somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লাইশা অথবা কিছু কষ্টের কথা !!

০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


লাইশার সাথে আমার পরিচয় আমার বিপর্যয়ের সময় ! আমি যখন আস্তে আস্তে নিজেকে হারাতে শুরু করেছি, যখন জীবনের কাছে পরাজিত হতে শুরু করেছি ঠিক তখন !
যখন আমি বেচে থাকা খুটি হারিয়ে নিচে পরতে যাবো ঠিক তখনই লাইশা আমার দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলল
-আমার বন্ধু হবে ?
আমি সেদিনকার সেই ইমেইলটা এখনও দেখি !
মাত্র দুলাইনের একটা মেইল । আমি খানিকক্ষন কেবল অবাক হয়ে তাকিয়ে ছিলাম মেইলটার দিকে !
এমন ছোট করে কেউ বন্ধুত্বের আহবান জানায় ?
আমার জানা ছিল না ! তবুও আমি লাইশার আমন্ত্রন গ্রহন করেছিলাম ।
আসলে সত্যি কথা বলতে কি আমার তখন কারো দরকার ছিল !
এমন কেউ যার সাথে আমি কথা বলতে পারি ! আমার মনের কথা শেয়ার করতে পারি !
সমদ্রে ডুবে যাওয়ার সময় মানুষ যা পায় তাই ধরে বাঁচতে চায় আমি তেমনই যেন লাইশাকে ধরে বাচতে চাইলাম !
আমার বাস্তব জীবনটা তো অনেক আগের বিনষ্ট হয়ে গেছিল ! কেউ যেন খুব আপন হাতে সেটা ধ্বংশ করে ফেলেছে । কোন কিছুই ঠিক রাখে নি ! এখন সেই ধ্বংশ কারী অগ্রসর হচ্ছিল আমার ভার্চুয়াল জীবনটার দিকে !
আমি কেবল চেয়ে চেয়ে দেখছিলাম আমার পতন । কিছুতেই যেন আমার কিছু করার ছিল না ।
আমি বড় অসহায় ছিলাম সেই ধ্বংকারীর ছিলাম । ছিলাম বড় দুর্বল আর শক্তিহীন । কিন্তু লাইশা আমাকে শক্তি যুগিয়েছে । যখন আস্তে আস্তে আমার আপন মানুষ গুলো আমাকে ছেড়ে চলে গেছে লাইশা ঠিক তখনই আমার পাশে এসে দাড়িয়েছে !
আমার কাধে হাত রেখেছে ।
আমাকে অভয় দিয়েছে ! বলেছে
-ভয় নাই ! আমি তোমার পাশে আছি ! আমি তোমার পাশে থাকবো !
কোন কারন ছিল না লাইশার কথা বিশ্বাস করার ।
জীবন থেকে আমি শিখেছি বাস্তবে বাস্তব জীবনে আসলে কেউ কারো নয় । সবাই কেবল নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত ! কেউ কারো পাশে থাকে না ।
কিন্তু তবুও আমি লাইশার কথা বিশ্বাস করেছিলাম । লাইশার কথা পেয়েছিলাম নতুন একটা ভরশার স্তম্ভ, যেটাতে ভর করে আমি আমার ভার্চুয়াল জীবনটা আবার গড়তে পারি ! আর হচ্ছিলও তাই ! আমি সেই ধ্বংকারী থেকে আস্তে আস্তে শক্তিশালী হয়ে উঠতে ছিলাম !

লাইশা খুব সহজেই আমার বাস্তব জীবনে ঢুকে পড়লো ! আর প্রতি দিন সকাল বেলা ওর ফোনটা যেন অনিবার্য একটা ঘটনা হয়ে গিয়েছিল ! কত কথা কত ফোন আর কত এসএমএস ! আমি এখনও ভাবলে অবাক হই আমাদের ইনবক্স দুই দিনে ফুল হয়ে যেত ! মেসেজ গুলো মুছতে খুব খারাপ লাগতো । মনে হত একটা মেসেজও যেন না মুছি !
কিন্তু কিছু করার নাই ! পুরাতন মেসেজ না মুছলে নতুন মেসেজতো আসবে না ! বাধ্য হয়ে মুছতাম ।
তবে সব সময়ই দেখতাম লাইশা আমার কাছ থেকে কিছু একটা লুকিয়ে রাখছে ! সব যেন বলছে না !
লাইশা প্রায় বলত তোমাকে একদিন সব বলতো ! সময় আসুক ! তোমাকেই তো বলবো ! আমি বোকার মত তাই বশ্বাস করে নিয়েছি । কিন্তু কখনও ভাবি নি সেই সময় আর কখনই আসবে না !
সেই সময় কখনও আসে না !

আমার সেদিনটার কথা খুব ভাল করে মনে আছে । লাইশার সাথে যেদিন আমার প্রথম দেখায় । এই প্রথম কোন ভার্চুয়াল জীবনের কারো সাথে আমি সরাসরি দেখা করতে যাচ্ছি ! তার উপর জীবনের এই প্রথম আমি কারো সাথে বিশেষ করে কোন মেয়ের সাথে দেখা করতে যাচ্ছি ! তাও আবার কোথায় ?
বাসে?
কি হাস্যকর একটা কথা !!
আমাদের প্রথম ডেট হয়েছে বাসে ভিতর !
দিপন বাংলা বাস কোম্পানী লিমিটেড !
সকাল বেলা আমি যখন বাস কাউন্টারে পৌছালাম বুকটার ভিতরে কেমন একটা ডিপডিপানী অনুভব করছিলাম । লাইশা খুব স্বাভাবিক ভাবেই আসলো । কাউন্টার থেকে টিকিট কাটলো ! তারপর আমার সামনে এসে দাড়াল ।
আমি কেবল চুপ করে দাড়িয়ে ছিলাম । কোন কথা মুখ দিয়ে বের হচ্ছিল না । হাতটা উচু করতে ক্ষ্যাল করলাম যে আমার হাত কাঁপছে !!
ঐদিন লাইশা আমাকে একটা চকলেট দিয়েছিল !
আর আমাকে বলেছিল জলপাই আনতে !
আমি জলপাই নিয়ে যেতে পারি নি । সত্যি বলতে কি আমার মনেই ছিল না একদম ।
লাইশার সাথে দেখা করার জন্য এমন এক্সসাইটেড ছিলাম যে অন্য কিছু ঠিক মত কাজ করছিল না ।
লাইশাকে এখনও বলি নি ঐ দিন যখন আমরা বাস থেকে ওর অফিসের সামনে নামলাম আর অফিসের কলিগরা দেখে ফেলবে এই ভয়ে যখন লাইশা আমাকে রেখেই একা একা হাটা দিল তখন আমার বুকের ভিতর কেমন একটা কষ্ট অনুভব হয়েছিল । কোন কারন হয়তো ছিল না তবুও কষ্টের কারনটা আমার অজানাই রইল ।
লাইশাকে কিছু আর বলি নি । কেবল ওর অফিসের সামনে একটা যাত্রী ছাউনীর মধ্যে বসেছিলাম অনেকক্ষন । ও যখন ফোন করে আমাকে চলে যেতে বলল আমি চলে গিয়েছি এমনটা বলেছিলাম । কিন্তু আমি মিথ্যা বলেছিলাম । সম্ভবত ওর কাছে বলা আমার একমাত্র মিথ্যা ছিল ওটা । ঐ দিন আমি আরো অনেকক্ষন ওখানটাতে বসে ছিলাম ।
কোনকিছুর জন্য না আর একবার দেখা হবে তারও জন্য না । কেন আমি বসে ছিলাম আমি নিজেই জানি না । কেবল যেতে ইচ্ছা করছিল না ।
আমি সত্যি অনেক খুশি ছিলাম । বারবার মনে হত নাহ ! এখন আমি আর একা নই । আমার পাশে একজন আছে । এমন একজন আছে যে আমাকে সাপোর্ট দিবে যদি আমি অতল গভীরে তলীয়ে যেতে চাই সে আমাকে টেনে তুলবে ।
কিন্তু কতটা ভুল ছিলাম আমি কয়েক দিন পরেই টের পেলাম । কেন জানি লাইশা অফিসের কাজে খুব বেশি ব্যস্ত হয়ে গেল । আগে যেখানে একটা মেসেজের উত্তরে দুতিনটা রিপ্লে চলে আসতো এখন সেখানে দু তিনটা মেসেজ পাঠানোর পরেও কোন রিপ্লে আসতো না ।
মনটা অস্থির হত !
ছটফট করতো !
ফোন দিলে দুয়েক মিনিট কথা বলার পরই কথা শেষ হয়ে যেত । বলত খুব বিজি । কথা বলা সম্ভব না ।
ও যে মিথ্যা বলছে তা ওর ব্লগে গিয়েই টের পেতাম । লাইশার লেখা কবিতায় কতশত কমান্ট এসে হাজির । চলত কমান্ট আড্ড । আমি চুপচাপ দেখতাম লাইশা প্রতিটি কমান্টের জবাব দিচ্ছে । কারো কারো সাথে ফান করছে মজা করছে ।
একটু কষ্ট হত !
না একটু না অনেক বেশি কষ্ট হত !
রাগও হত খুব । খুব ইচ্ছা করত লাইশা কে জিজ্ঞেস করি যে এতো গুলো কমান্টের জবাব দিতে পারো তুমি ! অন্যের পোষ্ট পড়ার সময় তোমার সময়ের কোন অভাব হয় না কেবল আমার একটা মেসেজের রিপ্লে দেওয়ার সময় তুমি বিজি !
বেশি কথা বলা যাবে না !
স্যার বকবে !
ব্লা ব্লা ব্লা !
খুব রাগও হত ! কিন্তু পরে আমি বুঝতে পারি আসলে লাইশা আমার উপর আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে ।
ওকে দোষ দেই না । আমার ভার্চুয়াল লাইফ যেমনই হোক না কেন বাইরে থেকে দেখে যেমনই মনে হোক না কেন আসলে বাস্তব জীবনে আমি খুব সাধারন একজন মানুষ ।
এমন মানুষের উপর মেয়েদের খুব বেশি দিন আগ্রহ থাকে না । আমি এটা মেনে নিতাম অথবা মেনে নিতে বাধ্য হয়েছি । কারন আমার মেনে নেওয়া ছাড়া আর কিছু করার নাই ।
তবু লাইশা বলতে খুব ইচ্ছা করে এই কাজটা কি না করলেই হত না ? আমি কিন্তু তোমার কাছে যাই নি । অথবা আমি কিন্তু তোমাকে বন্ধুত্বের আহবান জানাই নি ।
তুমি নিজে আগে এসেছিলে ?
কেন এসেছিলে আমার ঠিক জানা নেই ?
ক্ষনিকের মোহে নিশ্চই !
মোহ কেটে গেছে ! অথবা আবিস্কার করে ফেলেছ যে আমার লেখা গল্পের মত আমি মোটেই ইন্টারেস্টিং নই ।
বোরিং ! !
কেবল যদি এটাই হত আমি তবুও মেনে নিতাম । চুপ করে চলে যেতাম । তুমি আমাকে সরাসরি বলতে ।
কিন্তু তুমি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছ । সত্য গোপন করেছ । জানো তুমি যখন অন্য কারো সাথে আড্ডা দেও আমার তখন কেমন লাগে ?
তুমি নিশ্চই জানো তোমার উপর আমার চোখ রয়েছে । আচ্ছা সত্যি করে বলবে তোমার এই প্রশ্নটা কি মনে একবারও আসে নি যে আমি যখন ব্লগে তোমাকে আড্ডা দিতে দেখবো অথচ আমার ফোনের আর মেসেজের কোন রিপ্লে পাবো না তখন আমার মনের অবস্থা কি হবে ?
একটা বারও কি ভেবেছ ?
আমার মনে হয় না ।
এখন লাইশার আমার কথা আর মনে আসে না । ব্লগে দেখি বেশ কয়েক জনের সাথ ওর খুব ভাব হয়েছে । আমি কেবল চুপচাপ বসে বসে দেখি । কিছু বলি না !
কিছু বলতে পারি না !
তবুও লাইশার উপর রাগ করতে পারি না । কিভাবে করবো ? তবুও আমার কিছু মনে হত না । আমি ভুলে যেতাম এই ভেবে যে এমনটা হতে পারে ।
একজন কে দেখার পর যেমন তার উপর আগ্রহটা বেড়ে যেতে পারে ঠিক তেমনি একজন দেখার আগ্রহটা কমেও যেতে পারে । কিন্তু লাইসা যেই প্রমিজ গুলো করেছিল , সে গুলোর কি হবে ? আমি সারা জীবন প্রমিজের ব্যপারে খুব সজাক থেকেছি । কেউ যদি আমাকে দেওয়া সমান্য কথাও না রাখতে তার দিকে আমি দ্বিতীয়বার ফিরে তাকাই নি ।
লাইশা বারবার ওর প্রমিজ ব্রেক করেছে কিন্তু আমি ওর দিক থেকে মুখ ফেরাই নি ।
সত্যি কথা বলতে কি মুখ ফেরাতে পারি নি ।
সবার সাথে কি এক রকম আচরন করা যায় ? লাইশা প্রতি সপ্তাহের ছুটির দিন গুলোতে কি এক অদ্ভুদ কারনে ওর মোবাইল বন্ধ রাখতো । হাজারবার বলার পরও ও ফোন চালু করতো না !
কিন্তুআমার কাছে ঠিকই প্রমিস করত যে আমাকে ফোন দিবে !
আর আমি বোকার মত কেবল ওর ফোনের জন্য অপেক্ষাই করে যেতাম !
কোন ফোন আসতো না !
আসবে কেন ?
সে তো আমার গল্পের নায়িকা না !
নায়ক ফোনের জন্য অপেক্ষা করছে আর ঠিক সময়ই নায়িকার ফোন এসে হাজির ! সে যেমন আমার গল্পের নায়িকা নয় আর আমিও গল্পের নায়ক নই !
আমি বড় সাধারন একজন মানুষ !
বড় বেশি সাধারন !

তবে লাইশার কাছে আমি একটা দিক দিয়ে সব সময় খুব বেশি ভাবে কৃতজ্ঞ ! মনে হয় ও না থাকলে আজকে আমার ভার্চুয়াল জীবন টাও বিবর্ণ বাস্তবের করাঘাতে ভেঙ্গে যেত ! তলীয়ে যেত অতল সমুদ্রে নিচে । লাইশা আমাকে সেই অতল সমুদ্র থেকেই তুলে এনেছে ! এই জন্য তার কাছে আমি সব সময় কৃতজ্ঞ !!



সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:১৩
২৮টি মন্তব্য ২৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিলে মানুষের সুদৃষ্টি বা কুদৃষ্টি দ্রুত পড়ে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:৫৩

আমি এখন পর্যন্ত ৮৯ টা পোস্ট করেছি। আরও দুই-চারটা হয়তো করেছিলাম কিন্তু এখন সরিয়ে ফেলেছি। আমি নিজের পোস্টের বিষয়বস্তু নিয়ে একটা হিসাব নিকাশ করে নীচের তথ্য পেলাম।

সাহিত্য, সঙ্গীত, কাব্য, সিনেমা... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:২০



স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবার সহ সকল শহীদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া প্রার্থনা।

সামহোয়্যারইন ব্লগ ও সকল ব্লগারবৃন্দের পক্ষে,



ঠাকুরমাহমুদ
ঢাকা, বাংলাদেশ
১৫ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অমিয় বাণী সমগ্র।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:৪৪



পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনের বাংলাদেশকে বেহেশতের সঙ্গে তুলনা, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধির পরও ফসল উৎপাদনের ওপর প্রভাব না পড়ার দাবি, প্রত্যেক মানুষের গায়ে জামা-কাপড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগেও একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে অসন্মান করা হয়!!!!

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৩২



প্রচন্ড ব্যস্ততা এবং আরো কিছু কারনে গত বেশ কয়েকদিন ব্লগে আসা হচ্ছে না। আরো বেশ কয়েকটা দিন আসার মতো অবস্থায়ও নাই আমি। তারপরেও একটা পোষ্ট আর তার কমেন্টগুলোতে চোখ আটকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভ, ক্রোধ, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ৮:০২

লোভ, ক্রোধ, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকি.....

নবারুণ ভট্টাচার্যের একটা কবিতার কয়েকটি লাইনঃ-

“আজ্ঞাবহ দাস, ওরে আজ্ঞাবহ দাস
সারা জীবন বাঁধলি আঁটি,
ছিঁড়লি বালের ঘাস,
আজ্ঞাবহ দাসমহাশয়, আজ্ঞাবহ দাস!
যতই তাকাস আড়ে আড়ে,
হঠাৎ এসে ঢুকবে গাঁড়ে,
বাম্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×