somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জলপরী সুমির গল্প

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সুমি মনে ভয়টা আস্তে আস্তে বাড়ছেই । আস্তে আস্তে বাসটা এগিয়ে যাচ্ছে আর সুমির মনের ভয়টা উকি দিচ্ছে । যখন অপু বাসে উঠবে আর ওর পাশ দিয়ে যাবে একথাটা ভাবতেই সুমির হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে ।
ভয় পাবার মুল কারন হচ্ছে এবার ওর ভাইয়ার সাথে সাথে ওর ভাবীও যাচ্ছে । আর ভাবী অপুকে খুব ভাল করে চেনে । যদি একবার দেখে ফেলে তাহলে যে কি হবে কে জানে !!
আর অপুটাও না হয়েছে একটা । প্রতিবার তার যাওয়া চাই ই চাই । কেন বাবা, ঢাকায় গেলেতো এমনিতেই দেখা হত ! এক সাথে বাসে করে যাওয়ার কি দরকার !
কিন্তু না ।
অপুর সেই এক কথা ! আমার জলপরীরটার সাথে আমি যাবোই ।
কেবল এক সাথে যাবার জন্যই অপু গতকাল ঢাকা থেকে এখানে এসেছে । এর কোন মানে হয় ? কিন্তু ঐ পাগলটার কথা আর কি বলবে সুমি !! অপু কি কিছু শোনে !!
গতবারের কথা ওর খুব ভাল করে মনে আছে । গতবার কেবল সুমির ভাইয়া ছিল তাই সুমি খুব বেশি চিন্তিত ছিল না । মেইনরোডের পাশেই ওদের বাড়ি । তাই অপু সাধারনত বাসা থেকে বাসে ওঠে ।
গতবার যখন বাস থামলো ওদের বাড়ির সামনে সুমির বুকটা কেমন ধুকধুক করছিল । যদিও ভাইয়া অপুকে চেনে না তবুও একটু ভয়তো করতেই লাগল ।
কিন্তু অপুর এসব ভয়ডর কিছুই নাই । কি চমৎ‍কার হাসি মুখে বাসে উঠল । বসল একদম ওদের বরাবর সিটে । যেন কিছু হয় নি এমন একটা ভাব । সুমি কেমন একটা দম বন্ধ করা অবস্থা । যদি ভাইয়া কোন ভাবে টের পেয়ে যেত !
কিন্তু আজকে পরিস্থিতি একে বারে ভিন্ন । সুমির ভাবি আজ পাশে আছে । অপু যখন বাসে উঠবে অথবা পাশ দিয়ে যাবে তখন ভাবি যখন ওকে দেখবে তখন কি যে হবে !
সুমি আল্লাহকে ডাকতে লাগল । একমাত্র আল্লাহই এই বিপদ থেকে মুক্তি দিতে পারে । গতবার যখন বাসটা অপু দের বাড়ির সামনে দাড়িয়েছিল সুমির বুকের ভিতরটা কেমন উত্তেজনায় লাফাচ্ছিল । আজও ঐ রকম পরিস্থিতির জন্য সুমি অপেক্ষা করতে লাগল ।
কিন্তু বাসটা অপুদের বাসার সামনে থামল না । সুমি প্রথমে কিছু বুঝতে পারল না যে কেন গাড়িটা থামল না । তাহলে কি অপু বাস মিস করল ?
সুমি মনের মধ্যে কেমন একটা কষ্টের অনুভব হল । মনে হল সুমি যেন ওর খুব কাছের কিছু ফেলে যাচ্ছে । ওর খুব কান্না আসতে লাগল । কি অদ্ভুদ মানুষের মন !! একটু আগেই অপু বাসে উঠবে বলে সুমির ভয় লাগছিল ! আর এখন ?
এখন যখন অপু বাসে উঠল না, বাস মিস করলো, সুমি অপুর জন্য কান্না আসতে লাগলো !! অপু কত শখ করে কত কষ্ট করে কাল ঢাকা থেকে এসেছে কেবল মাত্র সুমির সাথে এক সাথে ঢাকায় যাবে । আর ও যেতে পারলো না !!
- কি হয়েছে তোর ?
ভাইয়ার কথায় সুমি বাস্তবে ফিরে এল !
-কি বললে ?
সুমির বড় ভাই সুমন বলল
-বললাম, কি হয়েছে? চোখমুখ এমন লাগছে কেন ? বমি আসছে নাকি?
-না ! এমন কিছু না । কেমন জানি লাগছে !
সুমি অন্য দিকে মুখ ফেরায় ! ও রআর কিছি ভাল লাগছে না ।
মানুষের মনটা কত অদ্ভুদ !
একটু আগে সুমির মনে এই ভয়টা ছিল যে অপু যখন গাড়িতে উঠবে তখন কি হবে ? মনে মনে ভয় পাচ্ছিল ! আল্লাহর কাছে দোয়া চাচ্ছিল । আর এখন যখন অপু গাড়িতে উঠলা না তখন ওর খারাপ লাগছে ! কান্না আচ্ছে ! বারবার মনে হচ্ছে অপু কেন উঠলা না??
অপু কত শখ করেই না এসেছিল ওর সাথে আবার যাবে বলে ! আসলে যতই ভয় লাগুক না কেন সুমির নিজেও ব্যাপারটা কিন্তু ভাল লাগে !
অপু আসে পাশে আছে এটা ভাবতেই ওর মনটা ভাল হয়ে যায় ! ভাইয়ার জন্য একটু ভয় অবশ্য লাগে কিন্তু লুকিয়ে লুকিয়ে, ভাইয়ার চোখ এড়িয়ে অপুর দিকে তাকানোর অনুভুতি আসলেই অসাধারন ।
কিন্তু এইবার !!
অপুকে কি একবার ফোন দিবে ?
না ভাবি পাশে আসে ! বুঝে ফেলতে পারে !
আর এই ভাবিটাও না হয়েছে একটা !! সব সময় ওর পেছনেই কেবল লেগে থাকে !!
থাক যখন ফেরিতে ভাইয়া আর ভাবি নামবে তখন না হয় অপুকে একটা ফোন দেওয়া যাবে !
সুমির মনটা খারাপ হয় কিন্তু কি আর করবে ?
সব দিন তো এক রকম যায় না !!
ফেরি পর্যন্ত সুমি আর কোন কথা বলল না । চোখ বন্ধ করে থাকলো !! ও আর কিছি ভাল লাগছে না ! বারবার কেবল অপু কথাই মেন পড়ছে ।
ওর মত অপুও নিশ্চই খুব মন খারাপ করবে !
করবে কি করছে নিশ্চই !!

ফেরিতে ওর ভাইয়া আর ভাবি নেমে গেল । সুমি কে বলল নামার জন্য কিন্তু সুমি নামতে চাইলো না । সিটের মধ্যে হেলান দিয়েই শুয়ে রইল ।
ভাইয়া ভাবি নেমে গেলে সুমি মোবাইলটা বের করে আনলো । অপুর নাম্বারে ফোন দিতে যাবে ঠিক তখনই শুনতে পেল
-আমার জলপরীটা কি করে?
কি ব্যাপার !! সুমি প্রথমে ঠিক মত বুঝতে পারলো না । মোবাইল স্ক্রীনের দিকে ভাল করে তাকালো ! এখনও অপু ফোন রিসিভ করে নি তার আগেই ও অপুর কন্ঠ কিভাবে শুনতে পেল ??
এই কথা ভাবতে ভাবতেই অপু এসে হাজির ! হাসি মুখে ওর দিকে তাকিয়ে আছে ওর দিকে !
-তুমি.........??
সুমি নিজের চোখকে ঠিক বিশ্বাস করতে পারছে না , অপু কিভাবে এল এখানে ??
কিভাবে এল?
সুমি তো ওকে গাড়িতে উঠতে দেখেনি !!
তাহল কি ও স্বপ্ন দেখছে !!
সুমির মনে হল ও স্বপ্নই দেখছে ! গাড়ির সিটে হেলান দিয়ে শুয়ে ছিল ! ঘুম চলে এসেছে । আর সেখান থেকেই স্বপ্ন দেখছে !!
যাক !!
বাস্তবে না হোক স্বপ্নে তো অপুকে একটু দেখা গেল ।
-এই এভাবে তাকিয়ে আছো কেন ? আমাকে এর আগে দেখনি??
সুমি আবার কনফিউজ হয়ে গেল । যদি স্বপ্নই দেখবে তাহলে অপু কথা এতো স্পষ্ট কেন মনে হচ্ছে ?
অপুকে এর আগেও ও স্বপ্নে দেখেছে ! এতো স্পষ্ট তপ কোনদিন মনে হয় হয়নি?
সুমি ক্ষীণ কণ্ঠে বলল
-সত্যি কি তুমি ?
অপু হেসে বলল
-মানে কি বলছো তুমি ? আমি সত্যি কি না .....
-না মানে আমার মনে হচ্ছে আমি স্বপ্ন দেখছি !
অপু এবার আরো জোরে হেসে উঠল । বলল
-আমার হাত ধরে দেখ । বিশ্বাস না হলে গায়ে চিমটি কেটে দেখো ।
সুমি অপুর হাত ধরে চিমটি কাটলো
-আরে আমার গায়ে চিমটি কাটছো কেন ? নিজের গায়ে চিকটি কাটো ?
-সত্যি তুমি ?
-হ্যা আমি বাবা ! আমি ছাড়া আর কে হবে ?
- কিন্তু আমিতো তোমাকে উঠতে দেখলাম না ।
-আরে তোমার কি মাথা খারাপ ? তোমার ভাবি ছিল না ! বাসা থেকে উঠলে তো সর্ব্বনাশ হয়ে যেত । তাই আমি বাস টার্মিনাল থেকেই উঠেছি !
সুমি একটু হাসলো ! আসলেই তো অপুর মাথায় নিশ্চই এটা ছিল । এতক্ষন ও খামোখা মন খারাপ করেছে । সুমি বলল
-তুমি আমাকে আগে থেকে একটু জানাবা না? আমি ভাবলাম তুমি গাড়ি মিস করেছ ।
-আমি কি গাড়ি মিস করতে পারি বল? আমার ছোট্ট জলপরীটা যে গাড়িতে করে যাচ্ছে আমি কিভাবে সেই গাড়ি মিস করি বল?
সুমি মনটা আরো ভালো হয়ে গেল !
অপুর মুখ থেকে এই আদরের ডাক টা ওর খুব ভাল লাগে !
অপু বলল
-চল নিচে চল !!
-তোমার কি মাথা খারাপ ! ভাইয়া আর ভাবি নিচে গেছে ! যদি দেখা হয়ে যায় ?
-আরে চলতো ! আমি দেখছি !!
সুমি ভয়ে ভয়ে অপুর সাথে নিচে নামলো । কি আশ্চার্য এখন আবার সেই ভয়টা ফিরে এসেছের ! যদি ভাইয়া দেখে ফেলে ??
সুমি ভেবেছিল অপু ওকে উপরে নিয়ে যাবে কিন্তু অপু ওকে ফেরীর ইন্জিন রুমের দিকে নিয়ে গেল ।
-এদিকে কেন ?
-আর আসো না ?
সুমি ভেবেছিল কোথায় না কোথায় নিয়ে যাচ্ছে ওকে ! আর কি আওয়াজ । কিন্তু একটু পর সুমিকে অবাক হতে হয় যখন অপু ওকে একটা এসি রুমের মধ্যে নিয়ে গেল । ফেরীতে যে এমন এসি রুম থাকতে পারে ওর ধারনাই ছিল না !
অপু বলল
-এটা হলল ভিভিআইপি কেবিন !! আমার জলপরীটার জন্য । একখানে তোমযর ভাইয়া আমাদের খুজে পাবে না ।
সত্যি পাবে না ।
একটু পর একটা লোক আসল ভিতরে । ওয়েটারহবে হয়তো ।
-কি খাবেন স্যার ?
অপু খাবারের অর্ডার দিল ।
সুমির আসলেই মনটা খুব ভাল হয়ে গেল । এই ছেলেটা ওর জন্য কি না করে !! কেবল একটুকু পাশে থাকার জন্য অপু সম্ভব সকল কিছু করে ! এখানকার ভারা নিশ্চই অনেক ! এতো গুলো টাকা নষ্ট করলো !
ওরা যখন কেবিন থেকে বের হল তখন ফেরি প্রার চলে এসেছে ! কিন্তু ঝামেলা বাঁধলো অন্য খানে !
গাড়িতে উঠতে গিয়ে সুমি দেখলো যে ওর ভাইয়া আর ভাবি আরো আগেই চলে এসেছে !
সুমি নিচে নেমে বলল
-ভাবিতো বসে আসে ?
- কি বল ? এখন ? এস আর একটু আগে আসা উচিৎ ছিল ।
সুমির আবার ভরে বুকের ভিতরটা কেমন ধুক ধুক করা শুরু করলো ।
-এখন কি করবা ?
-আচ্ছা, শোন
অপু বলল
-তুমি এখ তোমার ভাবির কাছে যাবে । গিয়ে ওকে নিয়ে নিচে আসবে ! ভাইয়া জিজ্ঞেস করলে বলবা যে একটা জিনিস কিনবে ! ঠিক আছে ?
-যদি না আসে ?
-আরে জোর করে নিয়ে আসবে !
সুমি কে দেখে সুমির ভাইয়া বলল
-কিরে তুই কোথায় ছিলি ?
-এইতো ভাইয়া বা্থরুমে গেছিলাম । এই অন্তু চলতো নিচে !
সুমির ভাবির নাম অন্তু ! সুমির প্রায় সমবয়সী ।
-কেন ? ভাইয়া জানতে চাইল ।
-একটা জিনিস কিনবো !! আয় জলদি আয় ।
অন্তু কে নিয়ে নেমে গেলে অপু চট করে বাসে উঠে পড়ল !!

যাত্রা শুরুর দিকে সুমির মনটা যেমন খারাপ ছিল ফেরি পারাপারের পর মন টা তার থেকেও ভাল হয়ে গেল । ভাইয়া কেবল জানতে চাইল
-কি রে তোর প্রথমে খুব খারাপ লাগছিল ! এখন এতো খুশি কেন ?
সুমি কেবল একটু হাসলো । কিছু বলল না !! কেন যে খুশি সে তো কেবল সুমি ই জানে !!
কিন্তু সুমি তো আর সেই কথা বলতে পারছে না। কেবল হাসতেই পারছে ।




আমার কথাঃ আমার একটা ফেসবুক ফ্রেন্ড আছে । সুমি নাম ওর । ফেসবুকে ওর আইডিটা জলপরী সুমি নামে খোলা ! একদিন ওর সাথে চ্যাটিং করছিলাম ও আমাকে বলল যে ওর নাম দিয়ে একটা গল্প লিখতে ! সেই দিনই গল্পের অর্ধেকটা লিখে ফেলেছিলাম । তারপর অনেকদিন লেখাটাতে হাত দেওয়া হয় নি । আজ শেষ করলাম ! লেখাটা তার জন্য !!
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৪৮
২২টি মন্তব্য ২২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিলে মানুষের সুদৃষ্টি বা কুদৃষ্টি দ্রুত পড়ে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:৫৩

আমি এখন পর্যন্ত ৮৯ টা পোস্ট করেছি। আরও দুই-চারটা হয়তো করেছিলাম কিন্তু এখন সরিয়ে ফেলেছি। আমি নিজের পোস্টের বিষয়বস্তু নিয়ে একটা হিসাব নিকাশ করে নীচের তথ্য পেলাম।

সাহিত্য, সঙ্গীত, কাব্য, সিনেমা... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:২০



স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবার সহ সকল শহীদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া প্রার্থনা।

সামহোয়্যারইন ব্লগ ও সকল ব্লগারবৃন্দের পক্ষে,



ঠাকুরমাহমুদ
ঢাকা, বাংলাদেশ
১৫ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অমিয় বাণী সমগ্র।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:৪৪



পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনের বাংলাদেশকে বেহেশতের সঙ্গে তুলনা, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধির পরও ফসল উৎপাদনের ওপর প্রভাব না পড়ার দাবি, প্রত্যেক মানুষের গায়ে জামা-কাপড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগেও একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে অসন্মান করা হয়!!!!

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৩২



প্রচন্ড ব্যস্ততা এবং আরো কিছু কারনে গত বেশ কয়েকদিন ব্লগে আসা হচ্ছে না। আরো বেশ কয়েকটা দিন আসার মতো অবস্থায়ও নাই আমি। তারপরেও একটা পোষ্ট আর তার কমেন্টগুলোতে চোখ আটকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভ, ক্রোধ, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ৮:০২

লোভ, ক্রোধ, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকি.....

নবারুণ ভট্টাচার্যের একটা কবিতার কয়েকটি লাইনঃ-

“আজ্ঞাবহ দাস, ওরে আজ্ঞাবহ দাস
সারা জীবন বাঁধলি আঁটি,
ছিঁড়লি বালের ঘাস,
আজ্ঞাবহ দাসমহাশয়, আজ্ঞাবহ দাস!
যতই তাকাস আড়ে আড়ে,
হঠাৎ এসে ঢুকবে গাঁড়ে,
বাম্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×