somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মীনা বাজারের সেলস গার্ল প্যাপী এবং আমার সম্ভাব্য প্রেমের গল্প !

১১ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

-এই যে প্যাপি ? এই !
আমার ডাক শুনে মেয়েটি দাড়িয়ে পড়ল । আসলে আমাদের চোখাচোখি আগেই হয়েছিল । মেয়েটি রিক্সা করে আসতে ছিল আর আমি যাচ্ছিলাম ! মেয়েটির একটা ভাব ছিল আমাকে এড়িয়ে চলে যাবে কিন্তু আমি সেই সুযোগ দিলাম না মেয়েটাকে । ভদ্রতা জন্যই মেয়েটি রিক্সা থামাল ।
আমি বিস্তৃত হাসি নিয়ে মেয়েটির কাছে গিয়ে বললাম
-মিস প্যাপি ?
মেয়েটির মুখ কেমন বিষন্ন হয়ে গেল । আমার খানিকটা অবাকই হলাম । কোন মেয়ের নাম ধরে ডাকলে মেয়েটির মুখ বিষন্ন হয়ে যায় এটা কেমন জানি বেমানান । আমি যতদুর জানি মেয়েরা বিশেষ করে সুন্দর মেয়েরা অন্যের মুখে নিজের নাম শুনতে পছন্দ করে । কিন্তু এই প্যাপি নিজের নাম শুনলেই কেমন মন মরা হয়ে যায় !
সেদিনও ঠিক এই ব্যাপারটাই লক্ষ্য করেছিলাম ।
আমার মায়ের বড় ইচ্ছা হল তার ছেলেকে নিয়ে বাজার করা । মানে আমাকে নিয়ে তার কাঁচা বাজার করা, সপিং করা খুবই পছন্দ ! নিজে ঘুরে ঘরে বাজার করবে আমাকে তার পিছন পিছন ঘুরতে হবে । কেউ যখন তার কাছে আমার কথা জানতে চাইবে তখন আমার কথা বলবে । বলবে আমি তার ছেলে । সম্প্রতি চাকরী পেয়েছি । এখন আমার জন্য মেয়ে দেখা হচ্ছে, ইত্যাদি ইত্যাদি !
আমার বড় লজ্জা লজ্জা লাগে । কিন্তু কিছু করার নাই । মায়ের ইচ্ছা ।
আর আমার কথা বলতে যদি তার ভাল লাগে তাহলে বলুক না । আমার নিজেরও তো মায়ের আনন্দময় মুখটা দেখতে ভাল লাগে ।
যাই হোক গত সপ্তাহে বাড়ির কাছের মীনা বাজারে মাকে নিয়ে কেনাকাটা করছিলাম । কেনাকাটা শেষে যখন কাউন্টারে টাকা দিতে এলাম তখনই মেয়েটাকে দেখতে পেলাম । একটু যেন আনাড়ি । সাধারনত কাউন্টারে যারা থাকে তারা একটু চটপটে হয়ে থাকে । কিন্তু এই মেয়েটাকে দেখলাম বেশ আনাড়ি । মনে হয় নতুন এসেছে । আর মেয়েটাকে একটু বিব্রতও মনে হল ।
যখন সব হিসাব পত্র শেষে মেয়েটি একটা পেমেন্ট রিসিট দিল তখনই দেখলাম রিসিটের একদম শেষে মেয়েটির নাম লেখা রয়েছে ।
প্যাপি ?
মেয়েটার চেহারার সাথে নামটা কেন জানি ঠিক যাচ্ছে না । টাকা দেওয়ার সময় মুখ ফসকে আমি বলেই ফেললাম
-আপনার নাম প্যাপি ?
মেয়েটির মুখ কেমন যেন বিষন্ন হয়ে গেল । আর কিছু জানতে চাইলাম না । যদিও জানতে ইচ্ছা করছিল ! কেবল টাকা দিয়ে বের হয়ে এলাম মা কে নিয়ে ।
এর পরে আরো দুই দিন গেছি মীনা বাজারে ! সত্যি বলতে কি মেয়েটাকে দেখতেই গেছি ! টুকটাক কেনা কাটা করেছি আর মেয়েটার বিব্রত মুখ দেখেছি ! মেয়েটির সব কিছুই আমার পছন্দ হয়েছে কিন্তু এই নামটা কেন জানি পছন্দ হয় নি !
আর আমার কেন যেন মনে হচ্ছে মেয়েটার নিজেও এই নামটা বিশেষ পছন্দ না !
আজকেও প্যাপি নামটা নেওয়াতে মেয়েটার মুখটা কেমন বিষন্নই হল । সমস্যা কি ? তাহলে আমার ধারনাই মনে হয় ঠিক ! মেয়েটির নিজের নাম পছন্দ না !
আমি রিক্সার সামনে দাড়িয়ে মেয়েটির দিকে আবারও হাসি দিলাম ।
-ভাল আছেন ?
মেয়েটি আস্তে করে বলল
-জি ।
-আজকে ডিউটি নেই ।
-জি । ওখানেই যাচ্ছি ।
-তাই নাকি ? চলুন আমিও ঐ দিকে যাচ্ছি । একসাথেই যাওয়া যাক ।
এই কথা বলেই আমি রিক্সায় উঠে বসলাম । তারপর রিক্সায়ালাকে বললাম
-চলেন মামা ।
রিক্সা চলতে শুরু করল । যদিও জানি এই ভাবে যে কোন মেয়ের রিক্সায় চট করে উঠে পড়া যায় না কিন্তু মেয়েটার অপ্রস্তুত ভাবটা আমার কাছে খুব ভাল লাগছিল । আর কেন জানি মেয়েটির সাথে একটু কথাও বলতে মন চাইছিল ।

রিক্সা চলতেছে । প্যাপি কেমন জড়সড় হয়ে বসে আছে । আমি এভাবে চট করে রিক্সাতে উঠে পড়াতে মেয়েটা আসলেই একটু ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেছে । আমি বললাম
-আপনার নাম প্যাপি কে রেখেছে ?
মেয়েটি চুপ করে রইলো কিছুক্ষন । তারপর অন্য দিকে তাকিয়ে বলল
-আমার নাম প্যাপি না ।
-তাহলে ? রিসিটে যে দেখলাম প্যাপি লেখা ।
-আসলে মীনা বাজারের ঐ জবটা প্যাপী নামে একজনের । মেয়েটা কদিন আসার পর আর আসে নি । তাই আমাকে ওখানে টেম্পরারী ভাবে রাখা হয়েছে । যতদিন না জব পার্মানেন্ট হয় ততদিন ঐ নামেই আমাকে কাজটা করতে হবে ।
যাক ভাল । আমার মনটা একটু ভাল হয়ে গেল । এই মেয়েটার নাম প্যাপি না এই জেনে ভাল লাগছে । সত্যি প্যাপি নামটা এই মেয়েটার চেহারার সাথে যেন যাচ্ছিল না ।

আমি মেয়েটিকে বললাম
-তা আপনার নামটা কি ? আমি তানভীর ।
মেয়েটি একটু ইতস্তত করে বলল
-আমার নাম আহিন ।
-আহিন ? বেশ আনকমন নাম । কে রেখেছে ?
-আমার বড় ভাইয়া রেখেছে । বড় ভাইয়ার সব কাজ একটু উল্টাপাল্টা ।
-না না । আসলেই আপনার নাম অনেক সুন্দর । জানেন ঐ দিন আপনার নামটা শুনে আমি একটু হতাশ হয়েছিলাম ।
আহিন বলল
-হতাশ ? কেন ?
-না মানে নামটা কেন জানি আপনার সাথে চেহারার সাথে যাচ্ছিল না । আপনার চোখে আশ্চার্য একটা গভীরতা আছে । প্যাপি নামটা ঠিক যায় না ।
আহিনকে দেখলাম আমার দিকে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকেই চোখ নামিয়ে ফেলল । আমি নিজেও একটু অপ্রস্তুত বোধ করলাম । আজকেই এতো কথা বলে ফেলাটা ঠিক হয় নাই ।
যাই হোক । মেয়েটার নাম যে প্যাপী না এটাই একটা আনন্দের বিষয় ।

এরপর থেকে মোটামুটি মীনা বাজার যেন আমার সেকেন্ড হোম হয়ে গেল । একটা দিয়াশলাই লাগবে একদৌড়ে আমি মীনা বাজারে হাজির । মাস মাংস দুধ ডিম ছাগল মুরগী থেকে শুরু করে সব কিছুতেই মীনা বাজার ।
একদিন গেছি পেরেক কিনতে !
আমার কথা শুনে অন্যান্য স্টাফা সে কি হাসি !
একজন এসে বলল
-স্যার আমরা পেরেক রাখি না ! আপনি বরং কোন হার্ডওয়ারের দোকানে দেখুন !
-আশ্চর্য আপনারা পেরেক রাখেন না ?

আর একদিন আহিনকে গিয়ে বললাম
-আচ্ছা আপনাদের এখানে মোবাইলের কার্ড পাওয়া যাবে না ।
-জি ? মোবাইলের কার্ড !
-দেখুন মীনা বাজারে সব নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পাওয়া যায় । আর মোবাইল থেকে নিত্য প্রয়োজন আর কি হতে পারে বলুন ? আমার মনে হয় মোবাইল কার্ডের একটা ব্যবস্থা রাখা উচিৎ । এই যে মনে করেন এই খানে !
আমি হাত দিয়ে আহিনের পাশের জায়গাটা দেখা লাম ।
-তানভীর সাহেব সব ব্যবসাই যদি মীনাবাজার করে ফেলে তাহলে তাহলে অন্যেরা কি করবে ?
-হুম !! তাও তো কথা !!
আর একদিন হাজির হলাম
আহিনের ডিউটির সময় ছিল বিকাল থেকে রাত নটা পর্যন্ত ! বলাই বাহুল্য আমি ঠিক এই সময়টাতেই মীনা বাজারের ঘুরাগুরি করতাম ! গার্ড থেকে শুরু করে মীনা বাজারের অন্যান্য সব কর্মচারীর সাথেই খাতির হয়ে গেল !
যাওয়া আসা চলতো ! আহিন আমার মন ভাব বুঝতে পারেও কেন জানি সব সময় আমার থেকে একটু দুরুত্ব বজায় রেখে চলতো !
তবুও আমি চেষ্টা চালিয়েই যেতাম !
এরই মধ্যে দুতিন দিন মীনা বাজারে যেতে পারিনি অফিসের কাজের জন্য ! যখন চার দিনের দিন মীনা বাজারে হাজির হলাম মায়ের সাথে আমাকে দেখে আহিনের মুখের ভাব পরিবর্তন হয়ে গেল ! এমন একটা ভাব যেন আমাকে কত দিন পরে দেখছে ! মা ঘুরে ঘুরে বাজার করতে লাগলো আমি চট করে আহিনের কাছে এসে হাজির !
-আমাকে মিস করেছেন ?
-সরি ! কি বললেন বুঝি নাই !
-আমি যে এই কয়দিন আসি নি আমার কথা মনে পড়ে নাই !
-আশ্চর্য আপনার কথা আমার কেন মনে পড়বে !
-পড়ে নাই ?
-না !
-সত্যি পড়ে নাই ?
-আরে বললাম তো না ! দেখুন কাউন্টারে লোক আসতেছে ! আমাকে কাজ করতে দিন !

আমি একটু হতাশ হলাম ! একটু মনও খারাপ হল ! একবার যদি বলতই যে হ্যা আপনার কথা মনে হয়েছিল ! আচ্ছা আসেন নাই কেন তাহলে এমন কি ক্ষতি হয়ে যেত ? আমি স্পষ্ট দেখটে পেলাম আমাকে দেখেই ওর চোখের ভাব পরিবর্তন হয়ে গিয়েছিল কিন্তু মুখে সেই কথা স্বীকার করবে না ! কেন বাবা করলে কি হবে ! তুই তো বুঝতেই পারটেছিস যে তোর পিছনে আমি ঘুরতেছি তাহলে সমস্যা কোথায় ?
কে জানে এই মেয়েদের সমস্যা কোথায় !!

পরদিন মীনা বাজারে গিয়ে দেখি সে নাই !
কই গেল ?
তারপরদিনও না ! তাহলে কি ডিউটির সময় পরিবর্তন করে চলে গেল ? ওখানকার একজনের কাছেই জিজ্ঞেস করলাম ! সে যা বলল তার সারমর্ম হল সে তার বাবা এসেছিল ! বিয়ে দেওয়ার জন্য তাকে বাসায় নিয়ে গেছে !
হায় হায় বলে কি ?

ঐ দিনের থেকেও মনটা বড় খারাপ হয়ে গেল ! মেয়েটাকে এতো পছন্দ হয়েছিল কিন্ত এমন একটা কাজ হল ! কেন রে ভাই বিয়ের জন্য তো আমার জন্যও পাত্রী দেখা হচ্ছে ! আমার সাথে নিয়ে করলে দোষ কি ?
গার্ডের কাছে আহিনের মোবাইল নাম্বার চাইলাম কিন্তু সে দিতে পারলো না !
এবার আমার মনটা যেন আরো খারাপ হয়ে গেল ! প্রতিদিন অফিস যাই মীনা বাজারের সামনে দিয়ে কিন্তু আর ভিতরে ঢুকা হয় না ! কাঁচে ঘেরা কাউন্টারে কেবল টচপটে হাতে বোতাম টিপতে দেখি অন্য একটি মেয়েকে !
আর মীনা বাজারে যাওয়া হয় না !

ঠিক ১০ দিন পরে আহিন কে আবার দেখতে পেলাম ! কাউন্টারে আছে ! আমি কাউন্টারে হাজির হলাম ! কিছুক্ষন তাকিয়েই রইলাম আহিনের দিকে ! আহিন মুখ ঠিক আগের মতই স্বাভাবিক !
কি মেয়েরে বাবা !!
আবারও সেই বোকার মত প্রশ্ন করে ফেললাম !
-আপনার বিয়ে হয়ে গেছে ?
-কি ?
আমি চুপ করেই তাকিয়ে রইলাম মেয়েটর দিকে ! আহিন বলল
-জি ! আমার বিয়ে হয়ে গেছে ! এই দেখেন আমার হাতে মেহেদি । খুশি ?
এই বলে আহিন ওর হাত দুটো আমাকে দেখালো ! আসলেই ওখানে মেহেদি দেওয়া !
ইস কি সুন্দর করে দেওয়া মেহেদি ! কিন্তু আমার জন্য না !! আমার বুকটা কেমন হুহু করে উঠলো ! আমি আর দাড়ালাম না ! তখনই মীনা বাজার থেকে বের হয়ে এলাম !
হাটতে লাগলাম বড় রাস্তাটার দিকে ! সত্যি সব কিছু কেমন যেন ফাঁকা ফাঁক লাগতেছিল ! এতো দিন তো আহিনের জন্য আমি অপেক্ষা করেছিলাম ! একটা আশা ছিল যে একদিন হয়তো আসবে ! দেখা হবে ! সেদিন বলবো !
ওকে বলবো যে ওকে ভালবাসি !

আচ্ছা ওকে কি আমিআহেই ভালবাসি বলে ফেলা উচিৎ ছিল ?
যদি মুখ ফুটে বলেই ফেলতাম তাহলে কি আজ এই রকম হত ? জানি না ! আমি কিছু জানি না ! আমি কেবল হাটতে থাকি ! সামনের দিকে দিকে হাটতে থাকি ! সব কিছু কেমন যেন অচেনা লাগে !

রিক্সা ডাক দিলাম ! কোন কিছুই না বলেই উঠে পড়লাম রিক্সায় ! আমি অপেক্ষা করছি রিক্সায়ালা জিজ্ঞাস করবে যে মামা কোন দিকে যাবো ! আমি উত্তরে বলব যান যেদিকে খুশি ! আজকে সত্যি যে দিকে খুশি সে দিকে যাবো !
কিন্তু হঠাৎ করেই কেউ রিক্সায় উঠে বসলো ! আমি তাকাতে না তাকাতেই আহিন বলল
-মামা ! লেকপাড়ের দিকে যান তো !
আমি ওর দিকে খানিকটা অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম !
সেদিন আমি যেমন মেয়েটি অপ্রস্তুত করে দিয়েছিল আজকে মেয়েটা আমাকেও খানিকটা অবাক করে করে দিল !
আমার অবাক হওয়া মুখ দেখে আহিন বলল
-এতো অবাক হওয়ার কি আছে ?
-কিছু না ! আপনার কি সত্যি কি বিয়ে হয়ে গেছে ?
মেয়েটার মুখে একটু বিরক্তির ভাব দেখা দিল !
-আচ্ছা আপনি কি জানেন না কিভাবে কথা বলতে হয় ? কখন কি প্রশ্ন কিভাবে করতে হয় ? এই যাকে তাকে বললেই হয় যে আপনার বিয়ে হয়ে গেছে ? আশ্চার্য !! আর যে কথাটা বলা উচিৎ সেই কথাটা তো বল না !!
-কোন কথাটা বলা উচিৎ ছিল ?
আহিনের মুখে আবার বিরক্তি দেখা দিল !
-এই কথাটাই বসে বসে ভেবো কেমন ! কেবল একটা একটা বেকুবের জন্য বাবা মায়ের সাথে যুদ্ধ করে এসেছি !
-বেকুব ? কে বেকুব ! আমি ??
-জি আপনিই বেকুব !
-কই তুমি তো আমাকে কোন দিন বল নি ?
-তুমি বলেছ আমাকে ? কেবল মীনা বাজারের জিনিস পত্রই কিনেছ ! ভালবাসি বলেছ ??
আমি কেবল অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম ! এই মেয়েটার এমন কথা বলা শুরু করলো কিভাবে ?? আর আমাকে আবার বলে কিনা বেকুব ?
আমি কি বেকুব ?
আরে.......
তারমানে আমার জন্য আহিন তার মায়ের সাথে যুদ্ধ করে এসেছে !! তার মানে ওর বিয়ে হয় নাই ! আর সব চেয়ে বড় কথা ও আমাকে তুমি করে বলছে !!
আমি বললাম
-সত্যি ?
-কি সত্যি ?
-এই যে তোমার বিয়ে হয় নাই ?
-তোমাকে নিয়ে আমি আসলেই পারবো না !! আগে চল তারপর বুঝাচ্ছি মজা !!

আমার মন টা আনন্দের ভরে উঠলো ! আহা !! আহা !!
আমি মজা দেখার জন্য প্রস্তুতি নিলাম !! :!> :!> B-))

ফেবু লিংক
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ১০:৫০
৫৩টি মন্তব্য ৫৩টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিলে মানুষের সুদৃষ্টি বা কুদৃষ্টি দ্রুত পড়ে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:৫৩

আমি এখন পর্যন্ত ৮৯ টা পোস্ট করেছি। আরও দুই-চারটা হয়তো করেছিলাম কিন্তু এখন সরিয়ে ফেলেছি। আমি নিজের পোস্টের বিষয়বস্তু নিয়ে একটা হিসাব নিকাশ করে নীচের তথ্য পেলাম।

সাহিত্য, সঙ্গীত, কাব্য, সিনেমা... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:২০



স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবার সহ সকল শহীদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া প্রার্থনা।

সামহোয়্যারইন ব্লগ ও সকল ব্লগারবৃন্দের পক্ষে,



ঠাকুরমাহমুদ
ঢাকা, বাংলাদেশ
১৫ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অমিয় বাণী সমগ্র।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:৪৪



পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনের বাংলাদেশকে বেহেশতের সঙ্গে তুলনা, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধির পরও ফসল উৎপাদনের ওপর প্রভাব না পড়ার দাবি, প্রত্যেক মানুষের গায়ে জামা-কাপড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগেও একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে অসন্মান করা হয়!!!!

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৩২



প্রচন্ড ব্যস্ততা এবং আরো কিছু কারনে গত বেশ কয়েকদিন ব্লগে আসা হচ্ছে না। আরো বেশ কয়েকটা দিন আসার মতো অবস্থায়ও নাই আমি। তারপরেও একটা পোষ্ট আর তার কমেন্টগুলোতে চোখ আটকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভ, ক্রোধ, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ৮:০২

লোভ, ক্রোধ, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকি.....

নবারুণ ভট্টাচার্যের একটা কবিতার কয়েকটি লাইনঃ-

“আজ্ঞাবহ দাস, ওরে আজ্ঞাবহ দাস
সারা জীবন বাঁধলি আঁটি,
ছিঁড়লি বালের ঘাস,
আজ্ঞাবহ দাসমহাশয়, আজ্ঞাবহ দাস!
যতই তাকাস আড়ে আড়ে,
হঠাৎ এসে ঢুকবে গাঁড়ে,
বাম্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×