somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিয়ে, আমার এতো বড় সর্বনাশের গল্প !

১১ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই মনে হল আজকে আমার দিন মোটেও ভাল যাবে না । এমন মনে হওয়ার কোন কারন নাই । আমি ভবিষ্যত্‍ দেখতে পারি না । আমাদের পরিবারের কেউ কোন কালে জোত্যিষী ছিল না ।
তবুও একটু সংকিত হয়ে উঠলাম । মনে মনে একটু ভয় শুরু হল । বারে বার মনে হল আজকে নিশ্চই কিছু একটা হবে ।
খারাপ কিছু একটা হবে ।
প্রথম যে দিন এমনটা মনে হয়েছিল তখন আমার বয়স কম । ক্লাস সেভেনে পড়ি । সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠেই মনে হয়েছিল আজকে খারাপ কিছু হবে । তখন অবশ্য তেমন একটা আমলে নেই নি । আসলে আমলে নেওয়ার মত বিচার বুদ্ধি তখন খুব একটা হয় নি । সকালের নাস্তা করে স্কুলে গেলাম । তিন নম্বর পিরিয়ডে হঠাৎ স্কুলে দপ্তরি এসে হাজির । আমি তখন ব্লাক বোর্ড থেকে অংক তোলায় ব্যস্ত । দপ্তরি এসে আমার নাম ধরে ডাকতে লাগল ।
হেডমাস্টার সাহেব জাহিদ কে ডাকছে । মানে আমাকে ডাকছে । মনে মনে একটু ভয় নিয়েই হেড মাস্টারের রুমের দিকে হাটা দিলাম । বারবার মনে করার চেষ্টা করতে লাগলাম যে এমন কিছু করেছে কি না । কি আকামটা করেছি যার জন্য আমার ডাক পরেছে । তখনকার বয়সে মনে হত স্কুলের হেড মাস্টারের রুমে কেবল বড় কোন অপরাধ করলেই ডাক পড়ে ।
কিন্তু বড় কোন অপরাধের কথা মনে করতে পারলাম না কিছুতেই । হেড মাস্টারের রুমে গিয়ে দেখি আমাদের পাশের বাড়ির জমির চাচা বসে আছে মুখ গম্ভীর করে । রুমে ঢুকতেই হেড স্যার বলল
-জাহিদ । তোমার চাচা তোমাকে নিতে এসেছে । তুমি তোমার চাচার সাথে বাসায় যাও ।
আমি মাথা কাত করে বললাম
-আচ্ছা ।
আমার তখন এই আনন্দ হচ্ছে যে পঞ্চম পিরিয়ডের ইংরেজি ক্লাসটা করতে হবে না । স্যার আজকে একটা পুরো রচনা মুখস্ত করতে দিয়েছিল । আমার পড়া হয় নি । জমির চাচা উঠে দাড়ালেন । আমি জমির চাচার পেছন পেছন বের হতে যাবো এমন সময় হেড স্যার বললেন
-জাহিদ তোমার সামনের দুইদিন স্কুলে আসতে হবে না । তোমার ছুটি ।
এই রকম অপ্রত্যাশিত ছুটি পেয়ে আমি একবারে লাফ দিয়ে উঠলাম । ক্লাস রুম থেকে বই খাতা নিয়ে জমীর চাচার পেছন পেছন নাচতে নাচতে বাসায় গেলাম ।
তখনও ঠিক বুঝতে পারি নি ঠিক কি কারনে জমীর চাচা আমাকে স্কুল থেকে নিতে এল । বাসায় কাছে এসে হঠাৎই দেখি বাড়িতে অনেক লোকের ভিড় ।
যদিও তখন ছোট কিন্তু আমার বিন্দু মাত্র বুঝতে অসুবিধা হল না যে খারাপ কিছু হয়েছে । আমি এক দৌড়ে বাড়ির ভিতর গিয়ে দেখি উঠানের উপর একটা বড় পাটি তে আমার বাবা শুয়ে আছে । চোখ দুটো বন্ধ । নাকে তুলো গুজা ।
ঐ দিন আমার বাবা আমার কাছ থেকে দুরে চলে গেলেন। বলতে গেলে আমি ঐ দিনই এতিম হয়ে গেলাম । তারপর থেকে যতবার এই খারাপ কিছু হওয়ার অনুভুতিটা এসেছে ততবারই কিছু না কিছু খারাপ হয়েছে ।


আমি চিন্তিত মুখেই বাথরুমে গেলাম । বাথরুম থেকে বেরিয়েই দেখি রুবি আমার খাটের উপর বসে আছে । আমাকে বের হতে দেখে রুবি বলল
-বাব্বাহ । মানুষ এতোক্ষন বাধরুমে থাকে জানা ছিল না । কি করতে ছিলেন এতোক্ষন ?
আমি খানিকটা বিরক্ত হলাম ।
-কি করতে এসেছিস তাই বল । আমি কতক্ষন বাধরুমে থাকি সেটা গবেষনা না করলেও চলবে ।
রুবি মুখ বেকিয়ে বলল
-আমার সেটা বয়েই গেছে । এই নেন ।
এই বলে রুবি আমার দিকে একটা কাগজ তুলে দিল ।
-কি এটা ?
-জি প্রেম পত্র । আমার এক বান্ধবী আপনাকে দিয়েছে ।
-ফাজলামী করবি না । থাপ্পর খাবি তাহলে ।
-মেরেই দেখেন ।
আমি হাত তুলে মারার ভঙ্গি করতেই রুবি পালিয়ে গেল । যাওয়ার সময় দরজার কাছে থেমে বলল
-আজকে সন্ধ্যায় আপনার খবর আছে ।
-যা ভাগ ।
আমার এই চাচাতো বোনটা বড় ফাজিল হয়েছে । মাঝে মাঝে ঢং দেখলে রাগে শরীর জ্বলে যায় । কিন্তু কিছু বলতে পারি না ।
চাচার বাড়িতে মানুষ আমি । বলতে গেলে আশ্রিত । মায়ের চলে যাওয়ার পরে আমাকে দেখার যখন কেউ ছিল না তখন এই বড় চাচাই আমাকে নিজের বাসায় এসে রেখেছিল ।

আমি কাগজ খুলে দেখি বাজারের লিষ্ট । সাথে একটা একহাজার টাকার নোট । একটু অবাক হলাম । যা যা লেখা আছে তাতে বড় জোর শ'পাঁচেক টাকার বাজার হবে ।
তাহলে চাচী এতো বড় নোট কেন দিলেন ?
এতো দিন ধরে এ বাড়ির বাজার করে আসছি । এমন তো কোন দিন হয় না । চাচী একদম ঠিক কাটায় কাটায় টাকা দেন আমাকে । যা যা লাগবে ঠিক ততটুকু । তাহলে আজকে এতো বড় নোট কেন দিলেন ?
থাক । দরকার নেই ।
ফেরত্‍ টাকা বাজারের সাথে দিয়ে দিলেই হবে । বাজার থেকে ফিরে এসে চাচীকে কাগজ সহটাকা ফেরত্‍ দিয়ে ঘরের দিকে পা বাড়াবো তখনই চাচী ডাক দিল ।
-জাহিদ ।
-তোর টাকা চলে এসেছে কাগজের সাথে ?
-আমার টাকা ?
আমি পকেটে হাত দিতে গিয়ে দেখি চাচী পাঁচশ টাকার নোট টা আমার দিকে বাড়িয়ে দিল ।
চাচী বললেন
-পাঁচশ টাকায় সব কিছু হয়ে গেছে ?
-পাঁচশ টাকা ?
চাচী পাঁচশ টাকার কথা কেন বলল ? কাগজের ভিতরে তো এক হাজার টাকার নোট ছিল । চাচী কি ভুলে গেল নাকি কত দিয়েছিল ?
আমি বলল
-জি হয়ে গেল । দশ টাকা বেঁচে আছে ।
-আচ্ছা তোর কাছে রাখ । সিগারেট টিগারেট খাস ।
-চাচী আমি সিগারেট খাই না ।

আমি আসলেই সিগারেট খাই না । সিগারেট খেতে টাকা লাগে । সেই টাকা আমার কাছে নাই । চাচা এখানে আশ্রয় দিয়েছে এই টুকুই । তিনবেলা খাই আর রাতের বেলা ঘুমাই । বাদ বাকী কিছুর আমি চাচার কাছ থেকে নেই না । দুইটা টিউশনি করি । ঐটা দিয়ে কোন রকমে পড়ালেখা আর টুকটাক হাত খরচের টাকা চলে যায় । আমি সিগারেট খাওয়ার বিলাশিতা কিভাবে দেখাবো ?
চাচী আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-খাস না ? না খাওয়াই ভাল । খালি খালি টাকা নষ্ট ।
চাচী আর কথা বাড়ায় না । দশটাকা আর পাঁচশ টাকার নোটটা আমার হাতে দিয়ে চলে যায় । আমি নোট দুটো নিয়ে রুমে চলে এলাম । এখনও ঠিক বুঝতে পারছি এমনটা কেন হল ।
রুবি কিছু করে নি তো ?

রুবির ঘরে গিয়ে দেখি ও ওর কম্পিউটারে বসে কি যেন কর ছে ।
-রুবি ?
খানিকটা চমকে উঠে ও আমার দিকে তাকালো । চোখে মুখে কেমন একটা অপ্রস্তুত ভাব । তাড়াতাড়ি করে কম্পিউটারের স্কীন বন্ধ করে দিল । আমি বললাম
-কি করছিস ?
-কি ছু .......
-ওভাবে কম্পিউটার বন্ধ করলি কেন ?
-আমার ইচ্ছা । আর আপনি এভাবে দরজার নক না করে ভিতরে কেন ঢুকলেন ।
-আরে ..
আসলেই এভাবে দরজায় নক না করে ভিতরে ঢোকা ঠিক হয় নি । রুবি এই বার ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়েছে । ইন্টার পড়া মেয়ে অনেক বড় হয়ে য়ায় । আমি নিজেও একটু অপ্রস্তু হয়ে যাই ।
-আসলে ...
রুবি ততক্ষনে সামলে নিয়েছে । আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-আচ্ছা ঠিক । এর পর থেকে মনে থাকে যেন । কি বলতে এসেছেন বলেন ?
-চাচী কয়টাকা দিয়েছিল তোর হাতে ?
-কেন ?
-বলবি তো ?
-একহাজার ।
-এক হাজার ?
-সিওর ?
-জি না সিওর না ।
-আহা বল না । আমার কেন জানি মনে হচ্ছে চাচীর ঠিক মত মনে নাই আমাকে কয় টাকা দিয়েছিল । উনি হয়তো ভুল করে আমাকে পাঁচশ টাকা বেশি দিয়ে ফেলেছে ।
-ভাল তো । পাঁচশ টাকা মেরে দেন । ভয় নেই আম্মু টের পাবে না । এখন আপনি যান । জলদি যান ।
আমি আর কিছু বললাম না !

আমি নিজের ঘরে ফিরে এলাম । সকালবেলা মনে হয়েছিল দিন খারাপ যাবে । কিন্তু সকাল বেলা করেই এই রকম অর্থপ্রাপ্তীর ঘটনা !
ভার্সিটিতে গেলাম না ভয় তেই । না জানি কখন কোন অঘটন ঘটে যায় । কিন্তু টিউশনিতে যেতেই হল বিকাল বেলা । মনের ভিতর একটা ভয় লেগে ছিল নিশ্চই আজকে আমার টিউশনিটা চলে যাবে । দেখা গেল পড়াচ্ছি হঠাৎ করে ছাত্র বলল স্যার কাল থেকে আমি আর পড়বো না । অথবা বাচ্চার মাও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে এই কথাটা বলতে পারে ।
এমন একটা অভিজ্ঞতাও আছে । সেদিন সকাল বেলাও ঘুম থেকে উঠে ঠিক একই ভাবে মনে হয়েছিল ! আজকে কিছু একটা খারাপ হবে ।
মনে মনে ভয় থাকলেও সারা দিন কোন সমস্যা ছাড়াই চলে গেল । ঠিক সন্ধ্যা বেলা যখন পড়া শেষ হল দেখলাম ছাত্রের মা একটা খাম আমার দিকে এগিয়ে দিল !
একটু অবাক হয়েই টাকা টা নিলাম কারন মাস শেষ হতে এখন দু দিন বাকী ! এতো জলদি টাকা দেওয়ার মানে কি !
তারপরও ছাত্রের মা বলল
-আসলে বাবা আমাদের এখন সংসারে একটু টানা টানি চলছে ! সামনের মাস থেকে বাবু আর মনে হয় তোমার কাছে পড়তে পারবে না !

আজকেও না জানি এমন কিছু হয় ! কিন্তু যখন পড়িয়ে বের হয়ে এলাম তখনও যখন কিছু হল না তখন একটু হাফ ছেড়ে বাঁচলাম ! যাক !
এখন মনে হচ্ছে আর কোন সমস্যা নাই ! বাসায় গিয়ে খেয়ে একটা ঘুম দিলেই দিন শেষ !
কোন রকম সমস্যা ছাড়াই দিনটা শেষ হবে এটা ভাবতেই ভাল লাগছে !

বাসায় ড্রয়িং রুমে ঢুকেই দেখি চাচা গম্ভীর মুখে বসে আছে ! চাচার মুখটা এতো গম্ভীর যে আমি খানিকটা শংকিত হয়ে উঠলাম !
নিশ্চই কিছু হয়েছে ।
কি হয়েছে ?
বাড়ির কেই অসুস্থ হয়ে উঠলো ?
আমি চাচার সামনে খুব একটা পড়ি না ! আর পড়লেও একটু এড়িয়েই চলি ! কেন জানি চাচা কে একটু ভয়ই লাগে আমার !
আমি তবুও চাচার পাশে বসলাম ! চাচার মুখ গম্ভীর । এই সময় এখান থেকে চলে যাওয়া কেমন লাগে ?
আমি বসতে বসতে বললাম
-চাচা সব কিছু ঠিক আছে ?
চাচা কেবল আমার দিকে অগ্নি দৃষ্টিতে তাকালেন কিছুক্ষন ! কিন্তু কিছু বললেন না ! আমি বুঝতে পারছি চাচা কোন কারনে আমার উপর রেগে আছেন। কিন্তু ঠিক কি কারনে রেগে আছে তাই তো বুঝতে পারছি না ! সকালে ৫০০ টাকার কথা কি জেনে গেছে নাকি ?
নাহ !
এটা তো জানার কথা না !
তবুও এতো রাগার কি আছে ?
আশ্চার্য তো !!

আমি আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলাম তখনই চাচী রুমে ঢুকলেন ! আমার দিকে তাকিয়ে বলল
-জাহিদ তুই আমার সাথে আয় !
-কি হয়েছে চাচী !
চাচী কিচু বলতে যাবে তার আগেই চাচা চিৎকার করে বলল
-হারামজাদা জানিস না কি হয়েছে ? এখন আবার ন্যাকা সাজছিস ! থাপড়িয়ে তোর দাঁত খুলে ফেলবো !
চাচী বলল
-আহা ! এই সব কি ?
-এই সব কি জানো না ? এখনই ওকে বেরিয়ে যেতে বল ! এখনই ! আমার খেয়ে আমার পরে আবার আমার ঘরেই গর্ত করে ! এক্ষুনি বেরিয়ে যেতে বল !
চাচী আমার হাত ধরে অন্য ঘরে নিয়ে এল ! আমি এতোটাই অবাক হয়েছি যে কিছু বলতেও পারছি না ।
কি এমন হল ?
আর আমি কি এমন করলাম ?

তারপর চাচী আমাকে যা বলল তা শুনে আমি তো থ ! বারবার মনে হচ্ছে আমি ভুল শুনছি ! এ হতে পারে না ! কিছুতেই হতে পারে না !

বিকেল বেলা চাচা যখন বাসায় এল অফিস থেকে রুবি নাকি সরাসরি তাকে গিয়ে বলেছে যে আমাকে নাকি সে বিয়ে করতে চায় । এবং আজই । রাত দশটা পর্যন্ত সময় দিয়েছে সে । এর ভিতর যদি বিয়ে না দেয় তাহলে র‌্যাট কিলার খেয়ে সে মরে যাবে ।
সকাল বেলা নাকি সে র‌্যাট কিলার কিনে এনেছে !
আমি আসলেই কিছু বুঝতে পারছিলাম না এমনটা কেন হবে ! কেন ? রুবি এমন পাগলামো কেন করবে ?

দশটা বাজার আগেই রুবির সাথে আমার বিয়ে হয়ে গেল ! কোন আয়োজন না ! কেবল কাজী এল । আমাদের বিয়ে হল ! তারপর চলে গেল ! সারাটা সময় চাচা আমার পাশেই বসে ছিলান গম্ভীর মুখে ! কিন্তু বিয়ে পড়ানোর পরে যখন তাকে সালাম করতে গেলাম তখন সে আসলেই আমাদের দুজনকে দোয়া করলেন !
আমার কিছু করার ছিল না । যে মানুষটা আমাকে এতোদিন বিনা হিসাবে এভাবে আশ্রয় দিল কিছুতেই তার অবাধ্য হতে পারলাম না !
চাচা যখন নিজেই আমাকে আড়ালে ডেকে রুবিকে বিয়ে করার জন্য বললেন আমি কিছুতেই মানা করতে পারলাম না !
-জাহিদ !
-রাগ করেছিস ?
-কেন ? রাগ করবো কেন ?
-না ।ঐ যে তোকে বকলাম ।
-না না । কি যে বলেন !
-আসলে তুই তো আমার ছেলের মতই ! মাথায় একটু রাগ বেশি তো তুই জানিস ! তারপর রুবি এমন একটা পাগলামো করবে বুঝতেই পারি নি !
-না চাচা ঠিক আছে ।
-আমার মেয়েটা কে বিয়ে করবি ? তুই তো ওকে চিনিসই । একটু জেদি আর কি । দেখতেও খারাপ না ! কি বলিস !
-হুম !
-ওর মা বলল সত্যি নাকি র‌্যাট কিলার এনে রেখেছে । ওকে মাকে নাকি দেখিয়েছে !
-আচ্ছা !
-আমি তাহলে কাজী ডাকি ?
-আচ্ছা !

আমি কেবল ভাবছি আমি মনে হয় স্বপ্ন দেখছি ! আমি স্বপ্ন দেখছি !

এই জন্য কি রুবি বলেছিল যে আমার রাতে আজকে খবর আছে ?
এই জন্য কি আমার মনে বলছিল আজকে কিছু একটা হবে !
তাই বলে আমার এতো বড় সর্বনাশ হবে ! এতো বড় সর্বনাশ !!!
আল্লাহ আমাকে বাঁচাও !

Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৫৮
১৭টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিলে মানুষের সুদৃষ্টি বা কুদৃষ্টি দ্রুত পড়ে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:৫৩

আমি এখন পর্যন্ত ৮৯ টা পোস্ট করেছি। আরও দুই-চারটা হয়তো করেছিলাম কিন্তু এখন সরিয়ে ফেলেছি। আমি নিজের পোস্টের বিষয়বস্তু নিয়ে একটা হিসাব নিকাশ করে নীচের তথ্য পেলাম।

সাহিত্য, সঙ্গীত, কাব্য, সিনেমা... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:২০



স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবার সহ সকল শহীদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি ও দোয়া প্রার্থনা।

সামহোয়্যারইন ব্লগ ও সকল ব্লগারবৃন্দের পক্ষে,



ঠাকুরমাহমুদ
ঢাকা, বাংলাদেশ
১৫ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অমিয় বাণী সমগ্র।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ২:৪৪



পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেনের বাংলাদেশকে বেহেশতের সঙ্গে তুলনা, কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের জ্বালানি ও সারের দাম বৃদ্ধির পরও ফসল উৎপাদনের ওপর প্রভাব না পড়ার দাবি, প্রত্যেক মানুষের গায়ে জামা-কাপড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগেও একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে অসন্মান করা হয়!!!!

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৩২



প্রচন্ড ব্যস্ততা এবং আরো কিছু কারনে গত বেশ কয়েকদিন ব্লগে আসা হচ্ছে না। আরো বেশ কয়েকটা দিন আসার মতো অবস্থায়ও নাই আমি। তারপরেও একটা পোষ্ট আর তার কমেন্টগুলোতে চোখ আটকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

লোভ, ক্রোধ, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকি.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৫ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ৮:০২

লোভ, ক্রোধ, হিংসা, বিদ্বেষ থেকে দূরে থাকি.....

নবারুণ ভট্টাচার্যের একটা কবিতার কয়েকটি লাইনঃ-

“আজ্ঞাবহ দাস, ওরে আজ্ঞাবহ দাস
সারা জীবন বাঁধলি আঁটি,
ছিঁড়লি বালের ঘাস,
আজ্ঞাবহ দাসমহাশয়, আজ্ঞাবহ দাস!
যতই তাকাস আড়ে আড়ে,
হঠাৎ এসে ঢুকবে গাঁড়ে,
বাম্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×