অফুরাণ কীর্তির মাঝে একদিন জুনিয়ররা বিলা হইল খুব। আমরা থাইকাও নাই অবস্থা। ব্যাচ বাইর হইয়া গ্যাছে ৪ বছর আগে। ক্যাম্পাস তাগো হাতে। তয় আমাগো কথা শোনে। ঘাটায়োনা। ক্যামনে কি! ফয়সাল নামে ছোটভাই কইল নাঈম তার বড় ভাইর কাছে ওর নামে ভাঙানি দিছে। চুকলিবাজি। এখন ওরা ওরে শাস্তি দিব। কইলাম- ঠিকাছে। তয় মাইরধোর চলব না। জুনিয়রের হাতে সিনিয়র নিগ্রহে আমার চিরকালই অরুচি। যদিও আইডিয়াটা খুব খারাপ না ক্যাম্পাস রাজনীতিতে। ছোটভাই দিয়া ইনসাল্ট করাইয়া 'করস কি করস কি' বইলা দৌড়াইয়া যাওয়াটা বড় ভাইরা অহরহ করতেন। আমার নাপসন্দ।
তারপরো ক্যাম্পাসে থাকা অবস্থায় এমন কিছু আমার গোচরে আনা হবে, হস্তক্ষেপও চাওয়া হবে ভাইবা গেলামগা এক বন্ধুর ওইখানে। সন্ধ্যায় ঘুরলাম, পিনিক লইলাম, মুভ্যি দ্যাখলাম। ভাত খাইয়া রুমে। হঠাৎ শুনি খুব চিল্লাচিল্লি। ভাঙচুরের আওয়াজ। নাঈমরে পিক অ্যান্ড পেইন্ট করার কথা ক্যাম্পাসে, হোস্টেলে না। বাইর হইয়া দ্যাখি রবিন একটা গ্লাস আছাড় মারলো। 'সব চুদির ভাইরে আইজকা ব্রাশ কইরা মাইরালামু। এত্ত বড় সাহস। নাঈমের গায়ে হাত, নাঈমের গায়ে'- কইয়া দিল এক দৌড় ক্যাম্পাসের দিকে। ভোদাইর মতো তাকাইয়া আছি। করণীয় ভাবতাছি। এইটা তো বড় ক্যাচাল হইয়া গ্যাল। এট্টু পর রবিন-নাঈমের রুমমেট টুটুল আইল দৌড়াইয়া। 'দোস্, পাগল থামা।' জিগাই-
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৪:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






