভাল কিছু করতে পারছে না।
সর্বশেষ যে বিষয়টিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন তা হল বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস বিষয়ে। এ ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেওয়া সিদ্ধান্ত অর্থাৎ" কোন বন্ধ ছাড়াই পাবলিক পরীক্ষা সমূহ অনুষ্ঠিত হবে" এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র মন্ত্রণালয়ের ব্যর্থতা ,মূর্খতা ই প্রকাশ করে না বরঞ্চ হাস্যরসের সৃষ্টি করে। এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় কার??শিক্ষার্থীদের? ???অবশ্যই নয়। তাহলে কেন তাদের উপর এ অন্যায় চালানো হবে। বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থাতে মন্ত্রণালয়ের নিজেদের ইচ্ছেমত সবকিছু ঢেলে সাজানো হয়েছে .তারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে গিয়ে একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে। একবার শিক্ষার্থীদের নিজেদের স্থানে তাদের কল্পনা করুক। নিজেদের কি অবস্থা হবে সে বিষয়ে ভালই জানা আছে।
পরিশেষে মন্ত্রণালয়ের শুভবুদ্ধির উদয় হোক। এটাই চাই্......

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




