আমার বন্ধুর গত তিন দিন দরে মাথা ব্যথা রাতে ঘুম হয় না।গেলো ডাক্তারের কাছে।ডাক্তার প্রেশার মেপে...তার দিয়ে তাকিয়ে আছে...বন্ধুর মনে একটু সন্দেহ লাগলো। ডাক্তার কে জিজ্ঞাস করলো কি হয়েছে ডাক্তার এ ভাবে তাকিয়ে আছেন কেন।আমার বন্ধুর প্রেশারের অবস্থ্য দেখে ডাক্তারের প্রেশার বেড়ে গেছে।ডাক্তার আমার বন্ধুকে জিজ্ঞাস করে আপনার বয়স কত।এত কম বয়সে আপনার প্রেশার এত হাই।ডাক্তার কে বলল ৩বছর আগে প্রেশারের ফ্যাক্টরি খুলেছি ডাক্তার। ডাক্তার বলেছে ও বুঝতে পেরেছি।আর বলতে হবে না।মনে হয় যেন ডাক্তার ও ভুক্ত ভুগি আপনাকে এখন প্রেশারের ঔষধ দিমাল না।কারণ এক বার প্রেশারের ঔষধ খেলে আপনাকে সারা জীবন এই ঔষধ খেতে হবে। মাথা ব্যথার ঔষধ দিয়ে দিলাম।আর খানা একটু কন্ট্রোল করে খাবেন।টিপা লবণ খাবেন না।আর টেনশন মোটে ও করবেন না...এই ঔষধ গুলা ঠিক মত খান।আর ৩দিন পর আবার এসে দেখা করবেন আমার সাথে।
ঔষধ নিয়ে ছলে আসলো বাসায়।...।বাসায় ঢুকতে না ঢুকতে ফোন বেজে উঠলো। ভাবী ফোন করেছে।
ভাবী: হ্যালো কি খবর কেমন আছে।ডাক্তারে কাছে গিয়েছ।
বন্ধু: হা গিয়েছি।
ভাবী: ডাক্তার কি বলেছে।
বন্ধু: ডাক্তার বলছে প্রেশার বেড়ে গেছে।আর ঔষধ দিয়েছে।আর বলেছে টেনশন না করার জন্য।টেনশন করলে বড় কোন সমস্যা হয়ে যেতে পারে।
ভাবী: তোমাকে আমি বার বার বলি টেনশন না করার জন্য।তুমি তো আমার কথা শুন না তুমি এত টেনশন কর কেন।
বন্ধু: টেনশন আমি কি আর ইচ্ছা করে করি।তোমাদের জন্যেই তো আমাকে টেনশন করতে হয়।
ভাবী:। আচ্ছা আমার জন্য তুমি টেনশন করতেছ।আমি তোমাকে সব সময় টেনশন দেই।সবাই ভালো আমি এ খারাপ আচ্ছা ঠিক আছে আমি এখনি আমার বাবার বাড়ি চলে যাচ্ছি। আর তোমাদের বাড়িতে আসবো না।আমি তোমার সংসারে বেশি হয়ে গেলাম। তুমি সুখে থাকো বলেই লাইন কেটে দিল।শুরু হয়ে গেলো মহা ভারত।
টেনশনের কথা বলতে গিয়ে টেনশন শুরু হয়ে গেলো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


