somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সর্ষের মধ্যে ভুত!!!!!! :-/ :) :P

০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

*মিসবাহউদ্দীন খান
* বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীর
* মহিউদ্দীন খান আলমগীর


তিন ভাই। দ্বিতীয় ও তৃতীয় জন নামে পরিচিত। প্রথম জন পুত্রে পরিচিত। টপ লেভেল ঘাদানিক মুনতাসীর মামুনের পিতা তিনি।



১৯৭১ সালে মিহবাহ উদ্দীন খান চট্টগ্রামের বন্দরের কর্মকর্তা ছিলেন। বসবাস করতেন পাকিস্তানী আর্মির অন্যতম প্রধান ঘাটি বন্দরের সরকারী বাসায় ১৯৭১ সালের শেষের দিকে চরম যুদ্ধের সময় মুনতাসীর মামুনও তার পিতার সাথে চট্টগ্রাম বন্দরের সরকারী বাসায় আর্মির নিরাপত্তায় বসবাস করতেন, যেন কোন সমস্যায় পড়তে না হয়। মিসবাহ উদ্দীন খান বা তার পুত্র মুনতাসীর স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন নি, এমনকি যুদ্ধের সমর্থনে পাকিস্তান আর্মির অধীনে চাকুরী করা থেকেও বিরত থাকেন নি, বাসাও ছেড়ে দেন নি। বরং পুরো সময়টি তিনি পাকিস্তানী আর্মির অধীনে চট্টগ্রাম বন্দরে চাকুরী এবং তাদের দেয়া বাসায় স্বপরিবারে বসবাস করে, পাকিস্তান আর্মিকে সহযোগীতা করেছেন।

বোরহানউদ্দীন খান জাহাঙ্গীর। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
ছিলেন। ঢাকা শহরের ওই সময়ের সবচেয়ে অভিজাত এলাকা ধানমন্ডীতে তিনি বসবাস করতেন। ঘাদানিক মুসতাসীর মামুন যুদ্ধ শুরুর পর চাচা বোরহানউদ্দীন খানের বাসায় চলে আসেন এবং অক্টোবর পর্যন্ত ছিলেন। ওই সময়ে পাকিস্তান আর্মি বা পাকিস্তানের কঠোর সমর্থক,
সহযোগী ছাড়া ধানমন্ডীতে কেউ থাকতে পারতেন না। ঢাবি'তে নিয়মিত ক্লাস হতো না বলে ১৯৭১ সালে বোরহানউদ্দীন খান বেসরকারী ফার্মে চাকুরী নেন ও নিয়মিত অফিস করতেন। যুদ্ধের পুরো সময়ে পাকিস্তান
আর্মি তাকে কোন সন্দেহ করেনি বা তিনিও কোন সমস্যায় পড়েন নি। ভালই বন্ধুত্ব ছিল আর্মির সাথে। কথাগুলো কিন্তু স্বীকার করেছেন মুনতাসির মামুন নিজেই।



মহিউদ্দীন খান আলমগীর সচিব ছিলেন, সরাসরি রাজনীতি করতেন সবই জানা ছিল। কিন্তু তিনি ১৯৭১ সালে রাজাকার রিক্রুটমেন্টের সরকারী দায়িত্ব পালন করতেন তা জাতি জানতো না। জানলেও প্রকাশ করা হয়নি। কাদের সিদ্দীকি সেটা প্রকাশ করলেন। মহিউদ্দীন খান আলমগীর পাকিস্তান
আর্মির অধীনে ১৯৭১ সালে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করেছেন এবং সেই জেলা প্রশাসকের অন্যতম কাজ ছিল রাজাকার রিক্রুট করা। তার নেতৃত্বে সংশ্লিষ্ট জেলায় রাজাকার নিয়োগ দেয়া হতো। তথ্যেটি কাদের সিদ্দীকি প্রকাশ করার পর মন্ত্রী কোন প্রতিবাদ করেন নি।
অর্থাৎ কাদের সিদ্দীকি যা বলেছেন তা পুরোপুরি সত্য। পুরো পরিবার ১৯৭১ সালে পাকিস্তান আর্মির অধীনে চাকুরী করে, পাকিস্তানের চুড়ান্ত
অনুগত থেকে, পাকিস্তান আর্মির ঘাটিতে বসবাস করে তাদেরকে সহযোগীতা করে, রাজাকার নিয়োগের দায়িত্ব পালন করে, স্বাধীন বাংলাদেশে তারা সবাই স্বাধীনতার চেতনাবাহী! একেই বলে ভাগ্য! তারাই এখন যুদ্ধাপরাধের বিচারের মূল সৈনিক ও স্ক্রীপ্ট লেখক! ওদের দিয়েই স্বাধীনতার চেতনার বাস্তবায়ন করবেন শেখ হাসিনা!...
৪টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩


ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;

১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘র’-এর কৌশল, প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি , পর্ব ০১

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭

'র'-এর গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ও তৎপরবর্তী পরিচালিত কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজি ও বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার বিবরণ দেয়া প্রয়োজন । ১৯৬৮ সালে 'র' গঠিত হয়েছিল মূলত বৈদেশিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×