খুব শান্ত শিষ্ট এক ভদ্র পরিবারের একটা মেয়ে বন্ধুদের সহচর্যে এসে নিজের চরিত্রকে নষ্ট করে ফেলেছে।শরীর বিক্রি করাকেই সে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে।পরিবারটিও যে খুব স্বচ্ছল তাও না,তবে পরিবারের বাকী সদস্যরা এ ঘটনা মোটেই মেনে নিচ্ছে না।শুরু হল মেয়েকে গালাগালি,বকা-বাদ্য।
তোর জন্য সমাজে মুখ দেখানোই দায়,তুই পরিবারের কলঙ্ক,তুই মরতে পারস না! তুই জাহান্নামী,পাপী ! সারাক্ষণ এই এর উপরই সংসার চলে।গালিগালাজ আর বকা,কান্না।
মেয়েটিও একবার যে পেশায় নাম লিখিয়ে ফেলেছে সে পেশাকে ত্যাগ করবে না,পাপ বা সমাজ তার পথ চলাকে দমিয়ে দিবে ! এমনটা না ভেবেই সে প্রতিদিন উন্নত থেকে উন্নত জাঁকজমকপূর্ণ করে নিজেকে সাজাচ্ছে আর ইনকাম করে যাচ্ছে।
বাবা-মা,ভাইবোন যাই বলুক সে দিকে তার থোড়াই কেয়ার।মাঝে মাঝে বিরক্ত হয়ে তাদেরকেও নানা কিছু বলে কিংবা ভাই বোনের সাথে মারামারিও করে কিন্তু সে তার ইনাকমের টাকা পয়সা সব পরিবারের পিছনেই ব্যায় করে।
পরিবারের সদস্যরাও টাকা নেয়,আয়েশ করে মুরগীর ঠ্যাং চিবোয় আর অন্যদিকে মেয়েটাকেও সারাক্ষণ গালি দেয়া,পাপী বলে ঘৃণা করা চালিয়ে যায়।
“মাছ খায় না,মাছের ঝোলের মত অবস্থা” -
যাই হউক — মূল কাহিনী এটা যেন বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি আর তার জোট তথা বিরোধী দলের ক্ষেত্রে।অবশ্য তারা আর বিরোধী দলের কিছু না বরং সরকারের আদুরে লেজ বিরোধী দলের আসন অলংকৃত কিংবা কলঙ্কিত করেছে।সুতারাং তারা বৃহৎ কিন্তু লেজকাটা নির্বংশের মত একটা জোট হয়ে যাচ্ছে।
অবৈধ সরকার বলে মুখে ফেনা তুললেও কিন্তু খুব মোলায়েম কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রীকে ডাকে,
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী”।আবার দিনের আলোর মত স্পষ্ট অবৈধ নির্বাচন ও সংসদ হলেও সেখানে নিজের দলের লোকদের পাঠিয়ে সেখানে গভীর মাখামাখি।কেউ কেউ ফ্ল্যাট নেয়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ করে তো আরও সৌন্দর্যমণ্ডিত করেছে সংসদের পদকে।আবার অবৈধ সরকারের উপ নির্বাচনে অংশগ্রহণ ও তাদের কাছে বড়ই ট্যাঁশ।
সর্বশেষ ঢাকা সিটি কর্পরেশনের নির্বাচন দেখে তাদের জিহ্বার লালা পড়া শুরু হয়ে গেছে।ব্যাস দুই প্রার্থী ঠেলে দিয়েছে।ধারনা করা হচ্ছে সকল ঘটনাই সেইপুরনো কাসুন্দির মতই হবে হয়তো।তবুও গণতন্ত্রের সস্তা খাওয়া নাই এরকম বুলি দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেই যাচ্ছে,আর সরকারকে সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে দিয়েই অবৈধ বলে মুখের ফেনা তুলছে।
আসলে বিএনপি ও জোট কি যে চায় আর মুখে কি যে বলে তা দেখে মূলত বুঝাই দায় এটা মুখনিঃসৃত নাকি পশ্চাদ অংশ হতে! ঝোল খাচ্ছে কাড়াকাড়ি করে মাছের চৌদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে। সেলুকাস !
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ২:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



