somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিল্প-সাহিত্যের কাজ করে সময় নষ্ট করার কোনও মানে হয়!(?)...

১৪ ই মে, ২০১৩ দুপুর ১:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমানে আমরা এমন একটা সময়ে বসবাস করছি- যেখানে কারও কাছে কোনও ভাল কাজের প্রস্তাব নিয়ে গেলে এমন একটা ভাব করে যে, এসব কোনও কাজ হল! এসবের তো কোনও প্রয়োজনই নেই! এসব যে কেন করেন আপনারা!

মাঝে-মধ্যে এমনও শুনতে হয়- এই ধরণের আজাইরা (তাদের ভাষায়) কাজ করার কি দরকার ! এসব করে কি লাভ বলুন তো? আপনাদের কোনও বেনিফিট আছে?

তাদেরকে বুঝাই কি করে যে, সব কাজ কি লাভ-লোকসানের হিসেব করে হয়? করার প্রয়োজন আছে? সব কাছে নিজের বেনিফিটের কথা চিন্তা করলে হয়! কিছু কাজ তো মনের তাগিদেই করতে হয়। প্রয়োজনের জন্যই করতে হয়। এসব জায়গায় তো লাভ-লোকসানের হিসেব কিংবা নিজের বেনিফিটের কথা চিন্তা করে করতে হয় না! ভাল কিছু করতে পারা- এটাই তো সবচেয়ে বড় পাওয়া!

তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই লাভ ছাড়া কোনও কাজ হয় না- আমি কিংবা আমরা তো এমন কোনও কাজ করছি না যার দ্বারা কারও কোনও লাভ হবে না! আমি তো মনে করি এই কাজে প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে লাভের সংখ্যাটাই বেশি! এটা ওদের (গাধাদের) বুঝাই কেমন করে?

শিল্প-সাহিত্য কিংবা সংস্কৃতি অঙ্গনে কাজ করা, অনেকের কাছে সময় নষ্ট করা ছাড়া আর কিছুই মনে না হলেও- এটা দ্বারা যে দেশ ও সমাজের জন্য কতটা মঙ্গল বয়ে আনা যায়- এটা বুঝতে ঐ সমস্ত গর্ধবদের অনেক সময় লাগবে!

ওসব গর্ধবদের কাছে শুধু বাণ্যিজটাই প্রধান, আর কিছু না। কিভাবে টাকা কামানো যায় এই ধান্ধায় মগ্ন দিন-রাত্রি। সেটা হোক বৈধ বা অবৈধ, তাতে কি আসে যায়!

কোনও কাজে তাদের প্রফিট না এলে সেই কাজ থেকে তারা শতহস্ত দূরে থাকেন। শিল্প-সাহিত্যের ধার ধারার তাদের সময় কোথায়!

হায়রে পুজিঁবাদী সমাজ! হায়রে মানুষ!!
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেয়ালের ছবি আর বই এর পাতায় আধিপত্য দেখে ! অথচ বন্দর আর কড়িডোরের অসম চুক্তিতে সব শিয়ালের এক রা॥

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:১২


দেশ বিক্রির পরীক্ষিত ঠিকাদার....



দেয়ালের ছবি দেখলেই ভারতীয় আধিপত্য, আর বন্দর বেচে দিলে নীরবতা কেন?

দেয়ালে একটা ছবি আঁকা দেখলেই যাদের মুখে ফেনা উঠে যায় - "বাংলাদেশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন সেনা কর্মকর্তা কর্মকর্তার মেজর নিদাল্ল হাসানের মৃত্যুদণ্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



নিদাল হাসান (পুরো নাম: নিদাল মালিক হাসান) হলেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন সাবেক মেজর এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (Psychiatrist)।

২০০৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটিতে সংগঠিত এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার ফিরে আসার পদ্ধতি কি?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



আপা কেন ভারতে বেড়াতে গেলেন সেটা সবাই জানে। আগামী ডিসেম্বরে আপা দেশে ফিরে আসার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন সেটাও সবাই জানে। আপা কিভাবে দেশ থেকে রাষ্ট্রীয় সফরে ভারতে গেলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×