বিজ্ঞাপনটি ছাপা হয়েছে একটি জাতীয় দৈনিকে। বিজ্ঞাপনটি এ রকম: ‘সুখবর! সুখবর! সুখবর! বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি) কর্তৃক অনুমোদিত বহুল আকাঙ্ক্ষিত আইজিডব্লিউ, আইসিএক্স ও আইআইজি লাইসেন্স এখন আপনার হাতের নাগালে। চাইলেই যে কেউ এখন যেকোনো লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোম্পানির মালিক হতে পারেন। আগ্রহী ক্রেতাদের আর্থিক ও কারিগরি যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। আগ্রহী ক্রেতারা বাংলাদেশ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় এবং বিটিআরসিতে লাইসেন্সগুলো যাচাই করে নিতে পারবেন। আপাতত বিক্রয়যোগ্য কোম্পানির সংখ্যা আইজিডব্লিউপ্রাপ্ত আটটি, আইসিএক্সপ্রাপ্ত ছয়টি এবং আইআইজিপ্রাপ্ত ১৬টি। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। আগ্রহী ক্রেতারা অতিসত্বর যোগাযোগ করুন।’
বিজ্ঞাপনটি দিয়েছেন জনৈক মেহেদী হাসান। বিজ্ঞাপনে একটি মুঠোফোন নম্বর এবং একটি ই-মেইল ঠিকানাও দেওয়া আছে। বিজ্ঞাপনটি ছাপা হয় ১২ ফেব্রুয়ারি, রোববার। এর ঠিক তিন দিন আগে, গত বৃহস্পতিবার বৈদেশিক কল আদান-প্রদানে মোট ৮৫টি প্রতিষ্ঠানের নামে তিন ধরনের গেটওয়ে লাইসেন্সের সুপারিশ করেছিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়।
মূলত রাজনৈতিক প্রভাবে অনেক লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা বেশির ভাগ সময় লাইসেন্স পাচ্ছেন না। আর যাঁরা পাচ্ছেন, তাঁরাও এভাবেই অর্থের বিনিময়ে লাইসেন্স বিক্রি করে দিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, গেটওয়ে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা অনেকগুলো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নামে-বেনামে যুক্ত রয়েছেন বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী নেতারা।
আমি কিন্তু সরকারের দায়িত্বশীলতা দেখে অভিভুত।দল ক্ষমতায় থাকলে জনগনের জন্য কিছু না করলেও তাদের দলের নেতা কর্মীদের তো লুটপাটের সুযোগ দিতেই হবে, হালুয়া রুটির অংশিদার করতেই হবে। তা নাহলে আগামী নির্বাচনে মাঠে কে কাজ করবে। তাই না ? আপনারা কি বলেন ?
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


