শুক্রবার । রাত বারটা। ঘুমাতে যাবার আগে শেয বারের মত রিমোট টিপলাম। আর টিভিতে দেখি রোজ ম্যাডাম গান গাচ্ছে। নামের মতই তার চেহারা(মাসাল্লাহ)। সাজ পোষাকও খারাপ না। তবে তিনি রূপ চর্চায় যতটা মনযোগী কন্ঠের প্রতি ততটা না। গায়িকার পাশাপাশি ক্যামেরায় আসছেন উপস্থাপিকা। তিনি তার বত্রিশ পাটি দাঁত বের করে আছেন। দাত দেখি না গান দেখি করতে করতে গান শেষ হলো। এবার ঠোট দুটো আরও ছড়িয়ে দিয়ে তিনি বললেন, অসাধারণ। এরপর তিনি নোলক বাবুর কাছে গেলেন। - 'ভাইয়া আপনি কি গান গাইরেন? আচ্ছা গান শোনার আগে একটা ফোন নিয়ে আসি।' একটা না বত্রিশ দাঁত ফোন নিল তিনটা। এরপর ও তিনি বেচারা নোলককে গান গাওয়ার সুযোগ দিলেন না। তার ভাষায় , এখন নিচ্ছি ছোট্ট একটা বিরতি।
আমি চলে এণাম দেশ টিভিতে।সেখানে আছে'গান ভাসি' দল।তাদের গায়কী ভাল। শুনছি। আবার উপস্থাপিক। তিনি বসে আছেন পাথরের মুর্তির মত। কথা বলছেন কম। দাঁত দেখা যাচ্ছেনা। সম্ভবত মেকাপ বেশি হয়ে গ্যাছে। গানশেষ - ফোন নেয়ার পালা।- হ্যালো আমারে চিনছেন ,আমি আওমীলীগের লিগের নেতা।
এলাম এন টিভিতে। এখানে গান করছেন আমাদের টাক্কু মিলন(মিলন মাহমুদ)।তিনি গাইছেন, আমার চোখের জলে যমুনা ভরে যাবে ও.......।তারপাশে কে জানেন! আমাগো পাকনা দেবাশীষ। সে বলে, সুন্দর গান, আমরা সবাই কেদে কেদে যমুনা ভরে ফেলবো। বান্দরটা কয়কী। মিলন বলেন, ঠিক সেইটা না, এটা একটা বিরহের গান। কে শোনে কার কথা । সে তখন ফোন নিয়া সমানে হেলাইতেছে। - হ্যালো হ্যালো হ্যালো। ওপাশ থেকে, ভাই আমি তো আপনার কথা শুনতেছিনা। দেবাশীষ- তাহলে গলার ভলিউম বাড়িয়ে দেই।বলদটা এরপর সমানে চিল্লানো শুরু করলো।
- হ্যালো হ্যালো হ্যালা ........................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


