দৈনিক ইত্তেফাকের এ শিখা ব্যানার্জির লেখা 'পোলট্রি মুরগির মাংস ও ডিম' শিরোনামের লেখাটা পড়ে বিষয়টির গভীরতা চিন্তা করে ভীত এবং দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। ডিম এবং মুরগির মাংস অত্যন্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার। এই পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবারের জন্য আমরা পোলট্রির ডিম এবং মুরগির মাংসের ওপরই নির্ভরশীল। দেশি মুরগি, ডিম এগুলোতে এখন দুষ্প্রাপ্য, দামের দিক থেকেও অনেক বেশি। শুধু পোলট্রির মুরগি কেন; ডেইরি ফার্মের গরু, চাষ করা মাছ এদের কি ভেজালমুক্ত খাবার দিতে পারছেন আমাদের খামারিরা? এছাড়াও আমাদের উৎপাদিত খাদ্যশস্য ও শাক-সবজিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার করে এদেরকে করে তোলা হচ্ছে বিষাক্ত। 'ফল' অত্যন্ত ভাল ও রোগ প্রতিরোধ সম্পন্ন খাবার। সেই ফল পাকানো হয় বিষাক্ত কেমিক্যাল দিয়ে কৃত্রিম উপায়ে এবং তা সংরক্ষণ করা হয় ফরমালিন দিয়ে। দুধ দীর্ঘ সময় ভালো রাখার জন্য ব্যবহার হচ্ছে ফরমারিন। সেই দুধ দিয়েই তৈরি হচ্ছে দই, মিষ্টি। মাছ দীর্ঘ সময় তাজা রাখার জন্য ব্যবহার হচ্ছে বিষাক্ত ফরমালিন। আমরা কি এই বিষযুক্ত খাবারই খাবো? আমাদের সন্তানরা এই বিষযুক্ত খাবার খেয়ে সুস্থ শরীর ও মেধা নিয়ে বড় হতে পারবে? আমরা এই দেশের প্রত্যেকটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে এই বিষাক্ত খাবার গ্রহণ করছি। খাদ্যদ্রব্যে ভেজালকারীরা খুনী, ঘৃণ্য অপরাধী। এরা দিনে দিনে জাতিকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। তাই ভোক্তাদের সতর্কিত হতে সংশ্লিশট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


