somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এক্সক্লুসিভ পোস্ট ফর ফেসবুক ইউজার :) :) :-B

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এক্সক্লুসিভ পোস্ট-কিভাবে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ব্লকে না পড়েই প্রচুর ফ্রেন্ড বাড়ানো যায়....!সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকে সবচাইতে আলোচিত এবং বিরক্তিকর জিনিস হচ্ছে 'Friend Request Sending Blok' বা সোজা বাংলায় রিকোয়েস্ট ব্লক খাওয়া যাকে বলে আরকি! অনেককেই স্ট্যাটাস দিতে দেখি, 'মাত্র দুইটা রিকু না পাঠাইতেই জুকাইররা আমারে রিকোয়েস্ট ব্লক দিলো।'তাদের ক্ষোভ অহেতুক নয়, কিন্তু তাদের সব রাগ যেনো জুকারবার্গের উপরে, তাই বোধয় জুকারবার্গকে গালি দিয়া বিশেষ শান্তি অনুভব করে। ;Dযাই হোক, আসল কথায় আসি।কিছু নিয়ম মেনে চললে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ব্লক না খেয়েই অল্প দিনে অনেক ফ্রেন্ড বাড়ানো যায়।অনেকেই এটা জানেন কিন্তু অন্যদের জানাতে চান না।তাই যারা জানেন না তাদের কথা চিন্তা করেই আমার এ পোস্ট।যেসব নিয়ম মেনে চলতে হবেঃ :)

১. একেবারে নতুন আইডি খুলে তা দিয়ে ধুমসে রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না, তাতে ফটো ভেরিফিকেশন এ পড়া নিশ্চিত,আর ফটো ভেরিফিকেশনে না পড়লে রিকোয়েস্ট ব্লক খাবেন।

২. নতুন আইডি খুলে অল্প কয়েকজন ফ্রেন্ড বানিয়ে ডিঅ্যাকটিভ করে রেখে দিতে পারেন অথবা অল্পস্বল্প ব্যবহার করে আইডিটাকে পুরাতন বানান।আর পুরাতন আইডি আগে থেকে থাকলে তো আরো ভালো।

৩. এখন, আইডি পুরাতন হওয়ার পর প্রথম দিকে রিকোয়েস্ট ব্লক খাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম,অন্তত এক হাজার ফ্রেন্ড হওয়ার আগে।এ সময়টাতে আপনি ভালো পরিমাণ ফ্রেন্ড বানিয়ে নিন।একসাথে অনেককেই রিকোয়েস্ট পাঠাতে পারেন, তবে অ্যাক্সেপ্ট না হলে ১০ - ১৫ মিনিটের মধ্যে ক্যানসেল করে দিবেন।

৪. আর কারো সাথে যদি ফ্রেন্ড হওয়া জরুরী মনে করেন তাহলে তাকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সাথে একটা মেসেজ দিন, যাতে ঝুলিয়ে না রেখে অ্যাক্সেপ্ট করে।

৫. এভাবে ফ্রেন্ড বাড়াতে থাকলে অল্প কয়েক দিনেই আপনি হাজার দুয়েক/তিনেক অ্যাকটিভ ফ্রেন্ড পেয়ে যাবেন।এর আগে বা পরে আপনি একবার ওয়ার্নিং পাবেন, অতিরিক্ত ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর কারণে।অনেক ভাগ্যবান ভাইয়েরা লিস্ট ফুল হয়ে যাবার পরও ওয়ার্নিং পায় না, আপনার ক্ষেত্রে সেরকম হলে তো সোনায় সোহাগা।আর যদি ওয়ার্নিং পেয়ে বসেন তাহলে সতর্ক হয়ে যান, নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশী রিকোয়েস্ট কখনো পাঠাবেন না,আর ঐ সময়টাতে আপনাকে নিশ্চিত থাকতে হবে যে আপনার পাঠানো কোনো রিকোয়েস্ট ঝুলে নেই, প্রয়োজনে প্রতিটা রিকোয়েস্ট এর সাথে একটা করে মেসেজ দিন। :-B

৬. অনেকেই অল্প মিউচুয়াল ফ্রেন্ড এমন আইডি থেকে রিকোয়েস্ট এসেছে দেখলে ফলোয়ার বানিয়ে রেখে দেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে... যাদেরকে রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছেন দেখে নিন তাদের সাথে আপনার পর্যাপ্ত পরিমাণ মিউচুয়াল ফ্রেন্ড আছে কি না?? না থাকলে রিকোয়েস্ট পাঠানোর দরকার নেই, কারণ তাদের অ্যাকটিভ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

৭. এবার একটা গুরুত্ব পূর্ণ কথায় আসি..নানাবিধ সতর্কতা অবলম্বন করার পরও যদি প্রথমবারের মতো ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট ব্লক খেয়ে বসেন আতংকের কিছু নেই, কারণ ততোদিনে আপনার লিস্ট অর্ধেক বা তার চাইতে বেশী ফুল হয়ে যাবে। প্রথম বার ৭ দিনের জন্য রিকোয়েস্ট ব্লক খাবেন, সুতরাং সাতটা দিন পার হয়ে যেতে দিন।

৮. এবার অষ্টম দিনে ব্লক থেকে মুক্তি পেয়ে খুশিতে গদগদ হয়ে একগাদা রিকোয়েস্ট পাঠাবেন না। একটা কথা সবাই জানেন, জেল থেকে অপরাধী ছাড়া পাওয়ার পর বেশ কিছু দিন পুলিশের কড়া নজরদারীতে থাকে।অপরাধ করলেই পুলিশ আবার খপ করে তাকে ধরে জেলে ভরে দেয়।আপনার ক্ষেত্রে ও ঠিক একই বিষয় ঘটবে অর্থাৎ রিকোয়েস্ট ব্লক ছোটার পরপর অল্প কিছু রিকোয়েস্ট পাঠালেও আবার ব্লক খাবেন, একেবারে পুরো ১৪ দিনের জন্য। :D

৯. তাই মুক্তি পাওয়ার পরে অন্তত এক সপ্তাহ পর্যন্ত সংযম পালন করুন। তারপর আস্তে আস্তে প্রতিদিন ১৫টি , ২০টি, ২৫টি এভাবে রিকোয়েস্ট এর পরিমাণ বাড়াতে থাকুন। তবে আগের মতো আপনাকে সবসময়ই নিশ্চিত থাকতে হবে যে কেউ আপনার রিকোয়েস্ট ঝুলিয়ে রাখেনি।

১০. এভাবে সব নিয়ম কানুন মেনে চললে খুব অল্প সময়েই আপনার লিস্ট ফুল হয়ে যাবে।যদি জিগ্যেস করেন সময়টা কতোদিন তাহলে বলবো,সর্বোচ্চ আড়াই থেকে তিন মাস।আর যদি আগে চার পাঁচটা আইডি এভাবে চালিয়ে অভিজ্ঞ হন ২৩ দিনে লিস্ট ফুল করে ফেলতে পারবেন।তারপর আপনাকে আর পায় কে? আপনি তখন নামযাদা সেলিব্রেটি, হয়তো ভুলেও যাবেন কে আপনাকে এই সব টিপস দিয়েছিলো!!তবে মনে রাখা চাই, আপনাকে কিন্তু ফেবু তে ভালো সময় অ্যাক্টিভ থাকতে হবে.. সময়টা ৬ থেকে ১৪ ঘন্টা ও হতে পারে। :)
আশা করছি আপনারা এখন থেকে ভালমত ফেসবুক এনজয় করতে পারবেন :)

পোস্টটি হয়ত অনেকের উপকারে আসবে l :)
ধন্যবাদ
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০১৪ দুপুর ১:১৬
৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×