somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গল্পঃ পুরানো গার্লফ্রেন্ড এবং নতুন বউ !

০৩ রা জুলাই, ২০১৩ দুপুর ১:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বসুন্ধরা সিটিটা কেন জানি আমার সব সময়ই একটু অস্বস্তিকর লাগে । ঠিক মানিয়ে নিতে পারি না । এতো লোক, এতো হইচই !
আমার ঠিক ভাল লাগে না !
কিন্তু আজকে এতো কিছুর কিছুই যেন আমাকে স্পর্শ করছে না । এতো লোক জনের ভিতরেও আমার সব মন যোগ কেবল মাত্র সুমির দিকেই নিবদ্ধ !
ঐ দেখা যাচ্ছে । নিশ্চই ওর কোন বান্ধবীর কিংবা বন্ধুর সাথে এসেছে ।
গায়ে সাদা এপ্রোনটা এখনও জড়িয়েই আছে !
নিশ্চই ক্লাস থেকে সরাসরি এসেছে !
আচ্ছা ও কি ডাক্তার হয়ে গেছে ?
আমি একটু পেছনের কথা হিসাব করার চেষ্টা করলাম । কয় বছর হবে !
তিন বছর ?
নাকি চার বছর ?
চার বছরই হবে । নাহ ! এখনও মনে হয় পুরোপুরি ডাক্তার হয় নাই ! আমি নিজের চোখ সরিয়ে নিতে চাইলাম । কিন্তু কেন জানি পারলাম না !
তাকিয়েই আছি সুমির দিকে !
ডাক্তার সুমি !

-সরি ! একটু লেট হয়ে গেল !
আমি বাস্তবে ফিরে এলাম ! অহীন সামনে দাড়িয়ে !
-বেশি দেরি করে ফেলেছি ?
আসলে আমার মুখটা একটু গম্ভীর ছিল বিধায় অহীন মনে করেছে আমি মনে হয় রাগ করেছি !
আমি মুখে হাসি আনার চেষ্টা করলাম ! বললাম
-আরে সমস্যা নাই ! আমিও মাত্রই এসেছি ! এদিক ওদিক দেখছিলাম !
অহীন আমার সামনের চেয়ারটা টেনে বসলো ! খানিকটা ইতস্তর করে বলল
-আপনি কিছু মনে করেন নি তো ?
-কোন ব্যাপারে ?
-এই তো আপনাকে এখানে দেখা করতে বললাম বলে ! আপনি ছুটিতে আছেন তবুও আপনাকে বিরক্ত করলাম !

অহীন আমার কলিগ । প্রায় এক বছর ধরে আমরা একসাথে কাজ করতেছি ! মেয়েটা ভাল ! দেখতে শুনতেও ভাল ! শুধু ভাল না বেশ ভাল ! অফিসের অনেকেই বলা বলি করে এই মেয়েটা নাকি আমাকে পছন্দ করে ! কিন্তু মুখ ফুটে কিছু বলে না ! আমি ঠিক জানি না ! কিন্তু গত কালকে অহীন যখন আমাকে ফোন করে দেখা করতে চাইলো একটু অবাক হলাম ! অফিসের বাইরে আমাদের দেখা করার মত এতো ঘনিষ্ঠতা এখনও হয় নাই ! যদিও অফিসে আমার কথা বার্তা হয় প্রায় !
আমি অহীনের মুখের দিকে তাকিয়ে একটা জিনিস লক্ষ্য করলাম । মেয়েটার মুখ কিছু সংকুচিত হয়ে আছে লজ্জায় !
তারউপর মেয়েটা বেশ জেগে গুজে এসেছে !
আমি বললাম
-আপনাকে দেখতে সুন্দর লাগছে ! আপনি এতো সুন্দর আগে তো লক্ষ্য করি নি ?
এই কথা বলাতে দেখলাম অহীনের মুখটা আরো বেশী লাল হয়ে গেল ! অন্য দিকে তাকিয়ে বলল
-কোন দিন তো বলেন নি ?
-আপনিও তো আমাকে কোন দিন এই ভাবে লাঞ্চ খাওয়ার দাওয়াত দেন নাই ?
-বাহ ! সব কিছু আমাকেই করতে হবে ?
আমি কথাটার জবাব দিতে গিয়েও দিলাম না ! চোখটা আবার চলে গেছে সুমির দিকে ! এখনও বন্ধুদের সাথে হাসাহাসিতে ব্যস্ত !
আচ্ছা ওর কি কোন বয়ফ্রেন্ড আছে ?
নিশ্চই আছে ! কোন ডাক্তার বয়ফ্রেন্ড হবে হয়তো ! আমাকে তো তাই বলেছিল !

যখন সিলেটে ছিলাম তখনই সুমিকে চিনি । ও যখন কলেজে পড়ে তখন থেকেই ওর সাথে একটা মিষ্টি সম্পর্ক ছিল ! প্রায়ই দিনে আমি ভার্সিটির ক্লাস কামাই দিয়ে ওর কলেজের সামনে এসে দাড়িয়ে থাকতাম । ও ঠিক কয়েকটা ক্লাস মিস দিয়ে বের হয়ে আসতো ! তারপর ঘন্টা হিসাব করে রিক্সায় ঘোরাঘুরি ! কোন দিন কাছের কোন চা বাগানে সময় কাটানো !

সুমির ডাক্তার হওয়ার বড় ইচ্ছা ছিল ! স্বপ্ন দেখতো বড় একজন ডাক্তার হবে । এই জন্য সব কিছু সে বিষর্ষন দিতে প্রস্তুত ! এই সব কিছুর ভিতর যে আমি নিজেও ছিলাম এটা বুঝতে পারি নি !

-কি ভাবছেন ?
-কিছু না ! কিছু খাবেন না ? লাঞ্চের সময় হয়ে যাচ্ছে ।
অহীন একট হেসে বলল
-আম তো বলেছি আমি খাওয়াবো ! টেনশন নিয়েন না !
-আরে আমি টেনশন নিচ্ছি না ! আর আমার কোন কাজও নাই । আমি সারাদিনই এখানে থাকতে পারবো !
-তাই ? থাকবেন আজকে আমার সাথে সারা টা দিন ? বসুন্ধরার পাশে যে লেইকটা আছে না ! ওটা আমার খুব পছন্দের জায়গা ! এখানের পরে ওখানে যাবেন ?
-হুম ! যাওয়া যায় !

আরো কথা হতে থাকে আমাদের ভিতর ! কিন্তু মনটা কেন জানি সুমির দিকেই পরে থাকে ! সুমির হাসির আওয়াজ কেন জানি কানে বাজতে থাকে ! তারমানে ও খুব সুখে আছে ?
আমি ?
আমিও ভাল আছি !
হুম ! আছিই তো ! কোন দুঃখ নাই ! ও যেমন আমাকে ছেড়ে থাকতে পেরেছে আমিও পারবো না কেন ? ওর কথা মনে করাই উচিৎ না !

অহীন বলল
-কি হল ? আপনার মন অন্য দিকে কেন ? আমার সাথে কথা বলতে ভাল লাগছে না !
-আরে কি বলেন ! আমার মন অন্য দিকে না !
-আচ্ছা বুঝেছি ! আসুন আগে লাঞ্চ করা যাক !

অহীন অর্ডার দিতে দিতে আমি এক ওয়াস রুম দিকে পা বাড়ালাম !

ওয়াস রুম থেকে বের হব এমন সময় সুমির সাথে দেখা হয়ে গেল ! সুমি ওয়াস রুমের ঠিক সামনেই ও দাড়িয়ে ছিল ! আমার কেন জানি মনে হল ও আমার জন্যই দাড়িয়ে ছিল ! প্রথম দেখা হলে একটা অবাক হওয়ার ভাব থাকে সুমি চেহারায় সেটা ছিল না । তারমানে আমি যেমন ওকে দেখেছি ঠিক সুমিও আমাকে দেখেছে আগেই !
আমি ওকে দেখেও না দেখার ভান করে চলে যেতে চাইলাম !
-জাদিদ ?
নামটা এখনও মনে আছে দেখছি !!

যেদিন সুমির মেডিক্যাল ভর্তির রেজাল্ট দিল সেদিন ওর আনন্দ দেখে কে ! একদম মেধা তালিকার প্রথম দিকে !
আমার সাথে ওর আর দুই দিন পরে দেখা হল ! এই কয় দিন ও একটুও সময় বের করতে পারে নাই ! আমরা রুপরংর টি স্টলের ভিতর হাটছিলাম ! সুমিকে একটু গম্ভীর মনে হচ্ছিল ! আমি হাটতে হাটতে বললাম
-আজিব তো ! মানুষ রেজাল্টের আগে টেনশন করে আর তুমি রেজাল্টের পরে টেনশন করতেছ ? কি ব্যাপার ? এতো গম্ভীর কেন ?
সুমি প্রথমে কিছু না বললেও একটা জায়গায় চুপ করে বসে রইলো কিছুক্ষন ! ওর মুখ দেখে মনে হল কিছু একটা যেন বলতে চায় আমাকে ! কিন্তু বলতে পরছে না ! আমি বললাম
-কিছু বলবা আমাকে ?
-হুম !
-বল !
-তুমি তো জানো আমি আমার ডাক্তারীর পেশার জন্য কতটা সিরিয়াস ?
-হুম ! জানি তো !
-আমার আর ডাক্তারীর মাঝে যেটাই আসুক না কেন আমি সব সময় ডাক্তারীকেই বেছে নিবো !
-হুম আমি জানি ! সমস্যা কি ?
-জাদিদ ! তুমি এখন আমার পথের বাধা হয়ে আছো !
আমি প্রথমে কিছুক্ষন বুঝতে পারলাম না কি বলবো ! আমি ঠিক মত বুঝতেও পারলাম না যে আমি কিভাবে বাধা হয়ে দাড়াচ্ছি !
সুমি বলল
-দেখো, আমার মনে হয় তোমার সাথে আমার আর সম্পর্ক রাখা সম্ভব হবে ! একে তো পড়া লেখার চাপ তার উপর তুমি তো জানো, ডাক্তাদের সব সময় ডাক্তাদের সাথেই বিয়ে করা উচিৎ ! তা না হলে পরে অনেক সমস্যা হয় । আমি চাই না এমন সমস্যা হোক আমাদের ! তার চেয়ে ....।

সুমি আরো কিছু বলছিল আমার কেন জানি আর কিছু কানে গেল না !
কেবল একটা কথাই ! আমি নাকি ওর পথে বাধা ! ওর লক্ষ্যের পথে বাধা !

তারপর সুমির সাথে আমার আর দেখা হয় নি ! মোবাইল থেকে ওর নাম্বার আর মেসেজ সব মুছে দিয়েছি ! নাম্বারও বদলে ফেলেছি ! সম্ভাব্য যার যার সাথে যোগাযোগ রাখলে ওর সাথে আবার দেখা হবার সম্ভাবনা ছিল এমন সবাইকেই বর্জন করেছি ! এই চার বছর ভালই ছিলাম ! একটা বারও ওর সাথে দেখা হয় নাই !

আমি তবুও না শোনার ভান করে চলে আসতে চাইলাম !
-জাদিদ ?
-আপনি আমাকে কিছু বলছেন ?
সুমি কিছুক্ষন একটু অবাক হল ! আসলে ও ঠিক আমার কাছ থেকে এমন আচরন আশা করে নাই ! সুক্ষ একটা অপমান বোধের রেখা দেখতে পেলাম
-জাদিদ ! আমি ?
-আপনি ?
সুমি কথা হারিয়ে ফেলল !
-কিছু বলবেন ? বললে তাড়াতাড়ি বলুন ! আমার গার্লফ্রেন্ড ওয়েট করছে !
-গার্লফ্রেন্ড ! তোমার গার্লফ্রেন্ড ?
-কেন ? কোন সমস্যা ?
সুমি এই কথার জবাব দিল না !
-দেখুন আমি ডাক্তার না হতে পারি তবে আমি কম টাকা ইনকাম করি না !
আমি ..........
আরো কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেলাম ।
নিজেকে একটু সামলালাম ! কিন্তু অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম সুমি কে দেখে কেন জানি আমার খুব রাগ হচ্ছে !
আমি বললাম
-আমি আসি !


-কি ব্যপার ? এতো গম্ভীর কেন ?
আমি হাসার চেষ্টা রকলাম ! কেন জানি রাগটা এখনও কমছে না ! কি করলে কমবে ?
আমি অহীনের দিকে সরাসরি তাকিয়ে বললাম
-আপনি আমাকে বিয়ে করবেন ?
বলেই মনে হল কি বললাম !!
কেন বললাম ?
আসলে হুস হারিয়ে ফেলেছি ! কি বলছি ঠিক বুঝতে পারছি না !
অহীন কেবল আমার দিকে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো কিছুক্ষন ! মুখে একটা অবাক হওয়ার চিহ্ন !
-কি হল ?
-আপনি কি সিরিয়াস ?
-জি সিরিয়াস ! কররেন ? আজই ?
-আজই ?
-রাজি না থাকলেও বলতে পারেন কোন সস্যা নাই !

অহীন আমার দিকে সত্যি বেশ অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো ! আমাকে যেন চিন্তে পারছে না বা বহ হুদিনের পরিচিত আমাকে যেন ঠিক চিনতে পারছে না ! আমি অহীনের দিকে তাকিয়ে বললাম
-কি রাজি না ?
-আমি কি বলেছি আমি রাজি না !
-তাহলে চলুন লাঞ্চ করেই বিয়ে করে ফেলি ! তবে একটা শর্ত !
-কি !
-এই লাঞ্চের বিল কিন্তু আমি দিবো না ! এটা কিন্তু তোমাকেই দিতে হবে !
-আচ্ছা !
অহীন হেসে ফেলল ! বলল
-ঠিক আছে দিচ্ছি ! তারপর কাল থেকে সব কড়ায় গন্ডায় উসুল করবো কিন্তু !!

যখন রিক্সাটা কাজী অফিসের দিকে যাচ্ছিল আমি কেবল অনুভুব করলাম অহীন আমার হাত ধরে রেখেছে ! ওর চোখে একটা অজানা আনন্দ ! হঠাৎ করেই আমাকে পাওয়ার আনন্দ !
আমার বুকের ভিতরেও একটা অজানা ভাল লাগা ছিল ! এতো দিন কেবল মনে হয়েছে আমি সুমি ভালবাসি ! আজকে আমার সেই ভুল ভেঙ্গেছে ! আমি ওকে ভালবাসি না । আমার ভালবাসা পাওয়ার যোগ্যতা ওর নেই ! আসলেই নেই !


Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জুলাই, ২০১৩ রাত ৮:১৮
২৬টি মন্তব্য ২৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গে এখন বাচ্চা বিক্রি শুরু হয়েছে।

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ সকাল ১১:০৭






স্বর্গে এখন বাচ্চা বিক্রি শুরু হয়েছে। আমরা এখন এমন এক স্বর্গে বাস করছি যেখানে মা তার একমাত্র সন্তানকে বিক্রি করে বেঁচে থাকতে চান। কি দুঃখের, কি লজ্জার দিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

গামারি

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:০৯



২০১৬ সালের মার্চ মাসের সকালে কাধে ছোট একটি ব্যাগ ঝুলিয়ে বেড়িয়েছি বাড়ি থেকে। গাজীপুরের টাকশাল-শিমুলতলী পথ ধরে রেল লাইনে উঠে পায়ে হেঁটে চলে যাবো রাজেন্দ্রপুর রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত। ভাওয়াল-গাজীপুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি গরীব আমার ১৩ টাকায় একটি ডিম ১৫ টাকায় একটি সাগর কলা কিনে খাওয়ার অবস্থা নেই।

লিখেছেন ভার্চুয়াল তাসনিম, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:১২

প্রিয় রাষ্ট্র,
গতকাল মাত্র শোক দিবস চলে গিয়েছে। আপনি কি দেখেছেন? এই শোক দিবসে দেশের আপামর জনসাধারণ শোক পালন না করে ডিম নিয়ে মেতে ছিল। বুঝেছি মেনেছি আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে অস্থিতিশীল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভিন্ন নিক থেকে ব্লগিং করার কথা ভাবছি

লিখেছেন স্বপ্নবাজ সৌরভ, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:৩৩


" কষ্টের পোস্টে কিছু লিখতে যে সূক্ষ অনুভূতি আর সংবেদনশীলতা দরকার, তা আজকের চাপের পৃথিবীত বজায় রাখা মুশকিল। কেউ কেউ হয়তো পারেন- যেমন স্বপ্নবাজ সৌরভ।" - নিমো... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্টের সন্তান বিভক্তি

লিখেছেন পথিক৬৫, ১৬ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:৪০

বরগুনায় পুলিশ ছাত্রলীগ পেটাল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন, "বাড়াবাড়ি হয়েছে"। ঘটনার পরের দিনই এসপি সাহেব বদলির নোটিশ পেলেন। দেশের মিডিয়া এই ঘটনাকে নিয়ে হুমরি খেয়ে পড়ল। কার পক্ষ নিবে- পুলিশ নাকি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×