চলচ্চিত্র কখনো মানুষকে বদলায় না। কারন মানুষ চলচ্চিত্র বানায়, চলচ্চিত্র মানুষ বানায় না। তাহলে আত্মহত্যা বিরোধী মেসেজ নিয়ে নির্মিত ছবি ছিচোরের নায়ক সুশান্ত আত্মহত্যা করতেন না। যে চলচ্চিত্র এর মূল চরত্রের দৃষ্টভঙ্গি বদলায় না সেটা দর্শকদের কতটা সচেতন করবে সেই প্রশ্ন রাখাই যায়।
অনেকেই বলেন নাটক সমাজের দর্পন। এটাও ঠিক না। নাট্যকারের দৃষ্টিতে সমাজ যেমন তিনি নাটকে তেমন করেই তুলে ধরেন। দর্শকও সেখান থেকে নিজের পছন্দের বিনোদনটুকু নিয়ে নেন। তাইতো বেড সিন এলে কেউ ফরোয়ার্ড করেন কেউ রিওয়াইন্ড করে বারবার দেখেন। অতএব ওয়েব সিরিজ দেখে সমাজ গোল্লায় যাবে আর বড় ছেলে দেখলে সবাই দ্বায়িত্ববান হবে ভাবলে ভুল করবো আমরা। চলচ্চিত্র নির্মাণকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দেশেও অহরহ ধর্ষন হয়। আবার পর্ণগ্রাফি বৈধ এমন দেশ বিশ্বে সবচেয়ে কম ধর্ষণপ্রবন দেশের তালিকার উপরের দিকেই আছে।
আসলে সমাজ নিয়ন্ত্রণে দরকার কঠোর আইনের শাসন। সেটাতেই মননিবেশ করা ভালো, চলচ্চিত্র নিয়ন্ত্রণে নয়। কারন দেশের নির্মাতাদের থামালেও মুক্ত আকাশে উড়ে আসা গায়তোন্ডেরা ঠিকই ঘরে ঘরে ঢুকে যাচ্ছে। নেটফ্লিক্স বছরে ২০০ কোটি টাকা কি দেখিয়ে নিয়ে যাচ্ছে ভেবেছেন কখনো? এগুলো বন্ধ করার বিষয়ে মুখ খুলুন আগে।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০২০ বিকাল ৩:৪৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




