আমরা যে অতীত থেকে কোনও শিক্ষা নেইনা, তার প্রমান আজকের দিনভর ঘটে যাওয়া ঘটনা। বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব তারেক রহমান বাথরুমে পড়ে যেয়ে চোট পেয়েছেন। তার সমর্থকদের জন্যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা নিঃসন্দেহে। কিন্তু মিরপুর রোডে প্রান দিয়ে তার খেসারত দিয়েছেন জনৈক ব্যবসায়ী, এ কেমন বিচার। রাজনৈতিক অঙ্গনে কিছু ঘটলেই সেটাকে ইস্যু করে অঘটন তৈরি করার জন্য রাজনৈতিক কর্মীরা মুখিয়ে থাকে। সাধারণ মানুষের প্রান যায় যাক, তাতে কারও যেন কিছু আসে যায়না। তারেক রহমান পড়ে যেয়ে ব্যথা পেয়েছেন এর মাশুল কেন এক নিরীহ ব্যবসায়ী আর তার পরিবারকে গুনতে হবে? ঐ ব্যবসায়ী'র প্রানের মুল্য কি আমাদের কোনও রাজনৈতিক নেতার চেয়ে কম? আমি ঘটনার পিছের ঘটনা জানিনা। অনেকেই হয়তো বলবেন, এটা সরকারেরই একটা কূট চাল, প্ল্যান করে এমনটা ঘটানো হয়েছে। আমি মানতে রাজী নই। কারন রাজনীতির নামে সাধারন মানুষের জীবন নিয়ে হোলি খেলা এই প্রথম নয়। অতীতেও আমরা বহুবার দেখেছি। এতকিছুর পরও কি আমাদের শিক্ষা হবেনা?! কিছু একটা মনঃপুত না হলেই বাস জ্বালাও, গাড়ি জ্বালাও, ভাংচুর করো, মানুষের প্রান নিয়ে নাও - আর আমরা এইসব দেখতে চাইনা। অনেক দেখেছি। এর নাম কখনও রাজনীতি হতে পারেনা। এর একটাই নাম- সন্ত্রাস। আমরা আর সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিতে পারিনা। রাজনৈতিক দলগুলা এখনও অনেক বড় বড় কথা বলছে, কাজে কর্মে তার তো কোনও প্রতিফলন দেখিনা। ক্ষমতার দম্ভে ক্ষমতাশুন্য রাজনীতিকদের কবে লজ্জা হবে? কবে তারা মানুষের জন্যে কিছু করবেন; দলের জন্যে না? রাজনৈতিক দৈন্যতা আর বেহায়াপনা দেখতে দেখতে আমরা আর ক্লান্তই শুধু নই; রীতিমত ক্ষুব্ধ!
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


