"আমিরাতের প্রথম নারী ব্যান্ড ‘র্যানডম স্টারস’" ব্যান্ডের সদস্য মোট ৫ জন এবং তারা সবাই নারী। সদস্যরা প্রত্যেকেই আরব আমিরাতে আল আইনে অবস্থিত হাইয়ার কলেজ অব টেকনোলজির শিক্ষার্থী। অনেক দিনের নিয়ম ভেঙে গত মঙ্গলবার তারা কলেজের আর্ট এক্সিবিসন অনুষ্ঠানে রক গান গেয়ে মুগ্ধ করে দিয়েছে সবাইকে।"
আমিরাতের প্রথম নারী ব্যান্ড ‘র্যানডম স্টারস’
কুরানে যা আছে:"...... إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلَا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ" "যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না"। (Al-Ahzaab: 32)
"এখন চিন্তার বিষয় হচ্ছে যে দীন নারীকে ভিন্ন পুরুষের সাথে কোমল স্বরে কথা বলার অনুমতি দেয় না এবং পুরুষদের সাথে অপ্রয়োজনে কথা বলতেও তাদেরকে নিষেধ করে, সে কি কখনো নারীর মঞ্চে এসে নাচগান করা, বাজনা বাজানো ও রঙ্গরস করা পছন্দ করতে পারে৷ সে কি রেডিও-টেলিভিশনে নারীদের প্রেমের গান গেয়ে এবং সুমিষ্ট স্বরে অশ্লিল রচনা শুনিয়ে লোকদের আবেগকে উত্তেজিত করার অনুমতি দিতে পারে৷ নারীরা নাটকে কখনো কারো স্ত্রীর এবং কখনো কারো প্রেমিকার অভিনয় করবে, এটাকে কি সে বৈধ করতে পারে৷ অথবা তাদেরক বিমানবালা (Air-hostess) করা হবে এবং বিশষভাবে যাত্রীদের মন ভোলাবার প্রশিক্ষণ দেয়া হবে, কিংবা ক্লাবে, সামাজিক উৎসবে ও নারী-পুরুষের মিশ্র অনুষ্ঠানে তারা চমকপ্রদ সাজ-সজ্জা করে আসবে এবং পুরুষদের সাথে অবাধে মিলেমিশে কথাবার্তা ও ঠাট্টা-তামাসা করবে, এসবকে কি সে বৈধ বলবে৷ এ সংস্কৃতি উদ্ভাবন করা হয়েছে কোন কুরআন থেকে৷ আল্লাহর নাযিল করা কুরআন তো সবার সামনে আছে। সেখানে কোথাও যদি এ সংস্কৃতির অবকাশ দেখা যায় তাহলে সেখানটা চিহ্নিত করা হোক।" (তাফহীমূল কুরান, সূরা আহযাব, ৪৭ নং টীকা)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


