somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাথে চলা যায়,সমাজে নেয়া যায় না।

১০ ই মে, ২০১৭ রাত ১২:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শ্রদ্ধাভাজন এক প্রিয় বড় ভাই লন্ডনে থাকতে আমাকে প্রায়ই কারো ব্যাপারে কোন বিষয়ে রেগে গেলে বা কারো আচরণ দেখে অনেক সময় মজা করে বা রেগে বলতো আশরাফ ভাই এই সব মানুষের সাথে চলা যায় তবে এদের নিয়ে সমাজে চলা যায় না।কথাটা এক সময় ডায়লগ হয়ে গিয়েছিল।তখন কথাটা এতোটা অনুভব করতে না পারলেও এখন কিছুটা পারি।
আসলেই কিছু মানুষ আছে যাদের সাথে আপনি সঙ্গ দিতে পারেন,এক সাথে থাকতেও পারেন (বাধ্য হয়ে বা করুণা ভরে) কিন্তু তাদের নিয়ে সমাজে চলা সম্ভব না।কারণ সমাজে কিভাবে চলতে হয়,কিভাবে কথা বলতে হয় বা কিভাবে খেতে হয় তা তাদের বোধে পরে না।
ঘরে যেভাবে চলে সমাজেও ঠিক ওভাবেই চলে।কথার ব্যালেন্স এর অভাব,কোন কথা কোথায় বলতে হবে কাকে বলতে হবে,বলা ঠিক হবে কি না,বলার মত আমি উপযুক্ত কিনা কিংবা যেখানে বলতে চাচ্ছি সেখানে আমি কতটুকু পরিচিত অথবা আসলেই কি সেখানে আমার কথার গ্রহণযোগ্যতা আছে কিনা।এসব ভাবনা না ভেবেই অনেকেই সর্বত্র জ্ঞান বিতরণ আর খই ফোঁটাতে ব্যাস্ত।
সম্পূর্ণ অপরিচিত বা অধিক যোগ্যতা সম্পন্ন লোকদের সামনে বসে অনবরত কথা বলতে পারা আসলে কোন ব্যাক্তিত্ত সম্পন্ন লোকের কাজ না।শ্রোতা হওয়ার মধ্যে বরং বেশী ব্যাক্তিত্ত নিহিত।
আবার পোশাক পরিধানের ক্ষেত্রে দেখা গেলো গেঞ্জি পরিহিতদের ভীরে বিশাল টাই কোট পরে চলে আসা (বিশেষ প্রোগ্রামে গেস্ট দের জন্য ভিন্ন) কিংবা টাই কোটের জায়গায় চিরাচরিত ইস্ত্রি ছাড়া কাপড় আর এক জোড়া চটি নিয়ে হাজির।সব কিছুই যথেষ্ট বেমানান।
খাওয়ার বেলায় ও শব্দ করা,রাক্ষসের মত গিলতেই থাকা,অশালীন ভাবে খাওয়া এসব মানুষ নিয়েও সমাজে চলা মুশকিল।
খুব সিম্পল অথচ ব্যাপক তাৎপর্যপূর্ণ এই বিষয়গুলো।বেখেয়ালের চোটে এই বিশয়গুলুই ব্যাপক খেয়ালের আর পরিচয়ের বিষয় হয়ে দাড়ায়।যা অনেকেই কল্পনাই করতে পারে না।অথচ মাপকাঠি পরিমাপের জন্য এগুলোর ভূমিকা বিশাল।
সেনাবাহিনীতে আইএসএসবি তে পরীক্ষার সময় এই বিষয়গুলো খুব দারুণ ভাবে দেখা হয়।যারা সেখানে পরীক্ষা দিয়েছে তারা বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবে।কারণ একজন অফিসার শুধু মেধায় না ব্যাক্তিত্তের দিক থেকেও সেরা হতে হবে বলেই সেখানে এই বিষয়গুলোকেও গুরুত্ব দেয়া হয়।
বাস্তব জীবনেও তাই।
শুধু সঙ্গী হয়ে নয় সমাজে চলার মতও গুন থাকা দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মে, ২০১৭ রাত ১২:৩২
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×