somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যারা তান্ডব করেছে তারা একাত্তরের দোসর

০৯ ই মে, ২০১৩ ভোর ৬:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত ৫ মে শাপলাচত্বরে যারা তান্ডব নাটক তৈরি করেছে তারা একাত্তরের দোসর। নিরস্ত্র-নিরহ মানুষকে হত্যার সমস্ত আয়োজন করে তাদেরকেই দোষারূপ করা হয়। কিছু সংখ্যক মিডিয়া ও সরকারের উচ্চপর্যায়ের যৌথ প্রযোজনায় এই নাটক সাজানো হয়েছে। ঘুমন্ত মানুষকে হত্যা করেছিল ২৫ মার্চের কালো রাতে ১৯৭১ সালে। সেই একই কায়দায় সরকার নিজ জাতিগোষ্ঠীর উপর একই বর্বরতা প্রদর্শন করলো।

তারা নগরিতে এতো গাছ নিধন করলো কেবল মাত্র তান্ডব সাজানোর জন্য, মূলত তারা নিজেরাই এই নিধন যজ্ঞে হাত লাগিয়েছে একটি গণহত্যাকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেবার মানসে। তারা বইপত্র-দোকানপাঠে আগুন ধরিয়েছে কেবল মাত্র মানুষের আইওয়াস করে বোঝা, এই দেখো এদের আসল রূপ। মানুষ যদি সহিংস হয় তাহলে হঠাৎ করে হতে পারে না। এর জন্য দীর্ঘদিনের অভ্যাস্ততা লাগে। কেউ কোনো দিন বলতে পারবে না এইসব মাদ্রাসার ছাত্ররা কোনোদিন কোনো ন্যাক্কারজনক কাজে অংশ নিয়েছে।

বড় বেদনার কথা স্বৈরাচারী সরকারের আচরণ যেমনই হোক সংবাদ মাধ্যম সবসময়ই একটি মধ্যপন্থায় হলেও সত্য প্রকাশে তারা সচেষ্ট থাকে। কিন্তু সাংবাদিক নিজে যখন দলকানা হয়ে যান তখন সবকিছু অন্ধ হলেও প্রলয় বন্ধ হয় না। মানুষ সকল চক্রান্তকে অবিশ্বাসের চোখে দেখছে এটাই এখন তাদের মর্মপীড়ার কারণ।
আরো হাস্যকর একটি প্রেসি ব্রিফিং-এ রাতের আধারে সরকারের পেটোয়া বাহিনী বলেছে, এতো লোক মারা গেছে যারা বলছেন তাদের আত্মীয়স্বজন কোনো খবর নিচ্ছে না কেন? যাদের কোনো আত্মীয়স্বজন নেই, যাদের সকল অভিভাবক আল্লামা শফি, যাদের এতিম জীবনকে তিনি অভিভাবকত্ব নিয়ে ভরে তুলেছিলেন তাদের আর কে আত্মীয়স্বজন থাকবে যে যারা এসে খোজখবর নেবে? তার কি মনে একবারও প্রশ্ন জাগে না, যেসব লাশ মর্গে পড়ে আছে তাদের কোনো খুজ খবর নেবার মতো কোনো আত্মীয়স্বজন নেই একমাত্র শফি সাহেব ছাড়া? তারা শব্দ ও ভাষা দিয়ে তাদের মিথ্যাচারকে ঢাকার চেষ্টা করছেন। তারা কোনোভাবেই এই অন্যায় আর অত্যাচার শতমিথ্যাচারিতা দিয়েও ঢাকাতে পারবেন না। দলকানা সংবাদমাধ্যম ভাবছে সাধারণ মানুষ তাদের কথা বিশ্বাস করেন। আসলে এই সত্যটিকে বুঝতে তাদের হয়তো আরো কিছু সময় ব্যয় করতে হবে।

সব শেষে বলতে চাই : মজদুরের কান্না ব্যথা যাবে না।
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হযরত আলী (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) যুদ্ধে আল্লাহ হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) পক্ষে ছিলেন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:০৬



সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভুলে যেও

লিখেছেন জিনাত নাজিয়া, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:০১

" ভুলে যেও "

একটু একটু করে চলে যাচ্ছি গভীর অতলে,
ধীরে সুস্থে হাটি হাটি পা পা করে এগিয়ে যাচ্ছি
অনন্তকালের ঘরে।
যেখানে থাকতে হবে একাকি
নি:স্বীম আঁধারে।

ভালো থেক ফুল,পাখি, লতাপাতা,
ভালো থেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ আকাশ বলতে কিছু নেই

লিখেছেন সালমান মাহফুজ, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২

অনেক হয়েছে । আর না ।
সেই পরশু রাত থেকে । এক-দুই-পাঁচ-দশবার নয় । তিরাশিবার ! হ্যাঁ, তিরাশিবার ঈশিতার নাম্বারে ডায়াল করেও কোনো রেসপন্স পায় নি অলক ।
ওপাশ থেকে একটা নারীকণ্ঠ... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪১

স্মৃতিভুক বৈশাখী মেলা আর হালখাতা....

সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাঙালীর পহেলা বৈশাখ উদযাপন করার রীতিও বদলে গিয়েছে। অনেক ঐতিহ্য কালের গর্বে বিলীন হয়ে যাচ্ছে, আবার যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন রীতি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের এস,এম,ই খাতে উদ্ভাবনের বাধা ও সম্ভাবনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১০



বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (SME) খাত আজ দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই খাতের অনেক উদ্যোক্তা এখনো উদ্ভাবন বা ইনোভেশন গ্রহণে পিছিয়ে আছেন। গবেষণায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×