somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাড়িওয়ালার মেয়ে নীলু !

৩০ শে জুলাই, ২০১৩ রাত ১০:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

-স্যার আসবো ?
আমি আধশোয়া হয়ে একটা বই পড়ছিলাম । নীলু দরজা দিয়ে উকি দিল
দরজাটা খানিকটা নড়বড়ে । টিনের তৈরি । নীলু ডাকার সময় মনে হয় একটু হাত দিয়ে স্পর্শ করেছিল । ক্যাঁচকুচ আওয়াজ করে উঠলো !

নাহ । এই মেয়েটা আমাকে ডুবাবে ।
একে তো বাড়িওয়ালার মেয়ে আর আমি এই চিলেকোঠার একমাত্র ব্যাচেলর ভাড়াটিয়া । যদি এখন কেউ নীলুকে আমার ঘরে দেখে আমার আর এখানে থাকা হয়েছে !
আমি উঠে বসতে বসতে বললাম
-তুমি এখানে কেন ? আমি তো একটু পরেই তোমাদের বাসায় আসতাম ।
নীলু দেখলাম আধ খোলা দরজা ঠেলে ঘরের ভিতর ঢুকে পড়ল । ওর হাতে মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই আর একটা খাতা ।
আমি খানিকটা অবাক হয়েই বললাম
-তুমি কি এখানেই পড়বা নাকি ?
-হুম । আজকে আপনার এখানে পড়ব । আপনি যেমন গান শুনতে শুনতে পড়াশুনা করেন আজকে গান শুনতে শুনতে আজকে আমাকে পড়াবেন ।
-নীলু তুমি বাসায় যাও আমি আসতেছি ।
-না । যাবো না ।
নীলু কেমন বাচ্চা মেয়েদের মত জিদ ধরে বসে রইলো । আমি এবার নরম গলায় বললাম
-প্লিজ এখন তুমি বাসায় যাও । আমি এখনই আসছি ।
-না আমি যাবো না । ঐ দিন আমি আপনাকে একটা কাগজ দিয়েছিলাম ঐটার জবাব আপনি কেন দেন নি ? আজকে ঐটার জবাব না দিয়ে আমি যাবো না !
আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম নীলুর দিকে । নীলু কেমন ঘোলা চোখে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে রয়েছে ।
আমার তখনই মনে হল নীলুর কি শরীর খারাপ ?
এতোক্ষন ভাল করে লক্ষ্য করি নি কিন্তু এখন আসলেই মনে হচ্ছে নীলুর শরীর খারাপ !
চোখটা যেন একটু লাল লাল !
আমি নীলুকে বললাম
-তোমার কি শরীর খারাপ ? জ্বর এসেছে ?
নীলু আর হাত আমার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল
-নিজে পরীক্ষা করে দেখেন !
এই মেয়েটার মনে কি চলছে ? আমি আবারও অবাক হলে নীলুর দিকে তাকিয়ে রইলাম !

নীলুর বাবা লুত্‍ফর রহমান আমাকে এই চিলেকোঠা ভাড়া দিয়েছে দুটি শর্ত সাপেক্ষে । প্রথমটা হচ্ছে বাসার কোন প্রকার ইতরামি করা যাবে না । কিন্তু এই ইতরামীর বলতে লুত্‍ফর রহমান ঠিক কি বোঝাতে চেয়েছেন আমি ঠিক মত বুঝতে পারি নি । আর দ্বিতীয় শর্ত হল তার দুই মেয়েকে পড়াতে হতে । যদি পড়ানো ভাল হয় তাহলে চিলেকোঠায় আমার থাকা পার্মানেন্ট হবে ।
গত ছয় মাস থেকে নীলু আর ওর ইলুকে পড়াচ্ছি । সব কিছু ঠিকই চলছিল তখনই নীলু একটা ঝামেলা বাঁধিয়ে ফেলল ।
চার দিন আগে নীলু আমার হাতে একটা কাগজ ধরিয়ে দিল । ওদের দুবোনকে পড়াচ্ছিলাম ইলু কি একটা কাজে অন্য ঘরে যেতেই আমার হাতের ভিতর কাগজটা গুজে দিল । আমি খানিকটা অবাক হয়ে বললাম
-এটা কি ?
নীলু শান্ত কন্ঠে বলল
-কিছু না ।
আমি খুলতে গেলেই নীলু বলল
-এখন না । বাসায় গিয়ে খুলবেন ।
আমি আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলাম কিন্তু ততক্ষনে ইলু চলে এসেছে । আমি আর বলতে পারলাম না ! বাসায় এসে কাগজ খুলে আমার খবর হয়ে গেল ।
সারা কাগজ জুড়ে কেবল লেখা ভালবাসি । আর ভালবাসি । এই টুকু পিচ্চি মেয়ে আবার বলে ভালবাসি ।
নাহ আজকেই ওর বাবার কাছে বিচার দিতে হবে বলে ঠিক করলাম কিন্তু তারপরেই মনে হল বিচার দেওয়া কি ঠিক হবে ? শেষ আমাকেই না আবার বাশ খেতে হয় ! মেয়ের বাপরা এটা কোন ভাবেই বিশ্বাস করবে না যে তা মেয়ে খারাপ হতে পার !
তখন যত দোষ ঋতুপর্না ঘোষ !


নীলু আমার আামর দিকে তাকিয়েই আছে সেই ঘোলা চোখে । আমি আবা রবললাম
-তোমার শরীর ভাল মনে হচ্ছে না । আজকে পড়তে হহবে না যাও !
-ভয় পাচ্ছেন ?
-কেন ? ভয় কেন পাবো ?
-না এই যে যদি কেউ চলে আসে এখন ? েকেউ যদি দেখে ফেলে !
আমি কথা না বলে নীলুর দিকে তাকিয়ে রইলাম কিছুক্ষন !
নীলু একটু হেসে বলল
-ভয় নেই ! বাবা এখন বাসায় নেই ! আ রমা উপরে আসবে না ! আপনি যা ইচ্ছা করতে পারেন !

আমি আবারও চমকে উঠলাম নীলুর কথায় ! এই মেয়ের মাথা মেন হয় আসলেই গেছে । কি সব উল্টাপাল্টা বকতেছ !
-দেখো নীলু বাসায় যাও ! এখনও বাসায় যাও !
নীলু আমার দিকে অদ্ভুদ চোখে কিছুক্ষন তাকিয়ে থেকে হেসে উঠলো ! তারপর বলল
-আসনি আসলেই ভীতুর ডিম ! ভীতু ছেলেদের মেয়েরা পছন্দ করে না !

এই বলে নীলু আর দাড়ালো না ! টিনের দরজায় ক্যাচকুচ আওয়াজ তুলে চলে গেল ! আমার বুকে রভিতর একটু কেমন যেন করতে লাগলো । মেয়েটা আমাকে ভীতু বল চলে গেল !
মাথা থেকে ঐ সব চিন্তা বাদ দিয়ে দিলাম । গরীব মানুষেরসব কিছু চিন্তা করতে নাই !

সন্ধ্যা বেলা যখন পড়াতে গেলাম গিয়ে দেখি কেবল ইলু পড়তে এল । আমার একবার মনে হল নীলু মনে হয় একতু পরে আসবে । অবশ্য অন্যান্য দিন নীলুই আগে পড়তে আসে । বেশ কিছুক্ষন পরেও যখন নীলু আসলো না আমি ইলুকে জিজ্ঞেস করলাম
-তোমার আপা কই ?
-আপার শরীর খারাপ ! আজকে পড়বে না !
-ও ! কি হয়েছে ? জ্বর ?
দেখলাম ইলুর মুখটা একটু বেজার হয়ে গেলে! মুখ বেজার করেই বলল
-না ! আপার তো লিভারে সমস্যা আছে !
-লিভার ?
-হুম !
-কত দিন থেকে ?
-ছোট বেলা থেকেই !

নীলুর শরীর সত্যি খারাপ ছিল তখন ! মেয়েটা হাত ধরতে বলেছিল । ধরলেই হত !

আমি মন খারাপ নিয়েই রুমে ফিরে এলাম !


-এই অপু !
-হুম !
-হুম কি ? ভাল করে বল ! আর অন্য দিকে তাকিয়ে আছো কেন ? আমার দিকে তাকাও !
আমি নীলুর দিকে তাকালাম !
নীলু আজকে শাড়ি পরেছে । চোখে কাজল দিয়েছে ঘন করে ! আর হাতে মেহেদি দিয়েছে ইচ্ছা মত ।
আজকাল ইনস্ট্যান্ট মেহেদি পাওয়া যায় ! যে কেউ চাইলেই হাতে দিতে পারে !
আর আগে হাতে মেহেদি দিতে গেলে কত ঝামেলা সহ্য করতে হতে ! মেহেদির পাতা আনো, বাটো ! তারপর হাতে লাগিয়ে চুপচাপ বসে থাকো ঘন্টার পর ঘন্টা । আর এখন পাঁচ মিনিটেই রং হয়ে যায় !
আমি বললাম
-বাহ ! সুন্দর করে মেহেদি দিয়েছো তো ?
-হুম ! তোমার জন্য দিয়েছি !
আমি এতোক্ষন পরে লক্ষ্য করলাম নীলু আমাকে তুমি তুমি করে বলছে ! আমি অবাক হয়ে বললাম
-কি ব্যাপার তুমি আমাকে তুমি করে বলছো কেন ?
নীলু আমার থেকেও অবাক হয়ে বলল
-বারে ! তোমাকে তুমি করে বলবো না তো কাকে তুমি করে বলবো ? তুমি আমার হাসবেন্ড না ?
আমি মুখ হা করে বললাম
-আমাদের বিয়ে হল কবে ?
-কি তুমি ভুলে গেছ ? যাও তোমার সাথে কথা নাই ! নিজের ঘরে গিয়ে দেখো ! এখনও আমাদের বাসর রাতের ফুল লাগানো রয়েছে !
-কি বলছো এসব ?
-যাও ! আগে নিজের চোখে দেখে আসো ! দরকার হলে কাবিন নামা আর বিয়ের ভিডিও দেখাবো !

আমি খানিকটা অবিশ্বাস নিয়ে নিজের ঘরের দিকে রওনা দিলাম ! এই মেয়ে কি বলছে তার কিছুই আমি বুঝতে পারছি না ! নীলুর সাথে আমার বিয়ে হল কবে ?
ও তো হাসপাতালে ছিল ! শুনছিলাম ওকে নাকি বাইরে নিয়ে যাবে !
ওর সমস্যাটা একটু খারাপের দিকে চলে গিয়েছিল ! তাই হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল !

আমি তো ওদের টিচার খুব বেশি জানতে পারি না । ইলুর কাছ থেকেই যা শুনি ! লুৎফর সাহেব সারা দিন মেয়েকে নিয়ে ব্যস্ত ! বাসায় ওর মাও মন মরা হয়ে বসে থাকে ! কাকে জিজ্ঞেস করবো !
ইলু ছাড়া আর কোন উপায় নাই !
একদিন ইলুর কাছ থেকে ঠিকানা নিলাম হাসপাতালের । কিন্তু কেন জানি দেখা করতে যেতে পারলাম না ! সারা দিনই কেবল ওর হাসপাতালটার আসে পাশে ঘোরাঘুরি করে চলে এলাম !

দরজা দিয়ে ঘুরে ঢুকতেই কেমন একটা ধাক্কার মত খেলাম ! এতক্ষন তো দিন ছিল ! হঠাৎ করেই রাত হয়ে গেল কেমন করে ! ঘরের লাইট জ্বাললাম !
বাইরে এসেও দেখিই রাতই ! সন্ধ্যা মিলিয়েছে অনেক আগেই ! নীলুকে আশে পাশে খুজতে লাগলাম ! কিন্তু কোথায় কি ?
তাহলে এতোক্ষন ?
স্বপ্নে দেখলাম !
জেগে জেগে ?

কি হচ্ছে এসব ? কি দেখছি ! নীলুকে আমার বউ হিসাবে দেখবো কেন ?


-অপু আছো ?
আমি তাকিয়ে দেখি লুৎফর সাহেব ! এই কদিনে বাড়িয়ালার বয়স অনেক বেড়ে গেছে ! নীলুকে নিয়ে অনেক দৌড়া দৌড়ি করতে হচ্ছে মনে হয় !
আমি বললাম
-জি !
-একটু সময় হবে তোমার !
-বলুন !
-না মানে ! নীলুকে নিয়ে আজকে মাদ্রাজ যাচ্ছি ! ওখানে ওর একটা অপারেশন হবে ! রাত তিনটার দিকে রওনা দিবো !
আমার মনটা খারাপ হল ! মেয়েটার শরীর আসলেই খারাপ ! সেদিন মেয়েটার হাত ধরলেই হত !

লুৎফর সাহেব একটু ইতস্তর করতে করতে বলল
-নীলু তোমার সাথে একটু দেখা করতে চায় ! তুমি যাবে ?
-সে কি বলছেন ? যাবো না কেন ? অবশ্যই যাবো !
-ইলুর কাছ থেকে শুনলাম তুমি হাসপালের ঠিকনা নিয়েছিলে ! গেলে না যে !
-আসলে .....।
আমি বলতে গিয়ে থেমে গেলাম ! মনে মনে বললাম গিয়ে ছিলাম । বেশ কয়েক বার গিয়ে ছিলাম ! কিন্তু ভিতরে যেতে পারি নি সংকোচনের কারনে !

যাওয়ার পথে হঠাৎই বাড়িওয়ালা আমার হাত ধরে বলল
-বাবা, নীলু যদি তোমাকে এমন কিছু বলে তুমি কিছু মনে কর না । কেমন ?
-কি বলছেন ? কেন মনে করবো ?


নীলু শুয়ে ছিল কেবিনে ! আমাকে আসতে দেখেই উঠে বসলো ! আমার দিকে খানিকটা তাকিয়ে রইলো অভিমানের চোখে !
-আপনি এখন এলেন ! আমি মরলে তারপর আসতেন আমাকে দেখতে ?
আমি কোন কথা বলতে পারলাম না ! লুৎফর সাহেব আমার পাশেই দাড়িয়ে ছিল ! দেখলাম একটু পরে তিনি নিজেই চলে গেলেন ! আমি নীলুর বেডের কাছে গিয়ে বসলাম !
নীলুর চেহারা কেমন যেন একটু শুকিয়ে গেছে !
নীলু আবার বলল
-কি কথা বলছেন না কেন ?
-কি বলবো ?
-কিছু বলার নাই !
আমি কথা না বলে হাসলাম একটু !
-হাসছেন কেন ?
-এমনি !
এরপরপ কিছুক্ষন চুপ করে থেকে বলল
-আপনি এসে ছিলেন তাই না ? আমি বুঝতে পেরেছি !
-হুম !
-তাহলে আসেন নি কেন ?
-আসতে পারি নি !
-কেন ?
-জানি না !
-কদিন এসেছেন ?
-সব কয়দিন !
আমি আসলেই প্রতিদিনই এই হাসপাতালের আসেপাশে এসে বসে থাকতাম । কেন থাকতাম জানি না !
আমি নীলুর দিকে তাকিয়ে দেখি ওর চোখে পানি !

আজকে আমি খানিকটা সাহসী হলাম । নিজের হাত দিয়ে ওর চোখের পানি মুছে দিলাম !
নীলু বলল
-সেদিন আপনাকে একটা কথা বলেছিলাম মনে আছে ?
-কোন কথাটা ?
-ঐ যে আপনি ভীতু ?
-হুম !
-আপনি আসলেই অনেক ভীতু !
আমি হাসলাম ।
-আরো একটা কথা বলেছিলাম !
-হুম !
-মেয়েরা ভীতু ছেলে পছন্দ করে না !
-হুম !
-কথাটা ঠিক না !
-আমি জানি !
কিছুক্ষন চুপ করে থেকে নীলু বলল
-জানেন আমি না আজকে একটা স্বপ্ন দেখেছি !
-স্বপ্ন ?
-হুম ! খুব সুন্দর স্বপ্ন !
-তুমি শাড়ি পরে আমার সাথে ছাদের দাড়িয়ে ! তোমার হাতে মেহেদি ...
আমি পুরো বাক্যটা শেষ করলাম না ! দেখলাম নীলু অবাক হওয়ার চোখে আমার দিকে তাকিয়ে আছে !
একটু পর নীলু বলল
-তুমিও দেখেছো ?
-হুম ! তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছিল শাড়িতে ! কোন দিন পর নি শাড়ি !
আবার দেখলাম ওর চোখ দিয়ে পান পরছে ! আমি এবার ওর চোখ মুছিয়ে না দিয়ে ওর হাতটা একটু ধরলাম ! হাতের মুঠোর মাঝে একটা ছোট্ট চিরকুট দিয়ে বললাম
-তোমার চিঠির জবাব ! অনেক দিন আগেই লিখেছিলাম ! দিতে পারিনি !
নীলু চিঠি হাতে নিয়ে আবারও হু হু করে কেঁদে উঠল ! আমার খানিকটা জড়িয়ে ধরার মত করে ধরে বলল
-আজকে কেন জানি খুব বাঁচতে ইচ্ছা করছে । অপু ! খুব বেশি বাঁচতে ইচ্ছা করছে ! আমি বাঁচবো না বল ?
-হুম ! তুমি অবশ্যই বাঁচবে ! এবার ফিরে আসলো তুমি শাড়ি পরবে কেমন ! চোখে কাজর দিবা ! আর টিউবের মেহেদি দিবা না কিন্তু !
-তাহলে ?
-আমি তোমাকে মেহেদি পাতা এনে দিবো ! ঐ বেটে তারপর দিবা !
-আচ্ছা !


আমি যখন ওকে বিমান বন্দরে রেখে এলাম কেন জানি আমার মনে হল নীলুর কে হয়তো শাড়িতে আর কোন দিন দেখতে পাবো না ! মেহেদি পাতাও হয়তো আনা হবে না ওর জন্য !

Click This Link
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শাল বাইম এর বদলে কুঁইচা......

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ সকাল ১১:০৫

শাল বাইম এর বদলে কুঁইচা......

বাইম মাছ খুব সুস্বাদু একটি মাছ। আমাদের দেশে সাধারণত দুই ধরনের বাইম মাছ পাওয়া যায়। একটা তারা বাইম/গুছি বাইম ইংরেজিতে বলে Star Baim। অন্যটার নাম শাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

লেখক সালমান রুশদির উপর আক্রমন

লিখেছেন কাল্পনিক_ভালোবাসা, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:০২

লেখক ও সাহিত্যিক সালমান রুশদির উপর আক্রমনের ঘটনা ঘটেছে। ধারনা করা হচ্ছে উগ্রবাদী 'ধর্মীয়' মনোভাবের কারনে এই আক্রমনের ঘটনা ঘটেছে।



সালমান রুশদি মূলত খ্যাতি অর্জন করেন 'মিডনাইটস চিলড্রেন' নামক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আরও একটি বিচার হবে।

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:২৫


(ছবিতে কপি রাইট আছে।)


দুনিয়ায় বিচার শেষ বিচার নয়।
আরও একটি বিচার হবে।
সেটাই হলো শেষ বিচার।
এই বিচারে তাদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে
যারা দেশ প্রেম ইমানের অঙ্গ
নামক কথাটিকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মডুদের কাছে অনুরোধ এবং ব্লগারদের কাছে ক্ষমা চেয়ে দরখাস্ত

লিখেছেন কিশোর মাইনু, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:২২

স্কুলকলেজে থাকতে মারাত্বক বই পড়ুয়া ছিলাম। বাতিঘর নামের এক লাইব্রেরীতে গিয়ে সারাদিন বসে থাকতাম। নতুন কোন বই পেলেই পড়ে ফেলতাম। এক পর্যায়ে গিয়ে বাতিঘরের গার্ড পর্যন্ত যখন বাতিঘর থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মবিশ্বাস

লিখেছেন মোহাম্মাদ আব্দুলহাক, ১৩ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৪:২০



মৃত্যু এবং ধর্ম থেকে মানুষ দূরে থাকতে চায়। ধর্ম হলো আয়না। মানুষ আত্মদর্শন করতে চায় না। অন্যের সকল দোষ পরখ করে খুঁটিয়ে দেখে, নিজেকে নির্দোষ ভাবে। অন্যের খাটের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×