
আমার অনেক পছন্দের একটা নাম।
হোক সে পতিতা, কৃষ্ণকলি, অথবা বস্তির মেয়ে,
আমার রাজ্যের রানী হবে সে।
তার ডাক নাম হবে সুকন্যা।
ডাকবো এই নামে, মাঠে যাবার আগে, মাঠ থেকে ফিরে।
চৈত্রের দুপুরে
যখন মাঠ থেকে ফিরবো......
১ মুঠো চাল ভাজা, আর ২ টুকরো নারিকেল এর ফালি হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলবে "ইসস পূরে একদম কয়লা হয়ে গেছে, রউদ্দুরের তাপ বাড়লে হাল বন্ধ করতে পারেন নাহ?
আমার বাম পায়ের রক্ত ঝরা দেখে বলবে
আল্লাহ!!!!!!
রক্ত!!!!!!!
কি হইছে? জোঁকে ধরছিল??? ইসসস !!!!
পায়ে লেগে থাকা কাঁদার আস্তরন মুছে দেবে পরনের শাড়ির আচল দিয়েই, দৌড়ে গিয়ে ফিটকিরির টুকরা নিয়ে আসবে, হালকা একটা প্রলেপ মেখে দিবে ক্ষতস্থানে,
দূর্বা ঘাস চিবিয়ে লাগিয়ে দেবে, রক্ত পড়া বন্ধ হবে।
যেন হাজার বছর তৃষ্ণায় থাকা চাতকের ঠোঁটে এক ফোঁটা জল, আমি ওর ভালবাসায় তৃপ্তি নেবো মহাকালের।
কেমন একটা পাগলের মত করবে?
আমি শুধু বিচক্ষন দৃষ্টিতে চেয়ে থাকবো
ওর চোখ;
চোখের ভিতর একটা উদ্বিগ্ন মোহ;
কিঞ্চিৎ আবেগ, অঢেল ভালবাসা
অজান্তেই ছল ছল চোখ টা বার বার আমার দিকে তাকাবে
কান্না এসেও আসছে না
মুহূর্তেই গরিয়ে পড়বে অশ্রুফোঁটা
ক্যাবে ফুটিয়ে তোলা যায়না এমন একটা মুহূর্ত।
আমি চেয়ে দেখবো
শুধু চেয়ে দেখবো.........
এই ভর দুপুরে; খুব তৃষ্ণার্ত আমি
সুকন্যা?
আর এক গ্লাস পানি দিবা?
রউদ্দুর মাঠে,
ম্যালা রোদ্দুর............
মন্তব্যঃ আবাগে পৃথিবী বেহেশত, বাস্তবে নরক, বলো সুকন্যা!!! কি চাও এই নরকে?
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে অক্টোবর, ২০১৬ রাত ২:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



