somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দে দৌড়!

২৬ শে এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বসে থাকলে, আপনার ক্যারিয়ারও বসে থাকবে।
দৌড়ান, আপনার ক্যারিয়ারও দৌড়াবে।
(তবে কোথায় পৌঁছার জন্য দৌড় দিবেন সেটা কিন্তু
ঠিকভাবে ঠিক করা চাই!)
পাশের বাড়ির ছেলেটা ফটোগ্রাফি করে মাসে দুই
লাখ টাকা আয় করে, ওয়াও! ফটোগ্রাফি করে
এতো টাকা! তাহলে তো আমাকেও ভর্তি হতে
হয়। খালি শাটার টিপ দিয়েই এতো টাকা! তাহলে আমিও
পারবো। দে দৌড়!
বেইলি রোডের পিঁয়াজু মামা খালি পিঁয়াজু বিক্রি কইরা
ঢাকায় ৪টা বাড়ি করছে! দারুণ তো, তাহলে কি
ফটোগ্রাফি শিখবো নাকি পিঁয়াজু বেচবো! পিঁয়াজু
বানানো তো আরো সোজা! ঢাকায় ৪টা বাড়ি করা
ঠেকায় কে!দে দৌড়!
লিটন দাস, জাবি থেকে পাশ করে মাসে ১০ লাখ টাকায়
কামায়। কীসব ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ
করে! এইটাতে তো দেখি টাকা আরও বেশি।
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট , এইটা কোন কাজ! মাসে
১০ লাখ, ঠেকায় কে, তাহলে ফটোগ্রাফি আর পিঁয়াজু
না বেইচা ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করি!
দে দৌড়!
পাশের বাসার মামুন ভাই, বুয়েট থেকে পাশ করে
ঢাকায় ১৩টা ফ্লাট কিনছে, ইস ছেলেটা যদি বুয়েটে
চান্স পাইতো, তাইলে আর চিন্তা কী! ছেলে্রে
কড়া নির্দেশ , “তোরে বুয়েটে পড়তেই
হইবো”! ছেলেও দিলো দৌড়! বুয়েটে পড়তেই
হইবো। নাভিদ ভাই বলছে, বুয়েটে পড়লে
দেশের সেরা সুন্দরীরা তোমার দরজায় আইসা
সিরিয়াল দিয়া নক করবো আর আমেরিকার ভিসা ফ্রি!
দে দৌড় – একদিকে বড়লোকের সুন্দরি মাইয়া,
আরেকদিকে দেশে থাকলে, একটু সিনিয়য় হইলে
বছরে ২৫/৩০ কোটি টাকা ব্যাপার না। তাইলে
ফটোগ্রাফির দরকার নাই, পিঁয়াজু বিক্রির দরকার নাই,
ইভেন্ট ম্যনেজমেন্টেরও দরকার নাই।
বুয়েটেই পড়তে হইবো। দে দৌড়!

কথায় কথায় ভুলে গেলাম, আসলে আমি কী হইতে
চাইছিলাম! কোথায় যাওয়া দরকার ছিলো! গেলাম
কোথায়!সেই অভাব মনের শান্তির অভাব, যার অভাবে
আসলে জীবনের ষোল আনাই মিছে। মিটার রিডার
কোটি টাকার মালিক, শিক্ষাভবনের দারোয়ারের
ইনকামও বেসুমার! সরকারি চাকুরি মানেই এক একটা
ব্যাংক! টাকার কোন অভাব নেই।
কিন্তু আমারও একটা স্বপ্ন ছিলো, সেই স্বপ্নের
খবর কী? স্বপ্নকে কবর দিলে, সে আবার
জেগে উঠবে! সেই স্বপ্নের পেছনে
দৌড়ানোটাই দরকার ছিলো, খুব দরকার ছিলো! দৌড়
দেয়ার আগেই ঠিক করতে হবে, ঠিক কোথায় দৌড়
দিতে হবে। জায়গাটা ঠিক করতে পারলে,
ভালোভাবেই টাকা আসবে আর শান্তিও থাকবে।
দৌড়টা দিতে হবে, তবে ভেড়ার পালের মতো
উদ্দেশ্যহীন নয়, মানুষের মতো।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"নিজেদের কেলেঙ্কারিই যখন নিরাপদ নয়, প্রধানমন্ত্রী কতটা নিরাপদ"

লিখেছেন রিয়াজ হান্নান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৭


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রিয় তারেক রহমান রাহিমাহুল্লাহ,আপনাকে সবার আগে বাংলাদেশের জন্য ভালোবাসি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি আপনার আশেপাশের লোকেরা কেলেংকারির সাথে জড়িত,এরা আবার ইলিয়াসের আগেই নিজেকে নিজে এক্সপোজ করে দেয়।

এরা নিজেরাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের আধিপত্যবাদী নীতি

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৫২

নেপাল সেনাবাহিনীর সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা সম্প্রতি ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশের কিছু সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করেছে ।
গত ১৭ আগস্ট নেপালের রাজধানী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোলাপী এখন বাসে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×