প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ১৬ বছরের শাসনামলে কখনো ডক্টর,কখনো মমতাময়ী মা,কখনো গনতন্রের মানসকন্যা কিংবা কখনো বিশ্বের ২ নাম্বার প্রধানমন্ত্রী অথবা ২ নাম্বার সৎ ব্যাক্তি হিসেবে আবির্ভূত বা ভূষিত হয়েছেন।নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে নোবেলের জন্য প্রায় মনোনীত হয়েছিলেন।অবশ্য তিনি বরাবর বলেছেন নোবেলের দিকে উনার কোন লোভ নেই।*
জীবন সায়াহ্নে চলে এসেছেন তিনি।বঙ্গবন্ধু কন্যা তিনি।পুরো দেশটা উনি বঙ্গবন্ধু এবং উনার নামে মোটামুটি ওয়াকফ করে নিয়েছেন।কিন্তু এতে কি আসলে উনার চরিত্র বঙ্গবন্ধুর মত বেঁচে থাকবে?
ইতিহাস হয়তো পরবর্তী সময়ে উনাকে ভিলেন বানিয়ে ফেলতে পারেন।আবার সাধারণ ভাবে ভাবলেও শুধু একজন ক্ষমতাধর প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই থেকে যাবেন।এতে করে বঙ্গের বন্ধু বা এরকম কোন অবিসংবাদিত কোন ডেজিগনেশন হয়তো উনার থাকবে না।
এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি কাজ করতে পারেন।পুতুল অথবা জয়কে দিয়ে কোন উপনির্বাচন করাতে পারেন এবং সংসদে আনতে পারেন।নিজে পদত্যাগ করে দল থেকেও পদত্যাগ করার মাধ্যমে রাজনীতি থেকে অবসর গ্রহণ করার একটা প্রচ্ছন্ন মিডিয়া ট্রায়াল হুমকি দিতে পারেন।
তারপর একদল জনগণকে ঢাকা শহরে কান্না জর্জরিত অবয়বে শাহবাগে জড়ো করে “মা-রাণী” মঞ্চ করে দিয়ে এক বিশাল আন্দোলন জমিয়ে দিতে পারেন।মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ দিয়েও এটা শুরু হতে পারতো কিন্তু দলটি বিতর্কে জড়িয়ে গেছে এবং আওয়ামীলীগের সরাসরি সংশ্লিষ্ট একটি দল বলে ইতিমধ্যে জনগণ জেনে গিয়েছে।তাই এই দলকে দিয়ে না করিয়ে জনগণকে দিয়ে করিয়ে তারপর এখানে সংহতি প্রকাশ করবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক জোট,দান খয়রাত ও ভিক্ষা করা বাম বিভিন্ন দল,উঁচু গলার কতিপয় হুজুর,মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ,ছাত্রলীগ ও যুবলীগ এবং শেষমেশ সরাসরি আওয়ামীলীগ।
পরগাছা জাতীয় পার্টি সবার শেষে এসে বলবে সরকারের অনেকেই দুর্নীতিগ্রস্থ একথা সত্য তবে উনি আল্লাহ্র ওলি তাই আমরাও এই আন্দোলন কে সমর্থন করছি।
ওহ হা,কি সেই আন্দোলন !
“মা তুমি যেতে পারবে না,তোমাকে যেতে দিবো না,তুমি যেতে হলে আমাদের বুকের উপর দিয়ে যেতে হবে,আমরা তোমাকে আমাদের রাণী করে রাখতে চাই,যেখানে তুমি আজীবন আমাদের ছায়া হয়ে ইংল্যান্ডের রাণীর মত আমাদের হয়ে থাকবে”
প্রস্তাবঃ “মা- রাণী” শেখ হাসিনা।
প্রবল আন্দোলনের মুখে জরুরী সংসদ অধিবেশ ডাকা হবে,বিল উত্থাপন ও পাশ এবং অনুমোদন পাবে।আজীবন রাণীর মর্যাদায় উনি থাকবেন।পুতুল প্রধানমন্ত্রী হবেন,রাণী শাসিত গণতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা ক্ষমতা চলতেই থাকবে।
ইতিমধ্যে পুতুল ঝানু হয়ে গেলে উনি বিদায় নিলেও শান্তি আর শান্তি বইতেই থাকবে এই জনপদে।
একটা কাল্পনিক কিন্তু ভেবে দেখার মত প্রস্তাব দিয়ে লিখাটা শেষ করার আগে একটা ছোট্ট সত্য চুটকি বলে লিখাটা শেষ করছি।
এক এলাকায় এক বাড়িতে পিঠা বানানো হয়েছে।পাশের বাড়ির ছেলেটা ৩/৪ বার পিঠা আনতে গেলেও পিঠা দেয় নি।তারপর ছেলেটা বলতেছি ৩/৪ বার গেলাম পিঠা দিলো না,আরেকবার যাচ্ছি,দিলে দিবে না দিলে নাই,পিঠার প্রতি আমার কোন লোভ নাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৪:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



