
বুড়িগঙ্গা । এর এক ইতিহাস আছে । সেই ইতিহাসে যাচ্ছি না । কারন সাল মনে রাখতে পারনি না । অনেক বছর পর লঞ্চে বাড়ি গিয়েছিলাম । তবে বরিশাল গিয়েছি এবার বিয়ে খেতে । বন্ধুর বড় বোনের বিয়ে ।

সুরভী - ৮ এ গিয়েছিলাম । তিন বন্ধু মজা করতে করতে গিয়েছি । এখনকার লঞ্চ গুলো অনেক বড় আর সুন্দর ।

বাশি শুনে আর কাজ নাই, সে যে ডাকাতিয়া বাশি । তবে পারি না ভালো । চেষ্টা করছি । হয়ে যাবে ।

সদরঘাটের লঞ্চ দেখতে ভাল ই লাগে । বড় বড় লঞ্চ । তার চেয়ে বড় কথা যখন চলা শুরু হয় পাল্লা দেখতে ভাল লাগে ।

লঞ্চের পিছনে দাঁড়িয়ে ছিলাম । বন্ধু খিচে দিছে । ভাবছিলাম লাফ দিলে কেমন লাগবে । তখন মনে হলো যেই শীত তাতে বেচে ফিরতে পারব না । তাই লাফ দেই নাই ।

বিবির পুকুর পাড় । তবে কোন বিবির দেখা পাই নাই । বিয়ে দেখতে গিয়ে নিজের বিয়ে নিয়ে ভাবছিলাম । তবে বিবি পাই নাই ।

বিবির পুকুর পাড়ের গুড়ের চা । টিএসসি এর গুড়ের চায়ের চাইতে বেশি ভাল লেগেছে । কেন জানি না । তবে গরুর দুধ ছিল ।

দই চিড়া । দারুন একটা খাবার । ঢাকায় শাহাবাগে মাঝে মাঝে খাই ।

রাস্তার নাম রাজা বাহাদুর সড়ক । হিরন সাহেব বরিশালের যেসব পরিবর্তন এনেছেন তার মধ্যে একটি । যত দূর মনে হয় ওনার কাজ গুলোই বরিশাল কে অন্য রূপে প্রতিষ্ঠা করেছে ।

স্কুলের নাম ভুলে গিয়েছি । এক বছর আগে গিয়েছি । গত শীতে গিয়েছিলাম । তাই মনে নাই ।

বিশাল মাঠ দেখে স্কুলের কথা মনে পরে গিয়েছিল । আমি যেসব স্কুলে পড়েছি সব স্কুলেই বড় বড় মাঠ ছিল । আহা ।

ফিরে এসেছিলাম গ্রীন লাইনে । প্রথম বারের মত এইটাই চড়ছি । ভয়ে ছিলাম । শুনছি লাগলেই শেষ । তাও ভাল ফিরে আসতে পারছি ।

সুরুভী - ৯ । বাংলাদেশের অন্যতম বড় লঞ্চ এর একটি ।

লঞ্চ ঘাট । এটা গ্রীন লাইনের ছাদের উপর থেকে তোলা ।

এটাও ছাদের উপর থেকে তোলা । সোনালী আলোর একটা আভা ভাল লেগেছে ।

কীর্তনখোলা - ১০ । তখন ও চালু হয়নি । টেস্টিং চলছিল ।

খাবারও দিছে গ্রীন লাইন । বাহ !!! বাহ !!! আমার মতো খাদক এর চেয়ে বেশি কি ভাল লাগে ।

ভিতরে কেক, ড্রাই কেক, ম্যাংগো বার চকলেট ছিল । তবে শুনেছি আগে নাকি বিরিয়ানি দিত । এটা শুনে অনেক দুঃখ হয়েছে ।

ছাদের উপর থেকে এই দৃশ্য দেখলাম । আমি আজও বুঝলাম না এই গুলো ডুবে না কেন । তবে সাইন্স অনুযায়ী চলে । তবে যারা বানায় তারা তো সাইন্স জানেও না । তারপরও দারুন কাজ ।

এই জিনিশটা আমাকে অনেক দুঃখি করেছে । আমাদের সচেতনতা নেই । গ্রীন লাইনে আমি জানতাম সফিস্টেকেটেড লোকজন চলাচল করে । এবং আমার পর্যবেক্ষনেও তাই বলে । পাশেই ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও বাইরেই ফেলেছে ।

ঢাকা পৌছে যাই । তবে সেটা প্রায় ১০ টা বেজে যায় । তারপরও ঢাকা চলে আসি ।
বরিশালের শহর পুরোটা ঘুরতে পারিনি । তবে পরেবার ঘুরব আশা রাখি । অনেক জায়গায় ঘুরার ইচ্ছে ছিল পারিনি । এটা শুধু জার্নি ছবি । নিজের কাছেই তখন খারাপ লেগেছে । আমার বাড়ি কুয়াকাটা অথচ বরিশাল ঘোরা হয়নি । তবে ছুটি পেলেই চলে যাবো পুরো বরিশাল ঘুরতে । আজ এ পর্যন্ত ই ।
ভাল থাকুন । সুস্থ থাকুন । বই পড়ুন । আপনার চারপাশ পরিস্কার রাখুন ।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



