উপরের এই কথাগুলো পড়ে আমার ভিতর কিছু প্রশ্নের উত্তর খুজতে থাকি কিছু পাই আর কিছু পাইনা। যা পেলাম তা অনকে নির্মম মনে হলো আমার কাছ। কঠিন বাস্তবতার পথ যারা ইতমিধ্যে পরেয়িয়ে এসেছেন, তারা হয়তো আমার ভাবনার, প্রশ্নের উত্তর এক কথায় দিয়ে দিবেন।
অলংকার, তবে যাদের পশু হৃদয় ও বিবেকহীন তাদের কাছে এই অলংকার প্রদর্শিত কিংবা অপ্রদর্শিত এটাতে কিছু এসে যায়না। যেমন বলি আমার দেখো তিক্ত অভজ্ঞিতা- কিছু বাসের হেলপার বা গেইটম্যানের কাছে এই অলংকারের স্বাদ গ্রহণ একটা মজাদার বষিয়। তবে প্রকৃত ভদ্র মানুষের সংখ্যা আমাদের আশে-পাশে কম নয়। এরা আছে নারীতে আছে, এরা পুরুষে আছে।
আর একটা কথা শোনা যায় আমরা নারীকে ’পণ্য’ বানিয়ে ফেলছি। আসলে নারী পণ্যের ভিড়ে, পণ্যের প্রচারে সে তার অস্তিত্বকে-নারীত্বকে পণ্যের ন্যায় উপস্থাপনে ব্যস্ত থাকছে। এক্ষেত্রে পুরুষই দায়ী। আমার মতে- নারী সে তো পুরুষের ষড়যন্ত্রের শিকার। আর নারীর নীরবতা, এই লোলুপ ষড়যন্ত্রকে আরো উৎসাহিত করছে। যা বর্তমানে সুন্দরী বা ফ্যাশন প্রতিযোগীতায় ষড়যন্ত্রের শক্ত ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছে।
তার মননে গেঁথে দেওয়া হচ্ছে সৌন্দর্য্যই শক্তি। সে ভুলে যাচ্ছে জ্ঞান-ই শক্তি। তাকে সৌন্দর্য্যরে মাপকাঠিতে বলা হচ্ছে ‘হোয়াইট বিউটি’ ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে শুধু সাদা হবো মনোভাব। মনের সাদা হারিয়ে যাক কোন ক্ষতি নেই। আফসোস হবে, যদি তোমার উপরি সাদা না থাকে। এটাই নারীর ষড়যন্ত্রের কবলে পড়ে মানসিকভাবে অপদস্ত হওয়ার একটা উদাহরণ হতে পারে।
মোবাইল নিয়ে তেমন কিছু বলতে পারবোনা। তবে আমার কাছে মোবাইলকে সূর্যের মতো মনে হয়। আলো দেয়, পথ দেখায়, আবার তরল যা কিছু পায় তা বাস্প করে দেয়। মোবাইলও যেন ঠিক তা-ই। বিবেকের জ্বালানীকে শোষণ করে নেয়। বর্তমানে মোবাইলে ভিডিও ধারণ অনেক নারী-পুরুষের বিবেকের আতœহত্যার খবর দিচ্ছে। পুরুষের আবেগ-অনুভূতির কাছে বশীভূত হয়ে যৌনতার স্বাদ গ্রহণে সম্মতি ও অবশেষে রক্তক্ষরণ, হোক সেটা মানসিক বা দৈহিক! ভিডিও ধারণ হোক সেটা গোপনে বা দু-চোখের সামনে বিবেককে ছুটিতে রেখে। সবই দূর্বল চিত্তের পুরুষের একখন্ড মাংসের ঘুম ভেঙ্গে উষ্ণতার স্বাদ গ্রহণ ও অবশেষে স্পর্শের চুপিচুপি ধীর পথ চলা। এসবই পুরুষের ষড়যন্ত্র ও কৌশলের এক নৃশংস অধ্যায়। তা-ও যদি আবার- আপুরা, নারীরা, ও এদেশের মেয়েরা বুঝতো! তারা কি অবুঝ? নাকি বুঝেও-বুঝেনা?
লেখক : রিয়াদ,

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


